কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে উপজেলার ৩০টি মাদ্রাসার ২১৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। চারটি বিভাগে অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগিতায় বিজয়ীরা জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে।
জেলা পর্যায়ের বিজয়ীদের মধ্য থেকে একজনকে পুরস্কার হিসেবে পবিত্র উমরাহ পালনের সুযোগ দেওয়া হবে। শনিবার (১০ অক্টোবর) বিকেলে পাকুন্দিয়া পৌরশহরের এমদাদুল উলুম মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে এ প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আল্লামা আযহার আলী আনোয়ার শাহ (রহ.) ফাউন্ডেশনের পাকুন্দিয়া উপজেলা শাখা এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী–পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দিন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আল-জামিয়াতুল ইমদাদিয়া ও কিশোরগঞ্জের শহিদী মসজিদের মুতাওয়াল্লি মাওলানা শাব্বির আহমাদ রশিদ।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন ফাউন্ডেশনের পাকুন্দিয়া উপজেলা শাখার সভাপতি মুফতি ওমর ফারুক, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা রুকন উদ্দিন, এমদাদুল উলুম মাদ্রাসার মুহতামিম ও পাকুন্দিয়া মডেল মসজিদের খতিব মাওলানা সোলায়মান, হেফাজতে ইসলাম পাকুন্দিয়া উপজেলা শাখার সভাপতি মাওলানা রশিদ আহমদ জাহাঙ্গীর হুসাইনী, কটিয়াদী ফেকামারা ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আবুল কাশেম বিপ্লব, ফাউন্ডেশনের সাবিক তত্ত্বাবধানে থাকা মুফতি মাহমুদুল হাসান এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মুফতি শরীফুল ইসলাম।
আয়োজকেরা জানান, চারটি বিভাগে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতা থেকে প্রতিটি বিভাগে সাতজন করে মোট ২৮ জন প্রতিযোগী জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে। জেলা পর্যায়ে বিজয়ীরা পরবর্তী সময়ে বিভাগীয় ও জাতীয় পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে। এ ছাড়া জেলা পর্যায়ের বিজয়ীদের মধ্যে একজনকে পুরস্কার হিসেবে পবিত্র উমরাহ পালনের সুযোগ দেওয়া হবে।
দিনব্যাপী এ আয়োজনকে ঘিরে সকাল থেকেই উপজেলার বিভিন্ন মাদ্রাসার শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা এমদাদুল উলুম মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে সমবেত হন। প্রতিযোগিতা শেষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন অতিথিরা।






















