আজ শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬
৭ কার্তিক, ১৪৩৩ | ১১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮
ঢাকা
পরিষ্কার আকাশ
২৬°C
সর্বোচ্চ: ৩৪°C
সর্বনিম্ন: ২৫°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ৩৯%

মাগুরায় যুবদল নেতা সাকের হোসেন হত্যা মামলায় ঢাকা মহানগরের নেতাসহ দুজন গ্রেপ্তার

  • MIT ERP
  • Update Time : 03:13:52 am, Friday, 23 October 2026
  • 16

মাগুরায় যুবদল নেতা সাকের হোসেন হত্যা মামলায় ঢাকা মহানগরের নেতাসহ দুজন গ্রেপ্তার

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

মাগুরায় বাস টার্মিনালে রয়েল কাউন্টারে ঢুকে যুবদল নেতা সাকের হোসেনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় দুজনকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বৃহস্পতিবার তাদের আদালতে পাঠানো হয় এবং গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

পরে তাদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেপ্তার দুজন হলেন– রনি শিকদার ও শামীমা ইয়াসমিন। রনি শিকদার মাগুরা পৌরসভার তাঁতীপাড়া এলাকার বিরেন্দ্রনাথ শিকদারের ছেলে ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এবং শামীমা তাবাসসুম মাগুরা সদর উপজেলার চাউলিয়া ইউনিয়নের বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের গোয়ালবাড়ি পাড়ার মৃত লুৎফর রহমানের মেয়ে।

মাগুরা পৌর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নিহত সাকের হোসেন শহরের পারনান্দুয়ালী গ্রামের মৃত কুতুবুদ্দিনের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বাস টার্মিনালে রয়েল এক্সপ্রেসের কাউন্টার মাস্টার হিসেবেও কর্মরত ছিলেন। গত বুধবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে বাস টার্মিনালে রয়েল এক্সপ্রেসের কাউন্টারের ভেতরে গুলিবিদ্ধ হন তিনি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনার দিন ভোরে সাইলেন্সর পাইপ খোলা একটি মোটরসাইকেলে দুই ব্যক্তি কাউন্টারে আসেন। মোটরসাইকেল চালু রেখেই তাদের একজন ভেতরে ঢুকে সাকেরের মাথায় গুলি করেন। এরপর তারা দ্রুত মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যায়।

পরে স্থানীয়রা সাকেরকে উদ্ধার করে মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নেওয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় বুধবার রাতে সাকেরের স্ত্রী শারমিন নাহার মাগুরা সদর থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে রনি শিকদার ও শামীমা ইয়াসমিনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

এদিকে, হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার দুপুরে শহরে বিক্ষোভ মিছিল করেন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। পরে মধুমিতা সিনেমা হলের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ থেকে হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হয়।

গ্রেপ্তারের বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. কামরুজ্জামান মুঠোফোনে জানান, সন্দেহভাজন দুজনকে প্রথমে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়। পরবর্তীতে প্রাথমিকভাবে জড়িত সন্দেহে তাদের দুজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। আদালতে তোলার পর তাদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আরও জানান, গ্রেপ্তার দুজনেরই রিমান্ড চাওয়া হবে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

সাজেকের পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও নিয়ন্ত্রণে রয়েছে: রাঙামাটির পুলিশ সুপার

মাগুরায় যুবদল নেতা সাকের হোসেন হত্যা মামলায় ঢাকা মহানগরের নেতাসহ দুজন গ্রেপ্তার

Update Time : 03:13:52 am, Friday, 23 October 2026

মাগুরায় বাস টার্মিনালে রয়েল কাউন্টারে ঢুকে যুবদল নেতা সাকের হোসেনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় দুজনকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বৃহস্পতিবার তাদের আদালতে পাঠানো হয় এবং গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

পরে তাদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেপ্তার দুজন হলেন– রনি শিকদার ও শামীমা ইয়াসমিন। রনি শিকদার মাগুরা পৌরসভার তাঁতীপাড়া এলাকার বিরেন্দ্রনাথ শিকদারের ছেলে ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এবং শামীমা তাবাসসুম মাগুরা সদর উপজেলার চাউলিয়া ইউনিয়নের বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের গোয়ালবাড়ি পাড়ার মৃত লুৎফর রহমানের মেয়ে।

মাগুরা পৌর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নিহত সাকের হোসেন শহরের পারনান্দুয়ালী গ্রামের মৃত কুতুবুদ্দিনের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বাস টার্মিনালে রয়েল এক্সপ্রেসের কাউন্টার মাস্টার হিসেবেও কর্মরত ছিলেন। গত বুধবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে বাস টার্মিনালে রয়েল এক্সপ্রেসের কাউন্টারের ভেতরে গুলিবিদ্ধ হন তিনি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনার দিন ভোরে সাইলেন্সর পাইপ খোলা একটি মোটরসাইকেলে দুই ব্যক্তি কাউন্টারে আসেন। মোটরসাইকেল চালু রেখেই তাদের একজন ভেতরে ঢুকে সাকেরের মাথায় গুলি করেন। এরপর তারা দ্রুত মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যায়।

পরে স্থানীয়রা সাকেরকে উদ্ধার করে মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নেওয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় বুধবার রাতে সাকেরের স্ত্রী শারমিন নাহার মাগুরা সদর থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে হত্যা মামলা করেন। মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে রনি শিকদার ও শামীমা ইয়াসমিনকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

এদিকে, হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার দুপুরে শহরে বিক্ষোভ মিছিল করেন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। পরে মধুমিতা সিনেমা হলের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ থেকে হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হয়।

গ্রেপ্তারের বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. কামরুজ্জামান মুঠোফোনে জানান, সন্দেহভাজন দুজনকে প্রথমে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়। পরবর্তীতে প্রাথমিকভাবে জড়িত সন্দেহে তাদের দুজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। আদালতে তোলার পর তাদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আরও জানান, গ্রেপ্তার দুজনেরই রিমান্ড চাওয়া হবে।