ময়মনসিংহ নগরীতে যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে সাতজন নিহতের ঘটনায় বাসচালক ইকবাল হোসেনকে (৪৭) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আদালতের নির্দেশে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে ময়মনসিংহের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে বিচারক শাহাদাত হোসাইন তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। আগামী ১২ নভেম্বর পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে। ওই দিন তাঁর জবানবন্দি নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কোতোয়ালি মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রিপন চন্দ্র সরকার।
গ্রেপ্তার ইকবাল হোসেন গাজীপুর সদর উপজেলার পালেরপাড়া গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে। পুলিশ জানায়, গত বুধবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে গাজীপুরের বাসন থানা এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শিবিরুল ইসলাম বলেন, মামলার পর থেকেই বাসচালক ইকবালকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছিল। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গত ২ অক্টোবর দুপুরে ময়মনসিংহ নগরীর রহমতপুর বাইপাস সড়কের দাপুনিয়া হাড়গুজির পাড় এলাকায় রাজিব পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে সাতজন নিহত হন। ওই দিন সন্ধ্যায় জামালপুর সদর উপজেলার দড়িহামিদপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. মোবারক আলী বাসচালককে আসামি করে কোতোয়ালি মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দেন।
রাত ১২টার পর অভিযোগটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত হয়। ওই দুর্ঘটনায় মোবারক আলী তাঁর মা, ভাই, ভাতিজি ও নাতিকে হারিয়েছেন। নিহত ব্যক্তিরা হলেন জামালপুর সদর উপজেলার দড়িহামিদপুর গ্রামের রাশিদা বেগম (৭০), তাঁর ছেলে মোফাজ্জল হোসেন (৫০), মোফাজ্জলের মেয়ে মর্জিনা আক্তার (২৫) ও মর্জিনার ছেলে মিনান (৫)। অন্য তিনজন হলেন একই জেলার বীর গোবিন্দপুর গ্রামের অটোরিকশাচালক সুজন আলী (৪৪) এবং বাদেচান্দি গ্রামের আকরাম আলী (৫১) ও তাঁর স্ত্রী মমতা বেগম (৩৯)।






















