আজ শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬
২৪ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ২৬ রবিউস সানি ১৪৪৮
ঢাকা
পরিষ্কার আকাশ
২৫°C
সর্বোচ্চ: ৩৩°C
সর্বনিম্ন: ২৩°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ৯১%

রাজধানীর খুচরা বাজারে বেড়েছে বিভিন্ন ভোগ্যপণ্যের দাম

  • MIT ERP
  • Update Time : 10:20:18 pm, Friday, 9 October 2026
  • 14
Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

ঢাকার খুচরা বাজারে গত সপ্তাহের তুলনায় ভোগ্যপণ্যের দাম বেড়েছে। সরু চালের দাম কেজিতে ২ টাকা, সবজি ১০ এবং মুরগির দাম কেজিতে ২০ টাকা বেড়েছে। এ ছাড়া এলপি গ্যাস, ভোজ্যতেল ও চিনি বাড়তি দামে কিনতে হচ্ছে ভোক্তাদের।

সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্য অনুযায়ী, বাজারে পাইজাম, ব্রি-২৮ ও ব্রি-২৯ চাল ৫৮ থেকে ৬৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে এসব চালের দাম কেজিতে প্রায় ৩ টাকা বেড়েছে। ডিম, দেশি মাছ এবং সবজির দাম গত সপ্তাহের তুলনায় সামান্য বেড়েছে। কারওয়ান বাজারের ক্রেতা হাসিব রহমান বলেন, ‘এমনিতে দাম বাড়তি, তার ওপর আরও বাড়তি দামে কিনতে হচ্ছে এসব পণ্য।

কম দামে পণ্য চাওয়াও এখনে যেন অপরাধ। কে কার কথা শোনে। ’ ব্যবসায়ীরা বলছেন, ধানের মূল্যবৃদ্ধি ও পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় পাইকারি পর্যায়ে চালের দাম বেড়েছে, যার প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারেও। এ ছাড়া সবজির দামও চড়া রয়েছে। নতুন চাল না আসা পর্যন্ত দাম কমবে না বলে জানান তারা। অন্যদিকে বাজারে শীতের সবজি আসতে শুরু করেছে। পুরোদমে বাজারে এলে দাম কমবে বলে জানান তারা।

গতকাল শুক্রবার রাজধানীর মগবাজার, কারওয়ান বাজার, নিউমার্কেট ও শান্তিনগরের অনেক ক্রেতা-বিক্রেতার সঙ্গে কথা বলে এ চিত্র পাওয়া গেছে। কারওয়ান বাজার ঘুরে জানা গেছে, বর্তমানে ব্র্যান্ডভেদে প্রতি কেজি মিনিকেট চাল ৬৫ থেকে ৭৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যে চাল যত সরু এবং স্বচ্ছ, তার দাম তত বেশি। ডায়মন্ড, মঞ্জুর ও সাগর ব্র্যান্ডের মিনিকেটের দাম কেজিতে ৭৪-৭৫ টাকা।

এক সপ্তাহ আগে এসব চালের দাম ছিল প্রায় ৭২ টাকা। অন্যদিকে রশিদ ব্র্যান্ডের মিনিকেট বিক্রি হচ্ছে ৬৫ টাকা কেজি দরে, যা এক থেকে দেড় সপ্তাহ আগের তুলনায় ২ টাকা বেশি। মিনিকেটের মধ্যে তুলনামূলক বেশি দামের মোজাম্মেল ব্র্যান্ডের চালের কেজি এখন ৭৬ টাকা। গত সপ্তাহের তুলনায় এর দাম বেড়েছে ১ টাকা। সরু চালের মধ্যে নাজিরশাইলের দামও বেড়েছে।

মানভেদে প্রতি কেজি নাজিরশাইল ৭০ থেকে ৯৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতারা বলেন, গত এক থেকে দেড় সপ্তাহে এ চালের দাম কেজিতে ২-৩ টাকা বেড়েছে। কারওয়ান বাজার এলাকায় চাল ব্যবসায়ী রাজু আহমেদ বলেন, ‘আগে সুগন্ধি চালে দাম বাড়তি ছিল, এখনো বাড়তি আছে। তবে নতুন করে আর দাম বাড়েনি। সরু চালের দাম কেজিতে ১ টাকার মতো বেড়েছে। কারণ পরিবহন খরচ মেটাতে এটা নিতে হচ্ছে।

’ হারুন কাশেমি নামে একজন ক্রেতা বলেন, ‘মোটা চালের দাম বাড়েনি। চিকন চালের দাম সামান্য বেড়েছে। ’ কিচেন মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে, মোটা চালের দামে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন নেই। বর্তমানে প্রতি কেজি মোটা চাল ৫০ থেকে ৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে রাজধানীর বাজারে অধিকাংশ সবজির দাম ৬০ টাকা থেকে শুরু। আগাম শীতকালীন সবজি শিমের দাম কেজি ১৫০ টাকা।

ফুলকপি প্রতি পিস ৭০ টাকা এবং মূলা বিক্রি হচ্ছে কেজি ৭০ টাকায়। তবে তুলনামূলক কম দামে পেঁপে পাওয়া যাচ্ছে, যার কেজি ৩০ টাকা। বাজারে লম্বা বেগুন ১০০ টাকা, গোল বেগুন ১২০ টাকা ও টমেটো ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বরবটি, ঝিঙা ও করলার কেজি ৮০ টাকা। লাউ প্রতি পিস ৬০ থেকে ৮০ টাকা এবং কচুমুখি ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

শসার দাম তুলনামূলক কম, সাধারণ শসা ৫০-৬০ টাকা কেজি। তবে দেশি শসা কিনতে গুনতে হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা। সবজির উচ্চমূল্যের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে কাঁচামরিচের বাজারে। কয়েক সপ্তাহ আগে প্রতি কেজি ২০০ টাকায় বিক্রি হওয়া কাঁচামরিচ এখন মানভেদে ১২০ থেকে ১৪০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। বিক্রেতারা বলছেন, সরবরাহ বাড়ায় দাম কমেছে। কারওয়ান বাজারে সবজি কিনতে আসা আবু দাউদ বলেন, ‘১৪০ টাকা দিয়ে ফুলকপি দুই পিস কিনেছি।

নতুন সবজি, তাই দাম বেশি হলেও কিনলাম। একটা লাউ ৫০ টাকা আর এক পোয়া কাঁচামরিচ কিনেছি ৩০ টাকায়। কয়েকটা সবজি কিনতেই অনেক টাকা চলে যাচ্ছে। বাজারে এসে কোনটা কিনব আর কোনটা বাদ দেব, সেই হিসাব করতে হয়। ’ মুরগির বাজারে দামের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন নেই। রাজধানীর খুচরা বাজারে ব্রয়লার মুরগি কেজি ১৮০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

গত সপ্তাহের তুলনায় ২০ টাকা বেড়েছে। এদিকে ফার্মের মুরগির ডিমের দামেও স্বস্তি নেই। বিভিন্ন বাজারে প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকায়। পাড়া-মহল্লার দোকানে চারটি ডিম কিনতে খরচ হচ্ছে প্রায় ৫৫ টাকা। সে হিসাবে ডজনের দাম দাঁড়াচ্ছে ১৬৫ টাকা। ব্রয়লার মুরগির বিক্রেতা তারেক হোসেন বলেন, কয়েক সপ্তাহ ধরেই ব্রয়লার মুরগির দাম প্রতি কেজি ১৮০ থেকে ২০০ টাকার মধ্যে ওঠানামা করছে।

এক সপ্তাহে ১০ টাকা কমলে পরের সপ্তাহে আবার ১০ টাকা বেড়ে যায়। অন্যদিকে সোনালি মুরগির দাম সাধারণত ৩১০-৩২০ টাকার মধ্যে থাকে। শুক্রবার তিনি ৩১০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন। এদিকে গরুর মাংসের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বাজারে প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকায়। মাছের বাজারেও ক্রেতাদের বেশি দাম গুনতে হচ্ছে। তেলাপিয়া প্রতি কেজি ২৫০-২৬০ টাকা, পাঙাশ ২২০-২৩০ টাকা এবং রুই-কাতলা ৩৮০ থেকে ৪২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

চিংড়ির দাম আকার ও মানভেদে কেজিতে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা। এ ছাড়া পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা এবং বড় রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। চাষের কই পাওয়া যাচ্ছে ২০০ টাকায়, পোয়া ২৬০ টাকায়। চাষের শিং মাছ আকারভেদে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাঝারি আকারের রুই কেনা যাচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা কেজি দরে। কারওয়ান বাজারের মাছ বিক্রেতা রমিজ উদ্দিন বলেন, সপ্তাহের অন্যান্য দিনের তুলনায় শুক্রবার মাছের চাহিদা বেশি থাকে।

ফলে কিছু মাছের দামও বাড়ে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

রূপপুর থেকে দ্রুত জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের আশ্বাস রোসাটমের

রাজধানীর খুচরা বাজারে বেড়েছে বিভিন্ন ভোগ্যপণ্যের দাম

Update Time : 10:20:18 pm, Friday, 9 October 2026

ঢাকার খুচরা বাজারে গত সপ্তাহের তুলনায় ভোগ্যপণ্যের দাম বেড়েছে। সরু চালের দাম কেজিতে ২ টাকা, সবজি ১০ এবং মুরগির দাম কেজিতে ২০ টাকা বেড়েছে। এ ছাড়া এলপি গ্যাস, ভোজ্যতেল ও চিনি বাড়তি দামে কিনতে হচ্ছে ভোক্তাদের।

সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্য অনুযায়ী, বাজারে পাইজাম, ব্রি-২৮ ও ব্রি-২৯ চাল ৫৮ থেকে ৬৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে এসব চালের দাম কেজিতে প্রায় ৩ টাকা বেড়েছে। ডিম, দেশি মাছ এবং সবজির দাম গত সপ্তাহের তুলনায় সামান্য বেড়েছে। কারওয়ান বাজারের ক্রেতা হাসিব রহমান বলেন, ‘এমনিতে দাম বাড়তি, তার ওপর আরও বাড়তি দামে কিনতে হচ্ছে এসব পণ্য।

কম দামে পণ্য চাওয়াও এখনে যেন অপরাধ। কে কার কথা শোনে। ’ ব্যবসায়ীরা বলছেন, ধানের মূল্যবৃদ্ধি ও পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় পাইকারি পর্যায়ে চালের দাম বেড়েছে, যার প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারেও। এ ছাড়া সবজির দামও চড়া রয়েছে। নতুন চাল না আসা পর্যন্ত দাম কমবে না বলে জানান তারা। অন্যদিকে বাজারে শীতের সবজি আসতে শুরু করেছে। পুরোদমে বাজারে এলে দাম কমবে বলে জানান তারা।

গতকাল শুক্রবার রাজধানীর মগবাজার, কারওয়ান বাজার, নিউমার্কেট ও শান্তিনগরের অনেক ক্রেতা-বিক্রেতার সঙ্গে কথা বলে এ চিত্র পাওয়া গেছে। কারওয়ান বাজার ঘুরে জানা গেছে, বর্তমানে ব্র্যান্ডভেদে প্রতি কেজি মিনিকেট চাল ৬৫ থেকে ৭৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যে চাল যত সরু এবং স্বচ্ছ, তার দাম তত বেশি। ডায়মন্ড, মঞ্জুর ও সাগর ব্র্যান্ডের মিনিকেটের দাম কেজিতে ৭৪-৭৫ টাকা।

এক সপ্তাহ আগে এসব চালের দাম ছিল প্রায় ৭২ টাকা। অন্যদিকে রশিদ ব্র্যান্ডের মিনিকেট বিক্রি হচ্ছে ৬৫ টাকা কেজি দরে, যা এক থেকে দেড় সপ্তাহ আগের তুলনায় ২ টাকা বেশি। মিনিকেটের মধ্যে তুলনামূলক বেশি দামের মোজাম্মেল ব্র্যান্ডের চালের কেজি এখন ৭৬ টাকা। গত সপ্তাহের তুলনায় এর দাম বেড়েছে ১ টাকা। সরু চালের মধ্যে নাজিরশাইলের দামও বেড়েছে।

মানভেদে প্রতি কেজি নাজিরশাইল ৭০ থেকে ৯৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতারা বলেন, গত এক থেকে দেড় সপ্তাহে এ চালের দাম কেজিতে ২-৩ টাকা বেড়েছে। কারওয়ান বাজার এলাকায় চাল ব্যবসায়ী রাজু আহমেদ বলেন, ‘আগে সুগন্ধি চালে দাম বাড়তি ছিল, এখনো বাড়তি আছে। তবে নতুন করে আর দাম বাড়েনি। সরু চালের দাম কেজিতে ১ টাকার মতো বেড়েছে। কারণ পরিবহন খরচ মেটাতে এটা নিতে হচ্ছে।

’ হারুন কাশেমি নামে একজন ক্রেতা বলেন, ‘মোটা চালের দাম বাড়েনি। চিকন চালের দাম সামান্য বেড়েছে। ’ কিচেন মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে, মোটা চালের দামে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন নেই। বর্তমানে প্রতি কেজি মোটা চাল ৫০ থেকে ৫৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে রাজধানীর বাজারে অধিকাংশ সবজির দাম ৬০ টাকা থেকে শুরু। আগাম শীতকালীন সবজি শিমের দাম কেজি ১৫০ টাকা।

ফুলকপি প্রতি পিস ৭০ টাকা এবং মূলা বিক্রি হচ্ছে কেজি ৭০ টাকায়। তবে তুলনামূলক কম দামে পেঁপে পাওয়া যাচ্ছে, যার কেজি ৩০ টাকা। বাজারে লম্বা বেগুন ১০০ টাকা, গোল বেগুন ১২০ টাকা ও টমেটো ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বরবটি, ঝিঙা ও করলার কেজি ৮০ টাকা। লাউ প্রতি পিস ৬০ থেকে ৮০ টাকা এবং কচুমুখি ৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

শসার দাম তুলনামূলক কম, সাধারণ শসা ৫০-৬০ টাকা কেজি। তবে দেশি শসা কিনতে গুনতে হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা। সবজির উচ্চমূল্যের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে কাঁচামরিচের বাজারে। কয়েক সপ্তাহ আগে প্রতি কেজি ২০০ টাকায় বিক্রি হওয়া কাঁচামরিচ এখন মানভেদে ১২০ থেকে ১৪০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। বিক্রেতারা বলছেন, সরবরাহ বাড়ায় দাম কমেছে। কারওয়ান বাজারে সবজি কিনতে আসা আবু দাউদ বলেন, ‘১৪০ টাকা দিয়ে ফুলকপি দুই পিস কিনেছি।

নতুন সবজি, তাই দাম বেশি হলেও কিনলাম। একটা লাউ ৫০ টাকা আর এক পোয়া কাঁচামরিচ কিনেছি ৩০ টাকায়। কয়েকটা সবজি কিনতেই অনেক টাকা চলে যাচ্ছে। বাজারে এসে কোনটা কিনব আর কোনটা বাদ দেব, সেই হিসাব করতে হয়। ’ মুরগির বাজারে দামের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন নেই। রাজধানীর খুচরা বাজারে ব্রয়লার মুরগি কেজি ১৮০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

গত সপ্তাহের তুলনায় ২০ টাকা বেড়েছে। এদিকে ফার্মের মুরগির ডিমের দামেও স্বস্তি নেই। বিভিন্ন বাজারে প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকায়। পাড়া-মহল্লার দোকানে চারটি ডিম কিনতে খরচ হচ্ছে প্রায় ৫৫ টাকা। সে হিসাবে ডজনের দাম দাঁড়াচ্ছে ১৬৫ টাকা। ব্রয়লার মুরগির বিক্রেতা তারেক হোসেন বলেন, কয়েক সপ্তাহ ধরেই ব্রয়লার মুরগির দাম প্রতি কেজি ১৮০ থেকে ২০০ টাকার মধ্যে ওঠানামা করছে।

এক সপ্তাহে ১০ টাকা কমলে পরের সপ্তাহে আবার ১০ টাকা বেড়ে যায়। অন্যদিকে সোনালি মুরগির দাম সাধারণত ৩১০-৩২০ টাকার মধ্যে থাকে। শুক্রবার তিনি ৩১০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন। এদিকে গরুর মাংসের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বাজারে প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৮০০ টাকায়। মাছের বাজারেও ক্রেতাদের বেশি দাম গুনতে হচ্ছে। তেলাপিয়া প্রতি কেজি ২৫০-২৬০ টাকা, পাঙাশ ২২০-২৩০ টাকা এবং রুই-কাতলা ৩৮০ থেকে ৪২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

চিংড়ির দাম আকার ও মানভেদে কেজিতে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা। এ ছাড়া পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা এবং বড় রুই ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। চাষের কই পাওয়া যাচ্ছে ২০০ টাকায়, পোয়া ২৬০ টাকায়। চাষের শিং মাছ আকারভেদে ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাঝারি আকারের রুই কেনা যাচ্ছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা কেজি দরে। কারওয়ান বাজারের মাছ বিক্রেতা রমিজ উদ্দিন বলেন, সপ্তাহের অন্যান্য দিনের তুলনায় শুক্রবার মাছের চাহিদা বেশি থাকে।

ফলে কিছু মাছের দামও বাড়ে।