যে তরুণেরা পুরোনো রাজনৈতিক বন্দোবস্ত ভাঙতে রাজপথে নেমেছিলেন, তাদেরই গড়া রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নতুন কমিটি ঘিরে উঠেছে নানা অভিযোগ। বলা হচ্ছে, নেতৃত্ব কুক্ষিগত, ভিন্নমতকে কোণঠাসা ও ক্ষমতার সমীকরণে আদর্শ বিসর্জন দেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি ১৯৫ সদস্যের নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণার পর জ্যেষ্ঠ নেতাদের পদাবনতি, নারী নেতৃত্বের ক্ষমতা কমে যাওয়া, দলত্যাগ এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে বিতর্ক দলটির অভ্যন্তরীণ সংকটকে প্রকাশ্যে এনেছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সহযোদ্ধাদের একাংশের সমালোচনাও বাড়াচ্ছে অস্বস্তি। কেউ কেউ বলছেন, এনসিপিতে ফের ভাঙনের সুর বাজতে শুরু করেছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক মহলে প্রশ্ন উঠেছে, এনসিপি কি নতুন রাজনৈতিক ধারার স্বতন্ত্র শক্তি হিসেবে দাঁড়াতে পারছে, নাকি নির্বাচনি সমীকরণে ক্রমেই অন্য একটি রাজনৈতিক শক্তির ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে? দলটির নেতৃত্ব বলছে, সাংগঠনিক বিস্তার ও নির্বাচনি বাস্তবতার প্রয়োজনে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কিন্তু সমালোচকদের অভিযোগ, কমিটি পুনর্গঠনের নামে নেতৃত্বের ক্ষমতার ভারসাম্য বদলে দেওয়া হয়েছে।
নারী নেতাদের পদাবনতি এবং রাজনৈতিক কাউন্সিল থেকে তাদের কাউকে কাউকে বাদ দেওয়ার ঘটনা এই বিতর্ককে আরও তীব্র করেছে। প্রসঙ্গত, এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের আগেও দলটিতে অন্তর্বিরোধ তুঙ্গে উঠেছিল। সে সময় জামায়াতের সঙ্গে জোটবদ্ধ হওয়ার কারণে গণঅভ্যুত্থানের অনেক নেতা আদর্শিক কারণ দেখিয়ে সরে যান দল থেকে। গত ২৩ অক্টোবর এনসিপির ১৯৫ সদস্যের নতুন কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণার পর থেকেই দলটির সাংগঠনিক কাঠামো ও নেতৃত্বের সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্ক শুরু।
সমালোচকদের প্রশ্ন, জাতীয় কাউন্সিলের মাধ্যমে নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক কাঠামো পুনর্গঠনের সুযোগ না নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কমিটি ঘোষণার মধ্য দিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রক্রিয়া কেন অনুসরণ করা হলো? নতুন কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে নাহিদ ইসলাম ও সদস্য সচিব হিসেবে আখতার হোসেন দায়িত্বে থাকলেও কয়েকজন পরিচিত নেতার পদ ও দায়িত্বে পরিবর্তন এসেছে।
সমালোচকদের দাবি, এতে জুলাই আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা নেতাদের সাংগঠনিক অবস্থান দুর্বল করা হয়েছে। কমিটির পদবিন্যাস শুধু দায়িত্ব পুনর্বণ্টনের ঘটনা নয়; এর মধ্য দিয়ে দলের ভেতরে ক্ষমতার নতুন বিন্যাসও তৈরি হয়েছে। তবে সমালোচনার দৃষ্টিতে কেউ কেউ এটাও বলছেন যে, পদ পরিবর্তন হলেই কাউকে পরিকল্পিতভাবে কোণঠাসা করা হয়েছে, এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায় না।
কমিটি গঠনের মানদণ্ড, সংশ্লিষ্ট নেতাদের সঙ্গে পরামর্শ এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া সম্পর্কে নেতৃত্বের পূর্ণাঙ্গ ব্যাখ্যা প্রয়োজন। নতুন কমিটি ঘোষণার পর যারা অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন, তাদের অভিযোগের পাশাপাশি নেতৃত্বের বক্তব্যও সমান গুরুত্বে বিবেচনা করা জরুরি। এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও সংসদ সদস্য ড. আতিক মুজাহিদ দলত্যাগ ও নিষ্ক্রিয়তার বিষয়ে বলেছেন, ব্যক্তিগত সমস্যা ও বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কারণে কয়েকজন সহযোদ্ধা দল থেকে দূরে সরে গেছেন।
তবে তাদের প্রতি দলের ভালোবাসা আগের মতোই রয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, দলত্যাগ বা নিষ্ক্রিয়তা একেকজনের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। সামান্থা শারমিনের পদ পরিবর্তনের বিষয়ে আতিক মুজাহিদের ব্যাখ্যা, অসুস্থ স্বামীকে সময় দিতে গিয়ে তিনি দীর্ঘদিন কিছুটা নিষ্ক্রিয় ছিলেন। তবে তার বিষয়ে দল ইতিবাচক এবং ভবিষ্যতে তিনি আবারও সক্রিয় ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় ফিরবেন বলে নেতৃত্ব আশা করে।
ড. আতিক মুজাহিদের কথার সূত্র ধরে বিশ্লেষকরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাদের মতে, নেতৃত্বের এই ব্যাখ্যা বিতর্কের সব প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছে না। নিষ্ক্রিয়তার কারণে পদ পরিবর্তন হয়ে থাকলে একই মানদণ্ড অন্য নেতাদের ক্ষেত্রেও প্রয়োগ করা হয়েছে কি না, আর রাজনৈতিক কাউন্সিল থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত কীভাবে নেওয়া হয়েছে, এসব বিষয় স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন।
মূলত এনসিপির নতুন কমিটি নিয়ে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে সম্পর্ক। সমালোচকদের একাংশের অভিযোগ, নির্বাচনি সমঝোতার নামে এনসিপি নিজের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বাধীনতা হারানোর ঝুঁকিতে পড়েছে। প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী ও গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খাঁন বলেছেন, জামায়াতের অনুমোদন বা পছন্দ-অপছন্দের ভিত্তিতেই এনসিপির নতুন কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ পদ বণ্টন করা হয়েছে।
তার দাবি, যারা স্বতন্ত্র রাজনীতির পক্ষে কিংবা জামায়াতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার বিরোধী, তাদের কাউকে কাউকে কম গুরুত্বপূর্ণ পদে রাখা হয়েছে বা পদাবনতি দেওয়া হয়েছে। রাশেদ খাঁনের ভাষ্য, নতুন কমিটির বিন্যাস দেখে তার মনে হয়েছে, আসন ও নির্বাচনি ব্যয়ের সমঝোতার বিনিময়ে এনসিপি জামায়াতের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে। তিনি দলটিকে ‘প্রক্সি জামায়াত’ বা জামায়াতের যুব শাখার সঙ্গে তুলনা করে সমালোচনা করেছেন।
এনসিপির নেতৃত্বের ঘনিষ্ঠ সূত্রের ভাষ্য, এগুলো রাশেদ খাঁনের রাজনৈতিক বক্তব্য। সত্য হচ্ছে যে, আওয়ামী লীগ-পরবর্তী রাজনৈতিক বাস্তবতায় দলকে দ্রুত তৃণমূল পর্যন্ত বিস্তৃত করার লক্ষ্যেই বড় কমিটি করা হয়েছে। জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতা কৌশলগত নির্বাচনি সিদ্ধান্ত, আদর্শিক আত্মসমর্পণ নয়। এনসিপির এই বক্তব্য নিয়ে সন্তুষ্ট নন সমালোচকদের অনেকে।
তাদের মতে, নির্বাচনি সমঝোতা আর রাজনৈতিক নির্ভরশীলতা এক বিষয় নয়। একটি নতুন দল যদি নিজের অবস্থান, কর্মসূচি ও নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের স্বাধীনতা নিয়ে সমর্থকদের আস্থা ধরে রাখতে না পারে, তাহলে সমঝোতার রাজনৈতিক মূল্য নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে। এনসিপির অভ্যন্তরীণ বিতর্কে নারী নেতাদের অবস্থান বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। কারণ দলটি নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি, অন্তর্ভুক্তিমূলক নেতৃত্ব এবং বৈষম্যহীন রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আত্মপ্রকাশ করেছিল।
সেই দলের গুরুত্বপূর্ণ নারী নেতাদের পদ পরিবর্তন এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাঠামো থেকে কাউকে কাউকে বাদ দেওয়ার অভিযোগ নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছে। দলটির পরিচিত মুখ সামান্থা শারমিনকে আগের তুলনায় কম গুরুত্বপূর্ণ পদে রাখা হয়েছে বলে সমালোচনা উঠেছে। একইভাবে নাহিদা সারওয়ার নিভার পদ পরিবর্তন এবং রাজনৈতিক কাউন্সিল থেকে বাদ পড়ার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে।
সমালোচকদের প্রশ্ন, নেতৃত্বের পুনর্বিন্যাসে নারী নেতাদের ভূমিকা ও মতামত কতটা বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে? এ বিষয়ে এনসিপি নেতা আতিক মুজাহিদ বলেন, সামান্থা শারমিনের দায়িত্ব পরিবর্তনের পেছনে তার ব্যক্তিগত পরিস্থিতি ও দীর্ঘদিনের নিষ্ক্রিয়তা বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। কিন্তু আতিকের এই ব্যাখ্যার পরও প্রশ্ন থেকে যায়, দলের সাংগঠনিক মূল্যায়নের লিখিত মানদণ্ড কী, তা কি সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য এবং সংশ্লিষ্ট নেতাদের আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল কি না?
নারী নেতৃত্বের অসন্তোষ প্রশমনে ২৫ অক্টোবর ‘জাতীয় নারীশক্তি’র আংশিক কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। এতে ডা. মাহমুদা আলম মিতুকে আহ্বায়ক এবং নুসরাত তাবাসসুমকে সদস্যসচিব করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। তবে এই উদ্যোগ নারী নেতাদের অসন্তোষ দূর করতে পেরেছে বলে মনে করছেন না রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তাদের এটাও প্রশ্ন যে, শুধু কমিটিতে কতজন নারী রয়েছেন, তা নয়।
গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে তাদের কতটা প্রভাব রয়েছে, ভিন্নমত প্রকাশের সুযোগ কতটুকু এবং জামায়াতের সঙ্গে সম্পর্কের মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে তারা স্বাধীনভাবে মত দিতে পারছেন কি না— এসবই নারী নেতৃত্বের প্রকৃত অবস্থান নির্ধারণ করবে। তারা এটাও মনে করেন যে, এনসিপির রাজনৈতিক পরিচয়ের প্রধান ভিত্তি জুলাই গণঅভ্যুত্থান। আন্দোলনের সময় একসঙ্গে থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক মতভেদ তৈরি হওয়া অস্বাভাবিক নয়।
প্রশ্ন হলো, সেই মতভেদ কি গণতান্ত্রিক আলোচনা ও রাজনৈতিক সহযোগিতার মধ্য দিয়ে সামলানো হচ্ছে, নাকি দূরত্ব ক্রমেই বাড়ছে? বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক আব্দুল কাদের এনসিপির রাজনৈতিক অবস্থান, জামায়াতের সঙ্গে সম্পর্ক এবং নারী অধিকার প্রশ্নে দলটির ভূমিকার সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, শুধু জামায়াতের সঙ্গে সম্পর্কের নয়; বরং জুলাই আন্দোলনের ঘোষিত মূল্যবোধের সঙ্গে দলটির বর্তমান রাজনৈতিক আচরণের অসামঞ্জস্য আছে।
নারী অধিকার, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস এবং রাজনৈতিক সহনশীলতার মতো প্রশ্নে এনসিপি কী অবস্থান নিচ্ছে, তা স্পষ্ট করা দলটির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। মীর আরশাদুল হক, তাজনুভা জাবিন, খালেদ সাইফুল্লাহ, তাসনিম জারাসহ এনসিপি থেকে পদত্যাগকারী ও ভিন্নমতাবলম্বী নেতারা বলছেন, জামায়াতের সাথে জোট গঠনের মাধ্যমে এনসিপি তার মূল রাজনৈতিক সংস্কার ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে অবজ্ঞা করেছে।
এ ছাড়া দলের নীতি নির্ধারণে এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখা হয়নি এবং এটি সাধারণ জনগণের আকাঙ্ক্ষার চেয়ে ‘ক্ষমতার রাজনীতি’কে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছে। নেতাদের পদত্যাগ এবং দলে সম্ভাব্য ভাঙন বা বিভক্তি তৈরি হওয়া প্রসঙ্গে দলের প্রধান ও আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, একটি রাজনৈতিক দলে যেকোনো বড় সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে ভিন্নমত বা আপত্তি থাকা অত্যন্ত স্বাভাবিক বিষয়।
দলের কেন্দ্রীয় ও তৃণমূলের বড় অংশ এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত। যারা বর্তমানে সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করছেন বা দল থেকে পদত্যাগ করছেন, তাদের সঙ্গে পুনরায় আলোচনা করা হবে যেন তারা নিজেদের অবস্থান পুনর্বিবেচনা করে দলের সিদ্ধান্তকে মেনে নেন। নাহিদ আরও বলেন, জামায়াতের সাথে এই জোট কেবল একটি ‘নির্বাচনি সমঝোতা বা জোট’। ফলে এনসিপি তার নিজস্ব জুলাই বিপ্লবের চেতনা বা সংস্কারের এজেন্ডা থেকে বিন্দুমাত্র সরে আসেনি।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক অধ্যাপক সাইফুল আলম রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, এনসিপির জন্য বড় ঝুঁকি হলো, সাংগঠনিক বিরোধ সামলাতে গিয়ে দলটি নিজস্ব রাজনৈতিক কর্মসূচি ও নীতিগত অবস্থান সামনে রাখতে ব্যর্থ হতে পারে। নতুন রাজনীতির প্রত্যাশা নিয়ে যারা দলটির সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলেন, তারা যদি নেতৃত্বের সিদ্ধান্তে নিজেদের প্রতিনিধিত্ব দেখতে না পান, তাহলে সাংগঠনিক আস্থা দুর্বল হতে পারে।
এনসিপির সংকট থেকে উত্তরণের জন্য প্রথমত, নতুন কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া ও পদবিন্যাসের মানদণ্ড স্পষ্ট করা প্রয়োজন। দ্বিতীয়ত, জামায়াতের সঙ্গে নির্বাচনি সমঝোতার উদ্দেশ্য, সীমা ও শর্ত প্রকাশ্যে ব্যাখ্যা করতে হবে। তৃতীয়ত, নারী নেতাদের কার্যকর অংশগ্রহণ এবং জুলাই আন্দোলনের বৃহত্তর অংশের সঙ্গে রাজনৈতিক সংলাপের সুযোগ বাড়াতে হবে। একই সাথে দলত্যাগকারীদের অভিযোগের জবাব দেওয়া এবং সমালোচকদের বক্তব্য শোনাও নেতৃত্বের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
শুধু ব্যক্তিগত সীমাবদ্ধতা বা ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দিয়ে সব অসন্তোষের উত্তর দেওয়া সম্ভব নয়।





















