আজ সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬
১৮ কার্তিক, ১৪৩৩ | ২১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮
ঢাকা
আংশিক মেঘলা
২৯°C
সর্বোচ্চ: ৩২°C
সর্বনিম্ন: ২৫°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ৬১%

মিরপুর-১০ ও মিরপুর-১ এর ফুটপাতে হকার বসতে না দেওয়ার সিদ্ধান্ত ডিএনসিসির

  • MIT ERP
  • Update Time : 06:53:39 pm, Monday, 2 November 2026
  • 15

মিরপুর-১০ ও মিরপুর-১ এর ফুটপাতে হকার বসতে না দেওয়ার সিদ্ধান্ত ডিএনসিসির

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

রাজধানীর মিরপুর-১০ ও মিরপুর-১ এলাকার ফুটপাতে হকারদের আর বসতে দেওয়া হবে না। তবে উচ্ছেদ হওয়া হকারদের পুনর্বাসনে বিকল্প স্থান খুঁজছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। মিরপুর-১০, মিরপুর-১ ও উত্তরায় হকারদের জন্য বিকল্প জায়গার ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

সোমবার (২ নভেম্বর) দুপুরে ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান তাঁর সম্মেলনকক্ষে বাংলাদেশ হকার্স ইউনিয়নের ১০ সদস্যের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এসব কথা বলেন। সাক্ষাৎকালে হকার্স ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা মিরপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় উচ্ছেদ হওয়া হকারদের পুনর্বাসনের দাবিতে প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দেন। ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, ‘হকাররা আমাদের অংশ।

তাদের জন্য নির্দিষ্ট স্থানে বিকল্প ব্যবস্থা খোঁজা হচ্ছে। দ্রুতই তাদের বসার জায়গা করে দেওয়া হবে। ’ হকারদের জন্য হলিডে মার্কেট চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। শফিকুল ইসলাম খান বলেন, বিকল্প স্থানে তিন থেকে পাঁচশ দোকান বসানোর ব্যবস্থা করা গেলে সেখানে ক্রেতারাও আসবেন এবং কেনাবেচা ভালো হবে। উচ্ছেদ হওয়া হকারদের জন্য হলিডে মার্কেটের ব্যবস্থা করার চেষ্টা চলছে।

ফুটপাত থেকে হকার উচ্ছেদের বিষয়ে তিনি বলেন, বাধ্য হয়েই অবৈধ স্থাপনা ও হকারদের উচ্ছেদ করা হয়েছে। কিছু সিন্ডিকেট ও হকারের দখলদারির কারণে সাধারণ মানুষের হাঁটার জায়গা ছিল না। ফুটপাত ছেড়ে সড়ক পর্যন্ত দখল করে রাখায় পথচারীরা ফুটপাত ব্যবহার করতে পারতেন না। উচ্ছেদ অভিযানের পর মানুষ বুঝতে পেরেছে, ফুটপাত তাদের চলাচলের জন্য। প্রশাসক স্পষ্ট করে বলেন, মিরপুর-১০ ও মিরপুর-১-এর ফুটপাতে আর হকারদের বসতে দেওয়া হবে না।

তবে আগে যারা হকারি করতেন, তাদের বিকল্প স্থানে বসানোর ব্যবস্থা করা হবে। সাক্ষাৎকালে প্রশাসক ও হকার প্রতিনিধি দলের সদস্যরা একমত হন, ৫ আগস্টের পর হকারদের কারণে সৃষ্ট সমস্যা আরও জটিল হয়েছে। বিকল্প স্থানে হকারদের নিজস্ব যানচালিত দোকান থাকবে; সেখানে কোনো চৌকি বসানো যাবে না বলেও জানান প্রশাসক। এ সময় উভয় পক্ষ পারস্পরিক আস্থা ও বিশ্বাস বজায় রেখে একে অপরকে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

সাক্ষাৎকালে গুলশান জোনের ডিসি মো. রুহুল কবির, গুলশান ও বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

চট্টগ্রামে সন্ত্রাসী বগাসহ চারজন রিমান্ডে

মিরপুর-১০ ও মিরপুর-১ এর ফুটপাতে হকার বসতে না দেওয়ার সিদ্ধান্ত ডিএনসিসির

Update Time : 06:53:39 pm, Monday, 2 November 2026

রাজধানীর মিরপুর-১০ ও মিরপুর-১ এলাকার ফুটপাতে হকারদের আর বসতে দেওয়া হবে না। তবে উচ্ছেদ হওয়া হকারদের পুনর্বাসনে বিকল্প স্থান খুঁজছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। মিরপুর-১০, মিরপুর-১ ও উত্তরায় হকারদের জন্য বিকল্প জায়গার ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

সোমবার (২ নভেম্বর) দুপুরে ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান তাঁর সম্মেলনকক্ষে বাংলাদেশ হকার্স ইউনিয়নের ১০ সদস্যের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এসব কথা বলেন। সাক্ষাৎকালে হকার্স ইউনিয়নের প্রতিনিধিরা মিরপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় উচ্ছেদ হওয়া হকারদের পুনর্বাসনের দাবিতে প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দেন। ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, ‘হকাররা আমাদের অংশ।

তাদের জন্য নির্দিষ্ট স্থানে বিকল্প ব্যবস্থা খোঁজা হচ্ছে। দ্রুতই তাদের বসার জায়গা করে দেওয়া হবে। ’ হকারদের জন্য হলিডে মার্কেট চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। শফিকুল ইসলাম খান বলেন, বিকল্প স্থানে তিন থেকে পাঁচশ দোকান বসানোর ব্যবস্থা করা গেলে সেখানে ক্রেতারাও আসবেন এবং কেনাবেচা ভালো হবে। উচ্ছেদ হওয়া হকারদের জন্য হলিডে মার্কেটের ব্যবস্থা করার চেষ্টা চলছে।

ফুটপাত থেকে হকার উচ্ছেদের বিষয়ে তিনি বলেন, বাধ্য হয়েই অবৈধ স্থাপনা ও হকারদের উচ্ছেদ করা হয়েছে। কিছু সিন্ডিকেট ও হকারের দখলদারির কারণে সাধারণ মানুষের হাঁটার জায়গা ছিল না। ফুটপাত ছেড়ে সড়ক পর্যন্ত দখল করে রাখায় পথচারীরা ফুটপাত ব্যবহার করতে পারতেন না। উচ্ছেদ অভিযানের পর মানুষ বুঝতে পেরেছে, ফুটপাত তাদের চলাচলের জন্য। প্রশাসক স্পষ্ট করে বলেন, মিরপুর-১০ ও মিরপুর-১-এর ফুটপাতে আর হকারদের বসতে দেওয়া হবে না।

তবে আগে যারা হকারি করতেন, তাদের বিকল্প স্থানে বসানোর ব্যবস্থা করা হবে। সাক্ষাৎকালে প্রশাসক ও হকার প্রতিনিধি দলের সদস্যরা একমত হন, ৫ আগস্টের পর হকারদের কারণে সৃষ্ট সমস্যা আরও জটিল হয়েছে। বিকল্প স্থানে হকারদের নিজস্ব যানচালিত দোকান থাকবে; সেখানে কোনো চৌকি বসানো যাবে না বলেও জানান প্রশাসক। এ সময় উভয় পক্ষ পারস্পরিক আস্থা ও বিশ্বাস বজায় রেখে একে অপরকে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

সাক্ষাৎকালে গুলশান জোনের ডিসি মো. রুহুল কবির, গুলশান ও বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) পুলিশের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।