প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবে দেখলেও তদন্তপ্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক অন্যতম প্রধান সমন্বয়ক আব্দুল কাদের।
তার অভিযোগ, আমলাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্তের দায়িত্ব আবারও একই মন্ত্রণালয়ের আমলাদের হাতে দেওয়া হয়েছে। শনিবার (১০ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক পোস্টে আব্দুল কাদের বলেন, প্রশ্ন ফাঁসের কারণে নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করা সরকারের ইতিবাচক মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ। তবে অভিযোগের তদন্তের দায়িত্ব একই প্রশাসনিক কাঠামোর কর্মকর্তাদের হাতে থাকায় পুরো প্রক্রিয়ার নিরপেক্ষতা নিয়ে সংশয় রয়েছে তার।
পোস্টে তিনি লেখেন, ‘তবে দেখলাম, আবারও গতানুগতিক প্রক্রিয়ায় আমলাদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্তের দায়িত্বও একই মন্ত্রণালয়ের আমলাদেরকে দেওয়া হয়েছে! সব তারা তারাই। অভিযোগও তাদের বিরুদ্ধে, তদন্তও করবে তারা। ’ তদন্তের ফলাফল নিয়েও আশঙ্কা প্রকাশ করেন আব্দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘ফাঁসাবে হয়তো জজমিয়া নামে যুগ্মসচিবের কোনো এক গাড়িচালক কিংবা কেয়ারটেকারকে।
’ বিএনপি সরকারের প্রশ্ন ফাঁস বন্ধে প্রকৃত সদিচ্ছা থাকলে আগের আমলের তদন্তপ্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আনা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি। তার মতে, অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতে হলে তদন্ত পরিচালনার পদ্ধতিতেও পরিবর্তন আনতে হবে। আব্দুল কাদের আরও বলেন, ‘বেশি কিছু বলার নাই, এই ঘটনার মধ্য দিয়ে বর্তমান সরকারের লিটমাস টেস্ট হবে; প্রশ্ন ফাঁস রোধে তারা কতটা আন্তরিক।
আপাতত সেটার অপেক্ষায় আছি। ’ যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ এবং পরবর্তী তদন্তপ্রক্রিয়া নিয়ে তার এই বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার জন্ম দিতে পারে। তবে তদন্তের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের পরিচয়, তদন্তের পদ্ধতি এবং অভিযোগের সত্যতা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানা গেলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।

























