এমপিওভুক্ত স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ করাসহ ১০ দফা দাবি তুলে ধরেছে এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোট। গতকাল শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে এ দাবি তুলে ধরেন জোটের সদস্যসচিব অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজী। তিনি বলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ আজকে বাংলাদেশে শুধু শিক্ষকদের দাবি না, এটাও অভিভাবকদের দাবি। এটা সাধারণ জনগণের দাবি। কারণ এই জাতীয়করণ যদি সফল হয়, শুধু শিক্ষকরা যে উপকৃত হবে, এমন না। বরং প্রত্যেকটা অভিভাবক তার সন্তানকে নামমাত্র ২০ থেকে ৩০ টাকা মাসিক বেতন দিয়ে তারা তার সন্তানকে পড়াতে পারবে। অধ্যক্ষ আজিজী বলেন, আপনারা জানেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া, বাংলাদেশে বারবার যিনি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন; তিনি একটি প্রোগ্রামের সকল ইলেকট্রনিক এবং প্রিন্ট মিডিয়ার সামনে বলেছিলেন যে, বিএনপি সরকার যদি রাষ্ট্রক্ষমতায় কোনো দিন আসে, আমরা এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ করব। কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি, এই সরকার এখন পর্যন্ত জাতীয়করণের ব্যাপারে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি। বেগম খালেদা জিয়ার যে স্বপ্ন ছিল, যে প্রতিশ্রুতি ছিল, এই প্রতিশ্রুতির অবিলম্বে বাস্তবায়নের জন্য সরকারের কাছ থেকে পদক্ষেপ দেখার অপেক্ষায় আছি আমরা। এনটিআরসিএর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগের প্রক্রিয়া চললেও তা নিয়ে ষড়যন্ত্র চলছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, আমরা আজকের এই প্রোগ্রাম থেকে স্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা দিতে চাই। যদি প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও সহকারী প্রধানের নিয়োগ কমিটির হাতে ফিরিয়ে দেওয়ার কোনো রকমের ষড়যন্ত্র হয়; পরের দিন থেকে সারা বাংলাদেশে জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের নেতৃত্বে ছয় লক্ষাধিক শিক্ষক-কর্মচারী শহিদ মিনারের আন্দোলনের মতো দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলবে ইনশাল্লাহ। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশার। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, একটি দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও শিল্পায়নের প্রধান চালিকাশক্তি হলো কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা। দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টি ছাড়া কোনো দেশ উন্নত রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারে না। অথচ সম্ভাবনাময় এই খাতটি দীর্ঘদিন ধরে চরম অবহেলা, বৈষম্য এবং সুশাসনের অভাবে জর্জরিত।
5:13 am, Sunday, 2 August 2026
শিরোনাম :

















