আজ বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
১৪ কার্তিক, ১৪৩৩ | ১৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮
ঢাকা
আংশিক মেঘলা
৩২°C
সর্বোচ্চ: ৩৩°C
সর্বনিম্ন: ২৫°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ৪৯%

চট্টগ্রামে রাসায়নিক দুর্যোগ মোকাবিলায় নৌবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসের যৌথ মহড়া

  • MIT ERP
  • Update Time : 09:26:56 pm, Tuesday, 18 August 2026
  • 51

চট্টগ্রামে রাসায়নিক দুর্যোগ মোকাবিলায় নৌবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসের যৌথ মহড়া

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

রাসায়নিক দুর্যোগ মোকাবিলায় আভিযানিক সক্ষমতা ও প্রস্তুতি বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশ নৌবাহিনী এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের যৌথ উদ্যোগে ‘সিচুয়েশন্যাল ট্রেনিং এক্সারসাইজ (STX)’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বানৌজা ঈসা খানে নৌবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় এ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। এতে আগ্রাবাদ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ৪১ জন এবং নৌবাহিনীর ৪৫৫ জন সদস্য সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন (বিএনএসিডব্লিউসি) বিভিন্ন অংশীজনের দক্ষতা বাড়াতে নিয়মিত ‘Basic Assistance and Protection Course for Responders (BAPCOR)’ প্রশিক্ষণের আয়োজন করে থাকে।

এরই ধারাবাহিকতায় এ মহড়ার আয়োজন করা হয়। মহড়ায় রাসায়নিক দুর্ঘটনাজনিত জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় দুর্ঘটনাস্থল নিরাপদ করা, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা নিয়ন্ত্রণ, রাসায়নিক পদার্থের বিস্তার রোধ, আক্রান্ত ও বিপদাপন্ন ব্যক্তিদের উদ্ধার, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং নিরাপদ স্থানে স্থানান্তরের অনুশীলন করা হয়। পাশাপাশি অগ্নিকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ ও অগ্নিনির্বাপণ কার্যক্রমও অনুশীলন করা হয়।

এ ছাড়া ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ, উদ্ধারকারী সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জরুরি সেবা কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। মহড়ায় অংশগ্রহণকারী সংস্থাগুলোর সদস্যরা পারস্পরিক যোগাযোগ, দায়িত্ব বণ্টন ও সমন্বিত সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে একটি বাস্তবসম্মত রাসায়নিক জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার অনুশীলন করেন। সংশ্লিষ্টরা জানান, এ ধরনের যৌথ মহড়ার মাধ্যমে নৌবাহিনী, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর আন্তঃসংস্থাগত সমন্বয় ও দ্রুত সাড়া দেওয়ার সক্ষমতা আরও জোরদার হবে।

বিশেষ করে বন্দর, জাহাজ, শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় সম্ভাব্য রাসায়নিক দুর্ঘটনা বা অগ্নিকাণ্ডের ক্ষেত্রে দ্রুত উদ্ধার ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এ ধরনের মহড়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও যৌথ মহড়ার মাধ্যমে প্রাণহানি, সম্পদ ও পরিবেশের ক্ষয়ক্ষতি কমানোর পাশাপাশি দেশের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ও কৌশলগত স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা এবং সামগ্রিক দুর্যোগ মোকাবিলা সক্ষমতা আরও বাড়বে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

মুন্সীগঞ্জে শিশু ও তার বাবা হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ

চট্টগ্রামে রাসায়নিক দুর্যোগ মোকাবিলায় নৌবাহিনী ও ফায়ার সার্ভিসের যৌথ মহড়া

Update Time : 09:26:56 pm, Tuesday, 18 August 2026

রাসায়নিক দুর্যোগ মোকাবিলায় আভিযানিক সক্ষমতা ও প্রস্তুতি বৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশ নৌবাহিনী এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের যৌথ উদ্যোগে ‘সিচুয়েশন্যাল ট্রেনিং এক্সারসাইজ (STX)’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বানৌজা ঈসা খানে নৌবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় এ মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। এতে আগ্রাবাদ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের ৪১ জন এবং নৌবাহিনীর ৪৫৫ জন সদস্য সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন (বিএনএসিডব্লিউসি) বিভিন্ন অংশীজনের দক্ষতা বাড়াতে নিয়মিত ‘Basic Assistance and Protection Course for Responders (BAPCOR)’ প্রশিক্ষণের আয়োজন করে থাকে।

এরই ধারাবাহিকতায় এ মহড়ার আয়োজন করা হয়। মহড়ায় রাসায়নিক দুর্ঘটনাজনিত জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় দুর্ঘটনাস্থল নিরাপদ করা, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা নিয়ন্ত্রণ, রাসায়নিক পদার্থের বিস্তার রোধ, আক্রান্ত ও বিপদাপন্ন ব্যক্তিদের উদ্ধার, প্রাথমিক চিকিৎসা এবং নিরাপদ স্থানে স্থানান্তরের অনুশীলন করা হয়। পাশাপাশি অগ্নিকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ ও অগ্নিনির্বাপণ কার্যক্রমও অনুশীলন করা হয়।

এ ছাড়া ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ, উদ্ধারকারী সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জরুরি সেবা কার্যক্রম অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। মহড়ায় অংশগ্রহণকারী সংস্থাগুলোর সদস্যরা পারস্পরিক যোগাযোগ, দায়িত্ব বণ্টন ও সমন্বিত সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে একটি বাস্তবসম্মত রাসায়নিক জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার অনুশীলন করেন। সংশ্লিষ্টরা জানান, এ ধরনের যৌথ মহড়ার মাধ্যমে নৌবাহিনী, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর আন্তঃসংস্থাগত সমন্বয় ও দ্রুত সাড়া দেওয়ার সক্ষমতা আরও জোরদার হবে।

বিশেষ করে বন্দর, জাহাজ, শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় সম্ভাব্য রাসায়নিক দুর্ঘটনা বা অগ্নিকাণ্ডের ক্ষেত্রে দ্রুত উদ্ধার ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এ ধরনের মহড়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও যৌথ মহড়ার মাধ্যমে প্রাণহানি, সম্পদ ও পরিবেশের ক্ষয়ক্ষতি কমানোর পাশাপাশি দেশের গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ও কৌশলগত স্থাপনাগুলোর নিরাপত্তা এবং সামগ্রিক দুর্যোগ মোকাবিলা সক্ষমতা আরও বাড়বে।