চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলমের গতকাল রাতে ভালো ঘুম হয়েছে। গত কয়েকদিন ধরে তিনি প্রচণ্ড মানসিক চাপে ছিলেন। বর্তমানে তিনি আগের তুলনায় কিছুটা ভালো বোধ করছেন।
শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকালে এ তথ্য জানান চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. আব্দুস সাত্তার। তিনি জানান, মঙ্গলবার রাতে উপাচার্যের রক্তচাপ কিছুটা বেশি ছিল। তবে বুধবার সকালে তা অনেকটাই স্বাভাবিক পর্যায়ে এসেছে। অধ্যাপক ডা. আব্দুস সাত্তার আরও বলেন, উপাচার্যের বুকে অস্বস্তির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে হৃদ্যন্ত্রের সমস্যা আছে কি না, তা দেখতে ট্রোপোনিন-আই পরীক্ষা ও ধারাবাহিক ইসিজি করা হয়েছে।
এসব পরীক্ষায় আশঙ্কাজনক কোনো পরিবর্তন পাওয়া যায়নি। প্রাথমিক পরীক্ষার রিপোর্ট স্বাভাবিক এসেছে। আজ কার্ডিওলজি বিভাগের চিকিৎসকরাও তাঁকে দেখবেন। আরও কিছু পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়ার পর বিস্তারিত বলা যাবে। উপাচার্যকে কখন হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হতে পারে, জানতে চাইলে তিনি বলেন, তাঁর শারীরিক ও মানসিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
কার্ডিওলজি বিভাগের চিকিৎসকের মতামত এবং বাকি পরীক্ষার রিপোর্ট পাওয়ার পর পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সব রিপোর্ট পর্যালোচনা করে নিশ্চিত হওয়ার পরই তিনি বিপদমুক্ত কি না, সে বিষয়ে বলা যাবে। প্রায় ৩০ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের সহযোগিতায় চুয়েট ক্যাম্পাসে অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে মুক্তি পান উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ শরীফুল আলম।
অবরুদ্ধ অবস্থায় অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে চমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের ২৯ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন।






















