এইচএসসি ও সমমানে এক বা দুই বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীদের পুনরায় পরীক্ষা ডিসেম্বর মাসে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন তিনি। সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বলেন, ডিসেম্বর মাসে পরীক্ষা নিয়ে ডিসেম্বরেই ফল প্রকাশ করা হবে। এই পরীক্ষার বিস্তারিত বিষয়ে আগামী ৩ নভেম্বর বিজ্ঞপ্তি জারি করবে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। চলতি বছর দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৯ হাজার ৪৩৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেন।
১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী। ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, ঢাকা বোর্ডে পাসের হার ৬১ দশমিক ৮০, চট্টগ্রাম বোর্ডে ৫২ দশমিক ০৭, যশোর বোর্ডে ৪৪ দশমিক ৯২, বরিশাল বোর্ডে ৪৪ দশমিক ৮৪, সিলেট বোর্ডে ৫০ দশমিক ৯০, কুমিল্লা ৪৮ দশমিক ০৪, ময়মনসিংহ ৫১ দশমিক ৪৪, দিনাজপুর বোর্ডে ৪৫ দশমিক ৯৮, রাজশাহী বোর্ডে ৪৫ দশমিক ০৬ শতাংশ।
এ ছাড়া মাদ্রাসা বোর্ডে পাস করেছেন ৬১ দশমিক ০৭ শতাংশ। প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, দেশের ২৯৩টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। অর্থাৎ এসব প্রতিষ্ঠানের সব পরীক্ষার্থীই অকৃতকার্য হয়েছে। পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ফেল করেছেন ৫ লাখ ৯৪ হাজার ১১৩ জন পরীক্ষার্থী। শুধু ইংরেজি ও আইসিটি বিষয়ে ফেল করেছেন ৩ লাখ ৮২ হাজার ২১ জন।
ফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, তাদের মধ্যে ইংরেজি বিষয়ে ফেল করেছেন ২ লাখ ৪৩ হাজার ৫২৮ জন এবং আইসিটিতে ফেল করেছেন ১ লাখ ৩৮ হাজার ৪৯৩ জন। গত ২ জুলাই এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়। ৮ আগস্ট লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার কথা থাকলেও প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বন্যার কারণে চট্টগ্রামসহ কয়েকটি শিক্ষা বোর্ডের কিছু পরীক্ষা স্থগিত করে পরে তা নেওয়া হয়।
১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা সম্পন্ন হয়।






















