ফ্রান্সে বিক্ষোভ-পরবর্তী লুটপাটে ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের সহায়তায় এগিয়ে এসেছেন প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির ব্যবসায়ী, সামাজিক সংগঠক ও সাংবাদিকেরা। ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানগুলো পরিদর্শন করে তারা আইনি সহায়তা, বীমার ক্ষতিপূরণ আদায়ে সহযোগিতা এবং জরুরি আর্থিক তহবিল গঠনের উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে লুটপাটে ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করেন এবং সংকট কাটিয়ে স্বাভাবিক ব্যবসায়িক কার্যক্রমে ফেরার ক্ষেত্রে পাশে থাকার আশ্বাস দেন। প্রতিনিধি দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে কয়েকটি উদ্যোগ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।
এর মধ্যে রয়েছে ক্ষতিপূরণ আদায়ে দক্ষ আইনজীবীর সহায়তা নেওয়া, বীমার দাবি যথাযথভাবে নিষ্পত্তিতে বিশেষজ্ঞদের সহযোগিতা নিশ্চিত করা, জরুরি আর্থিক তহবিল গঠন এবং ব্যবসায়ী, আইনজীবী ও বীমা বিশেষজ্ঞদের নিয়ে মতবিনিময় সভার আয়োজন। প্রতিনিধি দল জানায়, এ পর্যন্ত ১২টি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে পাঁচটি প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করা হয়েছে।
বাকি প্রতিষ্ঠানগুলোও পর্যায়ক্রমে পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় সহায়তার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। পরিদর্শনকারী দলে ছিলেন ফ্রান্স-বাংলাদেশ বিজনেস ফেডারেশনের সভাপতি সাত্তার আলী সুমন, বিডি মুভলসের চেয়ারম্যান মিয়া মাসুদ, বিসিএফের সভাপতি এমডি নূর, লেখক, গবেষক ও মানবাধিকারকর্মী আহমেদ সোহেল বাপ্পী, যুবদল নেতা মইনুল হক, নোয়াখালী অ্যাসোসিয়েশনের জহিরুল ইসলাম, বিসিএফের ইমরান, খন্দকার পিন্টু, হুমায়ুন কবির ও ফাহিম হোসেন।
সংবাদকর্মীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ফেরদৌস করিম আখঞ্জী, লুৎফুর রহমান বাবু, বাদল পাল, আশিক আহমেদ উল্লাস, মামুন মাহিন ও মাহমুদা মাহি। প্রতিনিধি দল ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ও তাঁদের পরিচিতজনদের এ বিষয়ে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়েছে। আইনি, বীমা কিংবা আর্থিক সহায়তার প্রয়োজন হলে ফ্রান্স-বাংলাদেশ বিজনেস ফেডারেশনের সভাপতি সাত্তার আলী সুমন, বিডি মুভলসের চেয়ারম্যান মিয়া মাসুদ অথবা ইউনাইটেড বিজনেস কমিউনিটির সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।





















