নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের সাবেক সহসভাপতি আনোয়ার হোসেন আনু হত্যা মামলায় এজাহারভুক্ত সকলকে অব্যাহতি দিয়ে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেছে তদন্তকারী সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
মামলায় প্রধান আসামি ছিলেন ফতুল্লা থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব রাসেল মাহমুদ। বিষয়টি নিশ্চিত করে তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআই নারায়ণগঞ্জ জেলার পরিদর্শক আবদুল বাতেন মিয়া বলেন, সম্প্রতি ওই চার্জশিট আদালতে দাখিল করেন। তিনি জানান, চার্জশিটে আনুর মৃত্যুর পেছনে মানসিক অস্থিরতাকে দায়ী করা হয়েছে। সে কারণেই তিনি ভবনের লিফটের ফাঁকা জায়গায় পড়ে গিয়ে মারা গেছেন উল্লেখ করা হয়।
নিহত যুবদল নেতা আনু ছিলেন নাসিকের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলার ও আওয়ামী লীগ নেতা মনিরুজ্জামান মনিরের ছোট ভাই। মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০২৩ সালের ২৬ আগস্ট রাতে নারায়ণগঞ্জ শহরের মাসদাইর শেরে বাংলা রোডের সেঞ্চুরি হেলেনা অ্যাপার্টমেন্টের নিচে লিফটের খালি জায়গায় পাওয়া যায় আনোয়ার হোসেন আনুর লাশ। ঘটনার পরদিন ২৭ আগস্ট আনুর বড় ভাই আবুল কাশেম বাদশা বাদি হয়ে রাসেল মাহমুদকে প্রধান আসামি করে মামলা করেন।
মামলা মোট ৮ জনকে আসামি করা হয়। রাসেল ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন শহরের বাবুরাইল এলাকার করিম মিয়ার মেয়ে ও নিহতের প্রাক্তন স্ত্রী পাপিয়া আক্তার পান্না (৪২), নিহতের মেয়ে জান্নাত আরা জাহান প্রেরণা (২১), নিহতের পুত্র সারিদ হোসেন (১৯), শহরের বাবুরাইল এলাকার করিম মিয়ার দুই ছেলে নুর আলম (৪৫) ও কাজল (৩২) এবং মেয়ে রোকসানা আক্তার পুতুল (৪৬), বিসিক শিল্পনগরীর মার্টিন গার্মেন্টেস এর গলি এলাকার বাসিন্দা গোল মোহাম্মদ।
মামলায় অজ্ঞাত আসামি দেখানো হয়েছে আরো ৫/৬ জনকে। ওই ঘটনায় পিবিআই আসামিদের গ্রেপ্তার করেছিল। এ বিষয়ে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা রাসেল মাহমুদ জানান, সত্যের বিজয় সবসময়ই হয়। ঘটনার পর থেকেই আমাকে ও আমার পরিবারকে ষড়যন্ত্র করে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়। অবশেষে তদন্তে সত্য বের হয়ে আসলো।





















