মেয়ে অসুস্থ থাকায় দলীয় কর্মসূচিতে অংশ নিতে পারেননি মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মহিউদ্দিন ঝাড়ু। এই কারণে তাকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দল থেকে বহিষ্কার করেছে কেন্দ্রীয় যুবদল।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়নের সিদ্ধান্তে তাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগেও সতর্ক করার পর পুনরায় দলীয় কর্মসূচিতে অনুপস্থিত থেকে সংগঠনের শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগে মহিউদ্দিন ঝাড়ুকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
একই সঙ্গে যুবদলের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের তার সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বহিষ্কৃত ব্যক্তির কোনো অপকর্মের দায় দল নেবে না বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। এ বিষয়ে মহিউদ্দিন ঝাড়ু বলেন, মেয়ের অসুস্থতা ও পাশের বাড়ির এক নারীর মৃত্যুর কারণে বৃহস্পতিবার মৌলভীবাজারে জেলা যুবদলের কর্মসূচিতে যেতে পারি নাই।
তবে শ্রীমঙ্গল থেকে নেতাকর্মীদের পাঠানোর জন্য ছয়টি বাসের ব্যবস্থা করেছিলাম। নিজের অনুপস্থিতিকে ভুল স্বীকার করে তিনি বলেন, সংগঠন বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করবে বলে আশা করছি। শ্রীমঙ্গল উপজেলা যুবদলের সিনিয়ির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল মুহিত কদর বলেন, তার মেয়ে অসুস্থ ছিল এছাড়া তার পাশের বাড়ির একজন নারী মারা যাওয়ায় তিনি জেলার সভায় যেতে পারেননি।
তবে তিনি আমাদের বাস দিয়েছেন। আমরা শ্রীমঙ্গল থেকে ছয়টি বাস নিয়ে মৌলভীবাজারের অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছি। মৌলভীবাজারের কর্মসূচি সফল করার জন্য মহিউদ্দিন ঝাড়ু তাদের নিয়ে একাধিক বৈঠক করেছেন। পারিবারিক সমস্যার কারণে শেষ মুহূর্তে তিনি নিজে যেতে পারেননি। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে শ্রীমঙ্গলে বিএনপির রাজনীতি নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে গেছে।
ওই সময়ে উপজেলা যুবদলের নেতৃত্ব দিয়ে দলীয় কর্মসূচি পালন করেছেন মহিউদ্দিন ঝাড়ু। বিভিন্ন রাজনৈতিক মামলায় তাকে কারাবাসও করতে হয়েছে। প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও তিনি দলীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ছিলেন। এ বিষয়ে জানতে মৌলভীবাজার জেলা যুবদলের সভাপতি জাকির হোসেন উজ্জ্বলকে একাধিকবার মুঠোফোনে কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।






















