দেশের আট বিভাগের বিভিন্ন জেলায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে এবং কোথাও কোথাও বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাতও হতে পারে। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দুপুর থেকে শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকাল পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির এই প্রবণতা দেখা যেতে পারে।
আবহাওয়াবিদ, জলবায়ু গবেষক ও বিজ্ঞান লেখক মোস্তফা কামাল পলাশ শুক্রবার নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এ পূর্বাভাস জানিয়েছেন। পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, শুক্রবার দুপুর ১টা ৩০ মিনিটের পর থেকে শনিবার সকাল ৮টার মধ্যে দেশের বেশ কয়েকটি জেলায় বৃষ্টিপাতের উল্লেখযোগ্য সম্ভাবনা রয়েছে। খুলনা ও বরিশাল বিভাগ: খুলনা বিভাগের সব জেলায় মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হতে পারে।
বিশেষ করে বিভাগের দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলোতে বৃষ্টির পরিমাণ তুলনামূলক বেশি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। দুপুর ১টা ৩০ মিনিট থেকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বৃষ্টি হতে পারে। অন্যদিকে, বরিশাল বিভাগের সব জেলায় দুপুর ২টার পর থেকে সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। রাজশাহী বিভাগ: এ বিভাগের বিভিন্ন জেলায় বিচ্ছিন্নভাবে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত হতে পারে।
সম্ভাব্য সময় দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত। রংপুর বিভাগ: বিভাগের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে বৃষ্টির প্রবণতা বেশি থাকতে পারে। বিশেষ করে পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর ও নীলফামারীতে তুলনামূলক বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে। ময়মনসিংহ বিভাগ: বিভাগের বিভিন্ন জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।
এ ক্ষেত্রে জামালপুর ও শেরপুর জেলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা তুলনামূলক বেশি। চট্টগ্রাম বিভাগ: বিভাগের উত্তরাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় হালকা বৃষ্টি হতে পারে। তবে চট্টগ্রাম জেলা ও পার্বত্য চট্টগ্রামের এলাকাগুলোতে বৃষ্টির সম্ভাবনা তুলনামূলক কম। সিলেট বিভাগ: সন্ধ্যার আগে এ বিভাগের জেলাগুলোতে বৃষ্টির আশঙ্কা কম। তবে রাতের দিকে সিলেট ও সুনামগঞ্জে সামান্য বৃষ্টিপাত হতে পারে।
ঢাকা বিভাগ: বিভাগের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এর মধ্যে রাজবাড়ী, ফরিদপুর, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, মানিকগঞ্জ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর, মুন্সিগঞ্জ ও ঢাকা উল্লেখযোগ্য। এসব এলাকায় দুপুর ২টা থেকে রাত ১০টার মধ্যে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হতে পারে। এদিকে, রাজধানী ঢাকায় শুক্রবার বিকেল ৪টার পর থেকে রাত ৮টার মধ্যে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলেও পূর্বাভাসে উল্লেখ করেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ।





















