স্প্যাম পলিসি বা এ ধরনের নীতিমালা লঙ্ঘনের অভিযোগে ইউটিউব অনেক সময় চ্যানেল বন্ধ করে দেয়। আর যেহেতু এসব চ্যানেল এআইয়ের মাধ্যমে মনিটরিং করা হয়, তাই অনেক সময় কোনো ধরনের লঙ্ঘন না করেও চ্যানেল বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো পরিস্থিতির শিকার হতে হয়েছে অনেক ক্রিয়েটরকে।
এবার থেকে যোগ্য ইউটিউব চ্যানেলগুলো সরাসরি বন্ধ না করে ৩০ দিনের জন্য সংশোধনের সুযোগ দেওয়ার পরীক্ষামূলক উদ্যোগ নিয়েছে ইউটিউব। নতুন এই সুবিধার আওতায় নীতিমালা লঙ্ঘনকারী কনটেন্ট সরিয়ে বা সংশোধন করে চ্যানেল পুনরায় চালু করার সুযোগ পাবেন ক্রিয়েটররা। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, কোনো চ্যানেল এই সুবিধার আওতায় পড়লে সেটি তাৎক্ষণিকভাবে টার্মিনেট না করে ৩০ দিনের জন্য লক করে দেওয়া হবে।
এ সময় নতুন ভিডিও আপলোড, কমেন্টসহ চ্যানেলের কিছু কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। তবে চ্যানেল মালিকরা এই সময়ের মধ্যে ইউটিউবের নীতিমালা লঙ্ঘনকারী কনটেন্ট সংশোধন, সম্পাদনা কিংবা মুছে ফেলতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে ক্রিয়েটরদের সামনে তিনটি বিকল্প থাকবে। প্রথমত, নির্দিষ্ট ভিডিও সম্পাদনা বা মুছে ফেলা। দ্বিতীয়ত, চ্যানেলের সব ভিডিও সরিয়ে নতুনভাবে শুরু করা।
আর তৃতীয়ত, যদি মনে হয় ইউটিউবের সিদ্ধান্তটি ভুল, তাহলে আপিল করা। তবে নির্ধারিত ৩০ দিনের মধ্যে সমস্যার সমাধান করতে ব্যর্থ হলে চ্যানেলটি স্থায়ীভাবে টার্মিনেট হতে পারে। পাশাপাশি এই সুবিধাটি এখনো পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে। ফলে সব চ্যানেল বা ক্রিয়েটর এই সুযোগ পাবেন না। ইউটিউবের এই উদ্যোগকে ক্রিয়েটরদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
কারণ, স্প্যাম পলিসি লঙ্ঘনের অভিযোগে সরাসরি চ্যানেল হারানোর পরিবর্তে এখন যোগ্য ক্রিয়েটররা নিজেদের ভুল সংশোধনের জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় পাবেন। লেখক: তৌহিদুল ইসলাম হৃদয়, সাইবার সিকিউরিটি এক্সপার্ট।






















