3:33 am, Saturday, 1 August 2026

অস্ট্রেলিয়ায় ঘুরে দাঁড়াতে চান শান্তরা

  • MIT ERP
  • Update Time : 02:31:54 am, Saturday, 1 August 2026
  • 3
Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

জিম্বাবুয়ের মাটিতে একমাত্র টেস্টে ইনিংস ও ৮৫ রানের চরম ভরাডুবির ক্ষত নিয়ে মাঠ ছেড়েছিল বাংলাদেশ। শক্তির বিচারে বিশ^ ক্রিকেটের তলানিতে থাকা প্রতিপক্ষের বিপক্ষে এমন ছন্নছাড়া ব্যাটিং লাইনআপ টাইগারদের সামর্থ্য নিয়েই ক্রিকেটপাড়ায় প্রশ্ন তুলে দিয়েছিল। তবে সেই অনুজ্জ্বল ও হতাশাজনক অতীত ঝেড়ে ফেলে এবার বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম পরাশক্তি অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ভিন্ন এক বাংলাদেশকে দেখার আশা প্রকাশ করছেন জাতীয় দলের ব্যাটিং কোচ মোহাম্মদ আশরাফুল। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর সুরেই সুর মিলিয়ে এই সাবেক অধিনায়ক জানিয়েছেন, সঠিক প্রস্তুতি এবং কন্ডিশনের সঙ্গে নিজেদের মানিয়ে নেওয়ার পর্যাপ্ত সুযোগই হতে পারে ক্যাঙ্গারুদের দেশে লাল-সবুজদের মূল অস্ত্র। আশরাফুলের মতে, জিম্বাবুয়ে সফরে দলের ভরাডুবির পেছনে বড় অনুঘটক ছিল প্রস্তুতির চরম ঘাটতি। সেখানে ম্যাচ শুরুর মাত্র দুই-তিনদিন আগে পৌঁছে মানিয়ে নেওয়ার কোনো সুযোগই পাননি শান্ত-মুশফিকরা। আবহাওয়া, উইকেট কিংবা পারিপার্শ্বিকতার সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর আগে মাঠে নামায় পুরো ব্যাটিং ইউনিট ব্যর্থ হয়। তবে অস্ট্রেলিয়া সফরের প্রস্তুতি পরিকল্পনা সম্পূর্ণ আলাদা। প্রথম টেস্টের অন্তত ১১-১২ দিন আগেই বাংলাদেশ দল পৌঁছে যাবে অস্ট্রেলিয়ায়। ডারউইনে মূল লড়াই শুরু হওয়ার আগে সেখানে একটি প্রস্তুতি ম্যাচসহ অন্তত সাত থেকে আটটি নিবিড় অনুশীলন সেশন করার সুযোগ পাবেন ক্রিকেটাররা। এই অতিরিক্ত সময় ও পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সুযোগটাই দুই দলের খেলার মানের মূল পার্থক্য গড়ে দেবে বলে মনে করেন আশরাফুল। ক্রিকেটের পরাশক্তি অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সফল হওয়া যে চরম চ্যালেঞ্জের, তা অজানা নয় অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তরও। তবু এই সফরকে ব্যর্থতার ক্ষত মুছে ফেলার এক বড় সুযোগ হিসেবে দেখছেন টাইগার ক্যাপ্টেন। শান্ত চান ক্রিকেট বিশ্বকে দেখাতে যে, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পারফরম্যান্সটি ছিল নিছকই একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা এবং অস্ট্রেলিয়ার মতো কঠিন কন্ডিশনেও বাংলাদেশ লড়াকু ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ক্রিকেট খেলতে সক্ষম। তাছাড়া অস্ট্রেলিয়ায় ইতিবাচক ফল আনা গেলে ভবিষ্যতে তাদের মাটিতে নিয়মিত দ্বিপক্ষীয় টেস্ট সিরিজ খেলার দ্বার উন্মুক্ত হতে পারে— এমন ভাবনাও অনুপ্রেরণা জোগাচ্ছে সফরকারীদের। আগামী ১৩ আগস্ট ডারউইনে অনুষ্ঠিত হবে সিরিজের প্রথম টেস্ট এবং দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টটি মাঠে গড়াবে ২২ আগস্ট থেকে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

অস্ট্রেলিয়ায় ঘুরে দাঁড়াতে চান শান্তরা

Update Time : 02:31:54 am, Saturday, 1 August 2026

জিম্বাবুয়ের মাটিতে একমাত্র টেস্টে ইনিংস ও ৮৫ রানের চরম ভরাডুবির ক্ষত নিয়ে মাঠ ছেড়েছিল বাংলাদেশ। শক্তির বিচারে বিশ^ ক্রিকেটের তলানিতে থাকা প্রতিপক্ষের বিপক্ষে এমন ছন্নছাড়া ব্যাটিং লাইনআপ টাইগারদের সামর্থ্য নিয়েই ক্রিকেটপাড়ায় প্রশ্ন তুলে দিয়েছিল। তবে সেই অনুজ্জ্বল ও হতাশাজনক অতীত ঝেড়ে ফেলে এবার বিশ্ব ক্রিকেটের অন্যতম পরাশক্তি অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ভিন্ন এক বাংলাদেশকে দেখার আশা প্রকাশ করছেন জাতীয় দলের ব্যাটিং কোচ মোহাম্মদ আশরাফুল। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর সুরেই সুর মিলিয়ে এই সাবেক অধিনায়ক জানিয়েছেন, সঠিক প্রস্তুতি এবং কন্ডিশনের সঙ্গে নিজেদের মানিয়ে নেওয়ার পর্যাপ্ত সুযোগই হতে পারে ক্যাঙ্গারুদের দেশে লাল-সবুজদের মূল অস্ত্র। আশরাফুলের মতে, জিম্বাবুয়ে সফরে দলের ভরাডুবির পেছনে বড় অনুঘটক ছিল প্রস্তুতির চরম ঘাটতি। সেখানে ম্যাচ শুরুর মাত্র দুই-তিনদিন আগে পৌঁছে মানিয়ে নেওয়ার কোনো সুযোগই পাননি শান্ত-মুশফিকরা। আবহাওয়া, উইকেট কিংবা পারিপার্শ্বিকতার সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর আগে মাঠে নামায় পুরো ব্যাটিং ইউনিট ব্যর্থ হয়। তবে অস্ট্রেলিয়া সফরের প্রস্তুতি পরিকল্পনা সম্পূর্ণ আলাদা। প্রথম টেস্টের অন্তত ১১-১২ দিন আগেই বাংলাদেশ দল পৌঁছে যাবে অস্ট্রেলিয়ায়। ডারউইনে মূল লড়াই শুরু হওয়ার আগে সেখানে একটি প্রস্তুতি ম্যাচসহ অন্তত সাত থেকে আটটি নিবিড় অনুশীলন সেশন করার সুযোগ পাবেন ক্রিকেটাররা। এই অতিরিক্ত সময় ও পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সুযোগটাই দুই দলের খেলার মানের মূল পার্থক্য গড়ে দেবে বলে মনে করেন আশরাফুল। ক্রিকেটের পরাশক্তি অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে সফল হওয়া যে চরম চ্যালেঞ্জের, তা অজানা নয় অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তরও। তবু এই সফরকে ব্যর্থতার ক্ষত মুছে ফেলার এক বড় সুযোগ হিসেবে দেখছেন টাইগার ক্যাপ্টেন। শান্ত চান ক্রিকেট বিশ্বকে দেখাতে যে, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে পারফরম্যান্সটি ছিল নিছকই একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা এবং অস্ট্রেলিয়ার মতো কঠিন কন্ডিশনেও বাংলাদেশ লড়াকু ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ক্রিকেট খেলতে সক্ষম। তাছাড়া অস্ট্রেলিয়ায় ইতিবাচক ফল আনা গেলে ভবিষ্যতে তাদের মাটিতে নিয়মিত দ্বিপক্ষীয় টেস্ট সিরিজ খেলার দ্বার উন্মুক্ত হতে পারে— এমন ভাবনাও অনুপ্রেরণা জোগাচ্ছে সফরকারীদের। আগামী ১৩ আগস্ট ডারউইনে অনুষ্ঠিত হবে সিরিজের প্রথম টেস্ট এবং দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টটি মাঠে গড়াবে ২২ আগস্ট থেকে।