11:03 pm, Wednesday, 29 July 2026

শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন গ্রেপ্তার

  • MIT ERP
  • Update Time : 10:26:00 pm, Wednesday, 29 July 2026
  • 5
Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

চট্টগ্রামের আলোচিত শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমনসহ পাঁচজনকে যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলা থেকে গ্রেপ্তার করেছে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ। বুধবার (২৯ জুলাই) পরিচালিত এক বিশেষ অভিযানে তাদের আটক করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মাসুদ আলম। পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারের পর তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রামে চাঁদাবাজি, অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার এবং বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ডেভিড ইমন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারিতে ছিলেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি ডেভিড ইমনের দুই সহযোগী গ্রেপ্তারের পর প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে তার অবস্থান শনাক্ত করা হয়। এরপর গোয়েন্দা তথ্যের সহায়তায় যশোরের ঝিকরগাছায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে গত রোববার রাতে চট্টগ্রাম নগরের অক্সিজেন-কুয়াইশ সড়কের ওয়াজেদিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডেভিড ইমনের দুই সহযোগী মো. আসিফ (২৫) ও সাইদুল ইসলাম ওরফে আরিফকে (২৪) গ্রেপ্তার করে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি)। আসিফ একটি মামলার পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি ছিলেন। সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মুহাম্মদ ফয়সাল আহম্মেদ জানান, আসিফকে গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল এবং ম্যাগাজিনে থাকা দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। একই অভিযানে আরিফের কাছ থেকেও দুই রাউন্ড গুলি জব্দ করা হয়। পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার দুই ব্যক্তি নিজেদের ডেভিড ইমনের সহযোগী হিসেবে পরিচয় দেন। তারা দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ অস্ত্র ব্যবহার করে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার কথাও স্বীকার করেছেন বলে জানায় পুলিশ। তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, দুই সহযোগীর দেওয়া তথ্য এবং গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে ডেভিড ইমনের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়। পরে বুধবারের অভিযানে তাকে এবং তার সঙ্গে থাকা আরও চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ বলছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে তাদের সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক, অবৈধ অস্ত্রের উৎস, সহযোগীদের পরিচয় এবং চট্টগ্রামে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধে সম্পৃক্ততার বিষয়ে আরও তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন গ্রেপ্তার

শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন গ্রেপ্তার

Update Time : 10:26:00 pm, Wednesday, 29 July 2026

চট্টগ্রামের আলোচিত শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমনসহ পাঁচজনকে যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলা থেকে গ্রেপ্তার করেছে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ। বুধবার (২৯ জুলাই) পরিচালিত এক বিশেষ অভিযানে তাদের আটক করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মাসুদ আলম। পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারের পর তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রামে চাঁদাবাজি, অবৈধ অস্ত্রের ব্যবহার এবং বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে ডেভিড ইমন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারিতে ছিলেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি ডেভিড ইমনের দুই সহযোগী গ্রেপ্তারের পর প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে তার অবস্থান শনাক্ত করা হয়। এরপর গোয়েন্দা তথ্যের সহায়তায় যশোরের ঝিকরগাছায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে গত রোববার রাতে চট্টগ্রাম নগরের অক্সিজেন-কুয়াইশ সড়কের ওয়াজেদিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডেভিড ইমনের দুই সহযোগী মো. আসিফ (২৫) ও সাইদুল ইসলাম ওরফে আরিফকে (২৪) গ্রেপ্তার করে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি)। আসিফ একটি মামলার পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি ছিলেন। সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মুহাম্মদ ফয়সাল আহম্মেদ জানান, আসিফকে গ্রেপ্তারের সময় তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল এবং ম্যাগাজিনে থাকা দুই রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। একই অভিযানে আরিফের কাছ থেকেও দুই রাউন্ড গুলি জব্দ করা হয়। পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার দুই ব্যক্তি নিজেদের ডেভিড ইমনের সহযোগী হিসেবে পরিচয় দেন। তারা দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ অস্ত্র ব্যবহার করে চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার কথাও স্বীকার করেছেন বলে জানায় পুলিশ। তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, দুই সহযোগীর দেওয়া তথ্য এবং গোয়েন্দা নজরদারির ভিত্তিতে ডেভিড ইমনের অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়। পরে বুধবারের অভিযানে তাকে এবং তার সঙ্গে থাকা আরও চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ বলছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে তাদের সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক, অবৈধ অস্ত্রের উৎস, সহযোগীদের পরিচয় এবং চট্টগ্রামে সংঘটিত বিভিন্ন অপরাধে সম্পৃক্ততার বিষয়ে আরও তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।