1:44 pm, Thursday, 30 July 2026

উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রতিপক্ষের গুলিতে আরসা সদস্য নিহত

  • MIT ERP
  • Update Time : 11:20:50 am, Thursday, 30 July 2026
  • 6
Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রতিপক্ষের গুলিতে মোহাম্মদ জুবায়ের নামে এক রোহিঙ্গা নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাত সাড়ে ৩টার দিকে ৮ নম্বর পশ্চিম রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ২৯ নম্বর ব্লকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত জুবায়ের ওই ব্লকের বাসিন্দা ছিলেন। আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) জানিয়েছে, নিহত জুবায়ের আরাকান রোহিঙ্গা সালভেশন আর্মি (আরসা)-এর চিহ্নিত সদস্য ছিলেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, প্রতিদ্বন্দ্বী সশস্ত্র সংগঠন রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশন (আরএসও)-এর সদস্যরা এ হামলার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে এপিবিএন জানায়, গভীর রাতে জুবায়ের তার আশ্রয়কেন্দ্র থেকে বের হয়ে মসজিদের দিকে যাচ্ছিলেন। পথে কয়েকজন সশস্ত্র ব্যক্তি তার গতিরোধ করে তাকে লক্ষ্য করে অন্তত পাঁচ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। হামলার পর দুর্বৃত্তরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় জুবায়েরকে উদ্ধার করে পার্শ্ববর্তী এমএসএফ হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছিল। তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তিনি মারা যান। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ১৪ এপিবিএনের অধিনায়ক মোহাম্মদ সিরাজ আমিন বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে আরসা ও আরএসওর মধ্যে অভ্যন্তরীণ বিরোধ চলছিল। এরই জেরে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়ে থাকতে পারে। এছাড়া গভীর রাতে জুবায়েরের মসজিদে যাওয়ার বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে এপিবিএনের একাধিক টিম কাজ করছে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

উখিয়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রতিপক্ষের গুলিতে আরসা সদস্য নিহত

Update Time : 11:20:50 am, Thursday, 30 July 2026

কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রতিপক্ষের গুলিতে মোহাম্মদ জুবায়ের নামে এক রোহিঙ্গা নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাত সাড়ে ৩টার দিকে ৮ নম্বর পশ্চিম রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ২৯ নম্বর ব্লকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত জুবায়ের ওই ব্লকের বাসিন্দা ছিলেন। আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) জানিয়েছে, নিহত জুবায়ের আরাকান রোহিঙ্গা সালভেশন আর্মি (আরসা)-এর চিহ্নিত সদস্য ছিলেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, প্রতিদ্বন্দ্বী সশস্ত্র সংগঠন রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশন (আরএসও)-এর সদস্যরা এ হামলার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে এপিবিএন জানায়, গভীর রাতে জুবায়ের তার আশ্রয়কেন্দ্র থেকে বের হয়ে মসজিদের দিকে যাচ্ছিলেন। পথে কয়েকজন সশস্ত্র ব্যক্তি তার গতিরোধ করে তাকে লক্ষ্য করে অন্তত পাঁচ রাউন্ড গুলি ছোড়ে। হামলার পর দুর্বৃত্তরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় জুবায়েরকে উদ্ধার করে পার্শ্ববর্তী এমএসএফ হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছিল। তবে হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তিনি মারা যান। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ১৪ এপিবিএনের অধিনায়ক মোহাম্মদ সিরাজ আমিন বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে আরসা ও আরএসওর মধ্যে অভ্যন্তরীণ বিরোধ চলছিল। এরই জেরে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়ে থাকতে পারে। এছাড়া গভীর রাতে জুবায়েরের মসজিদে যাওয়ার বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি আরও জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে এপিবিএনের একাধিক টিম কাজ করছে।