7:34 am, Monday, 3 August 2026

ঈশ্বরদীতে ২৩ প্রাথমিক স্কুলের সব শিক্ষককে শোকজ

  • MIT ERP
  • Update Time : 04:11:45 am, Sunday, 2 August 2026
  • 5
Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

মৌলিক সাক্ষরতা ও সংখ্যা জ্ঞান (এফএলএন) কর্মসূচির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থতা এবং একাডেমিক তদারকিতে অবহেলার অভিযোগে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার ২৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সব শিক্ষককে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের কাক্সিক্ষত শিখন-অর্জন নিশ্চিত করতে দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হওয়ায় সম্প্রতি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে। শোকজপ্রাপ্ত বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে রয়েছে ফতেমোহাম্মদপুর, ইস্তা, মশুরিয়াপাড়া গোলাম হোসেন, মধ্য অরণকোলা, নিকরহাটা, দাশুড়িয়া, সরাইকান্দি, জোবেদা খাতুন সাবান আলী, আথাইল শিমুল, আটঘরিয়া, চরসাহাপুর, তিলকপুর, চরকুড়ুলিয়া, বাঁশেরবাদা, সুতানদ, ছলিমপুর, চরছলিমপুর, কদিমপাড়া, নতুন রূপপুর, জগন্নাথপুর, জয়নগর এবং চররূপপুর নওদাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বাংলা রিডিং, চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের গণিতের মৌলিক চার প্রক্রিয়া এবং পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সাবলীল ইংরেজি রিডিং নিশ্চিত করতে প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ ১৮০ দিনের বিশেষ কর্মপরিকল্পনা হাতে নেয়। কিন্তু নির্ধারিত সময় শেষে উপজেলার ১০০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ২৩টি বিদ্যালয় কাক্সিক্ষত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ হয়। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার স্বাক্ষরিত নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ৩০ জুন পর্যন্ত এফএলএন কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনায় দেখা গেছে, এসব বিদ্যালয়ে অর্জনের হার ৫০ শতাংশেরও নিচে রয়েছে। শিক্ষকদের দায়িত্বহীনতা ও অবজ্ঞার কারণেই কাক্সিক্ষত ফল আসেনি বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হলে বিধি মোতাবেক তাদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিষয়টি নিশ্চিত করে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোসা. শাহীনা আক্তার জানান, গত ২৬ জুলাই সংশ্লিষ্ট ২৩টি বিদ্যালয়ের সব শিক্ষকের কাছে এই শোকজ নোটিশ পাঠানো হয়েছে। আজকের (রোববার) মধ্যে তাদের লিখিত জবাব দাখিল করতে বলা হয়েছে। জবাব সন্তোষজনক না হলে বিধি অনুযায়ী পরবর্তী প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

ঈশ্বরদীতে ২৩ প্রাথমিক স্কুলের সব শিক্ষককে শোকজ

Update Time : 04:11:45 am, Sunday, 2 August 2026

মৌলিক সাক্ষরতা ও সংখ্যা জ্ঞান (এফএলএন) কর্মসূচির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থতা এবং একাডেমিক তদারকিতে অবহেলার অভিযোগে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার ২৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সব শিক্ষককে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের কাক্সিক্ষত শিখন-অর্জন নিশ্চিত করতে দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হওয়ায় সম্প্রতি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছে। শোকজপ্রাপ্ত বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে রয়েছে ফতেমোহাম্মদপুর, ইস্তা, মশুরিয়াপাড়া গোলাম হোসেন, মধ্য অরণকোলা, নিকরহাটা, দাশুড়িয়া, সরাইকান্দি, জোবেদা খাতুন সাবান আলী, আথাইল শিমুল, আটঘরিয়া, চরসাহাপুর, তিলকপুর, চরকুড়ুলিয়া, বাঁশেরবাদা, সুতানদ, ছলিমপুর, চরছলিমপুর, কদিমপাড়া, নতুন রূপপুর, জগন্নাথপুর, জয়নগর এবং চররূপপুর নওদাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। উপজেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বাংলা রিডিং, চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের গণিতের মৌলিক চার প্রক্রিয়া এবং পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সাবলীল ইংরেজি রিডিং নিশ্চিত করতে প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ ১৮০ দিনের বিশেষ কর্মপরিকল্পনা হাতে নেয়। কিন্তু নির্ধারিত সময় শেষে উপজেলার ১০০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ২৩টি বিদ্যালয় কাক্সিক্ষত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যর্থ হয়। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার স্বাক্ষরিত নোটিশে উল্লেখ করা হয়, ৩০ জুন পর্যন্ত এফএলএন কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনায় দেখা গেছে, এসব বিদ্যালয়ে অর্জনের হার ৫০ শতাংশেরও নিচে রয়েছে। শিক্ষকদের দায়িত্বহীনতা ও অবজ্ঞার কারণেই কাক্সিক্ষত ফল আসেনি বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হলে বিধি মোতাবেক তাদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিষয়টি নিশ্চিত করে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোসা. শাহীনা আক্তার জানান, গত ২৬ জুলাই সংশ্লিষ্ট ২৩টি বিদ্যালয়ের সব শিক্ষকের কাছে এই শোকজ নোটিশ পাঠানো হয়েছে। আজকের (রোববার) মধ্যে তাদের লিখিত জবাব দাখিল করতে বলা হয়েছে। জবাব সন্তোষজনক না হলে বিধি অনুযায়ী পরবর্তী প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।