জান্নাতুল ফেরদৌস শোভা রাজধানীর শনির আখড়া এলাকার বাসিন্দা। একটি সিটি স্ক্যান করাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এসেছেন। কিন্তু সেখানে বহু চেষ্টা করেও সিরিয়াল না পেয়ে যান পার্শ্ববর্তী একটি বেসরকারি হাসপাতালে।
সেখানে তার কাছে চাওয়া হয় ৮ হাজার টাকা। পরিচিত এক বড় ভাই পরামর্শ দেন, এত টাকা দিয়েই যখন পরীক্ষা করাতে হবে, তাহলে ভালো জায়গাতেই যেন করানো হয়। অনেক ভেবে শোভা অসুস্থ শরীর নিয়েই দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে আসেন স্কয়ার হাসপাতালে। সেখানে জানানো হয়, এই পরীক্ষার মূল্য ১৮ হাজার টাকা। মাত্র একটি হাসপাতাল বদলেই ১০ হাজার টাকা বাড়তি মূল্য শুনে মাথায় হাত উঠে যায় শোভা ও তার স্বজনের।
যান রাজধানীর মগবাজারের ইনসাফ বারাকাহ্ কিডনি অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতালে। সেখানে পরিচিত একজনের মাধ্যমে ৩৫ শতাংশ ছাড়ে ৫ হাজার টাকায় পরীক্ষা করিয়ে অবশেষে বাড়ি ফেরেন এই বেসরকারি কর্মজীবী নারী। একই রকমভাবে রক্তের পূর্ণাঙ্গ পরীক্ষা (সিবিসি) করাতে রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে আসেন খিলগাঁওয়ের বাসিন্দা মিনহাজুল আবেদিন। তিনি শুনেছেন, এই পরীক্ষা করাতে বড়জোর ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা লাগার কথা।
কিন্তু এখানে ৮০০ টাকা জমা দিয়ে পরীক্ষা করাতে গিয়ে বাসায় ফেরার অটো ভাড়া নিয়ে বিপাকে পড়েন তিনি। ক্ষোভে বলেন, ‘আমার এলাকার একটি হাসপাতালে শুনেছিলাম ৩৫০ টাকায় সিবিসি পরীক্ষা করা হয়। কিন্তু একটু ভালো ফলাফলের আশায় বড় হাসপাতালে এসে পুরাই ধরা খেয়ে গেলাম। ’ মানুষের মৌলিক চাহিদাগুলোর অন্যতম খাদ্য, বস্ত্র, শিক্ষা ও চিকিৎসা।
অন্য চাহিদাগুলো মিটাতে যত না বেগ পেতে হয়, চিকিৎসার চাহিদা মেটাতে তার চেয়ে কয়েক গুণ বেশি দুর্ভোগে পড়তে হয় রোগী ও তার স্বজনদের। বিশেষ করে রোগ নির্ণয়ের ব্যয় মেটাতে নিঃস্ব হতে হচ্ছে অনেক পরিবারকে। রোগ নির্ণয়ে বিভিন্ন রকম শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাতে চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র হাতে নিয়ে সরকারি হাসপাতালগুলোতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে সিরিয়াল না পেয়ে বাধ্য হয়ে বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যান রোগীরা।
কিন্তু একই পরীক্ষা করাতে একেক প্রতিষ্ঠানে গুনতে হয় একেক অঙ্কের টাকা। কোথাও তুলনামূলক কম, কোথাও কয়েক গুণ বেশি। পরীক্ষা করার প্রযুক্তি, যন্ত্রপাতি, রি-এজেন্ট, দক্ষ জনবল ও সেবার মানের পার্থক্যে কিছু মূল্যভেদ স্বাভাবিক হলেও সেই পার্থক্যের যৌক্তিকতা যাচাইয়ের সুযোগ পাচ্ছেন না অধিকাংশ রোগী। পরীক্ষার মূল্য কীভাবে নির্ধারণ করা হচ্ছে, কোন খাতে কত ব্যয় হচ্ছে, আর কতটুকু মুনাফা রাখা হচ্ছে— এসব তথ্যও সাধারণত রোগীর সামনে স্পষ্ট নয়।
এতে করে রোগীদের পকেট থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে বড় অঙ্কের টাকা। মূল্যের এই হেরফেরের কারণে কোন হাসপাতালের পরীক্ষাকে বিশ্বাস করবেন আর কোনটাকে করবেন না, তা নিয়েও রোগীদের মনে দেখা দেয় সংশয়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোর চিকিৎসা পরীক্ষা-নিরীক্ষার মূল্য নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ রয়েছে। একই পরীক্ষা একেক প্রতিষ্ঠানে ভিন্ন ভিন্ন দামে হওয়ায় রোগীদের মধ্যে তৈরি হচ্ছে বিভ্রান্তি ও বাড়তি ব্যয়ভার।
রাজধানীর বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, সিটি স্ক্যান, এমআরআই, রক্ত পরীক্ষা থেকে শুরু করে সাধারণ আল্ট্রাসনোগ্রাফি— সব ক্ষেত্রেই মূল্যবৈষম্য চরম। একই ধরনের মেশিন, একই দক্ষতার টেকনোলজিস্ট ব্যবহৃত হলেও একেক প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা বাবদ রোগীদের গুনতে হচ্ছে ভিন্ন ভিন্ন অঙ্কের টাকা। একই পরীক্ষায় মূল্যের আকাশ-পাতাল পার্থক্য : সরেজমিনে দেখা যায়, রাজধানীর শান্তিনগরের পপুলার হাসপাতালে এমআরআই (ব্রেন) পরীক্ষা করাতে খরচ হয় সর্বোচ্চ ৮ হাজার টাকা।
একই পরীক্ষা স্কয়ার, শমরিতা বা ইউনাইটেডের মতো হাসপাতালগুলোতে করাতে রোগীকে গুনতে হয় ১৮ হাজার টাকা। সিটি স্ক্যানের ক্ষেত্রেও একই অবস্থা। মগবাজারের ইনসাফ বারাকাহ কিডনি অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতালে যেখানে সিটি স্ক্যানের পরীক্ষা হয় ৪ হাজার ৫০০ টাকায়; তুলনামূলক বড় হাসপাতাল হিসেবে পরিচিত ল্যাবএইড বা সেন্ট্রাল হাসপাতালে এর খরচ পড়ে ১২ হাজার টাকার মতো।
রক্তের পূর্ণাঙ্গ পরীক্ষা (সিবিসি) কোথাও ৩৫০ টাকা, আবার কোথাও ৭০০ টাকা। একই রকমভাবে আল্ট্রাসনোগ্রাফির দাম রাজধানীর পদ্মা জেনারেল হাসপাতালে ৭০০ টাকা হলেও স্কয়ার বা বিআরবি হাসপাতালে ১ হাজার ৮০০ টাকা। এমন বিশাল মূল্যবৈষম্যের কারণে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত রোগীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। একই পরীক্ষায় দামের এত পার্থক্য কেন : দামের তারতম্যের কারণ হিসেবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষদের দাবি, একটি রক্ত পরীক্ষার খরচ নির্ধারণে শুধু নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষার উপকরণের ব্যয় বিবেচিত হয় না।
পরীক্ষাগারের যন্ত্রপাতি কেনা ও রক্ষণাবেক্ষণ, রি-এজেন্ট আমদানি, বিদ্যুৎ, শীতাতপনিয়ন্ত্রণ, কর্মীদের বেতন, মান নিয়ন্ত্রণ, রিপোর্ট প্রস্তুত এবং প্রতিষ্ঠানের ভাড়া ও অন্যান্য পরিচালন ব্যয়ও এতে যুক্ত থাকে। উন্নত প্রযুক্তি, বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধান ও দ্রুত রিপোর্ট দেওয়ার সুবিধা থাকলে কোনো প্রতিষ্ঠানের ব্যয় বেশি হতে পারে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, ব্যয়ের পার্থক্য কতটুকু এবং তার ভিত্তিতে পরীক্ষার ফি কতটা বাড়ানো হচ্ছে, রোগীর পক্ষে সাধারণত তা যাচাই করা সম্ভব হয় না।
কোনো প্রতিষ্ঠানের মূল্য বেশি হলেই তার পরীক্ষার মান ভালো এমন নিশ্চয়তাও নেই। আবার কম মূল্য মানেই নিম্নমানের সেবা, সেটিও ধরে নেওয়া যায় না। স্বাস্থ্যসেবা খাতের জন্য প্রয়োজন এমন একটি ব্যবস্থা, যেখানে প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের পরীক্ষার মূল্য নির্ধারণের যৌক্তিক ভিত্তি ব্যাখ্যা করতে পারবে এবং রোগীরা সহজেই একাধিক প্রতিষ্ঠানের মূল্য তুলনা করতে পারবেন।
সরকারি হাসপাতাল ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ফিতে ব্যবধান : সরকারি হাসপাতালে অনেক পরীক্ষার ফি তুলনামূলক কম। এর কারণ, সরকারি ব্যবস্থায় কিছু পরিচালন ব্যয় বাজেট থেকে বহন করা হয় এবং রোগীর কাছ থেকে নেওয়া ফি সব সময় প্রকৃত ব্যয়ের সমান হয় না। উদাহরণ হিসেবে, জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের প্রকাশিত মূল্যতালিকায় সিবিসি পরীক্ষার ফি ১৫০ টাকা, রক্তে শর্করা পরীক্ষার ফি ৬০ টাকা এবং বুকের এক্স-রের ফি ২০০ টাকা উল্লেখ রয়েছে।
জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার মূল্যতালিকায়ও সিবিসির ফি ১৫০ টাকা এবং প্রস্রাবের সাধারণ পরীক্ষার ফি ২০ টাকা দেখানো হয়েছে। বেসরকারি হাসপাতালে বাড়তি মূল্যের কারণ কী জানতে চাইলে রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. এ এম শামীম রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, ‘বেসরকারি হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পরিচালন ব্যয়ের পাশাপাশি বিনিয়োগের অর্থ ফেরত পাওয়া এবং মুনাফার বিষয়টিও থাকে।
ফলে বেসরকারি হাসপাতালের ফি বেশি হওয়া অসম্ভব নয়। কিন্তু সেই ফি নির্ধারণের স্বচ্ছতা এবং রোগীর ওপর আর্থিক চাপের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ বলে আমি মনে করি। যেমনটি আমাদের হাসপাতাল করে। আর এ জন্যই দিনে দিনে রোগীদের আস্থার জায়গা হয়ে উঠেছে এই হাসপাতাল। ’ মূল্যতালিকা থাকলেও নেই নজরদারি : বাংলাদেশে বেসরকারি চিকিৎসাসেবার মূল্য নিয়ন্ত্রণের আইনি কাঠামো নিয়ে নতুন করে পর্যালোচনার সুযোগ রয়েছে।
১৯৮২ সালের ‘মেডিকেল প্র্যাকটিস অ্যান্ড প্রাইভেট ক্লিনিকস অ্যান্ড ল্যাবরেটরিজ (রেগুলেশন) অর্ডিন্যান্স’-এ বেসরকারি ক্লিনিক ও পরীক্ষাগারে নির্দিষ্ট চিকিৎসাসেবার সর্বোচ্চ ফি নির্ধারণের বিধান রয়েছে। একই অধ্যাদেশে রোগীদের কাছ থেকে নেওয়া ফি’র রসিদ দেওয়া এবং প্রতিষ্ঠানে ফি’র তালিকা প্রদর্শনের কথাও বলা হয়েছে।
তবে এই আইনি বিধান, তপশিলভুক্ত ফি এবং বর্তমানের সব ধরনের পরীক্ষার ক্ষেত্রে এর প্রয়োগ কতটা কার্যকর, তার নজরদারি খুব একটা নেই উল্লেখ করে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. লেনিন চৌধুরী রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, ‘যেহেতু সরকারি হাসপাতালগুলোতে আমাদের সীমাবদ্ধতা রয়েছে, সেহেতু রোগীরা বাধ্য হয়েই বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে যান। কিন্তু নজরদারির অভাবে বেসরকারি হাসপাতালগুলোর বেশির ভাগই নিজস্ব মূল্যের নীতিমালা তৈরি করেছে।
ফলে ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে রোগী ও তাদের স্বজনদের। এ ক্ষেত্রে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তদারকি বাড়ানো প্রয়োজন বলে আমি মনে করি। ’ নিয়ন্ত্রণ নেই, মানদণ্ডও প্রতিষ্ঠিত নয় : স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ‘ফি নির্ধারণ ও মান নিয়ন্ত্রণ নীতিমালা’ থাকলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে তা কার্যকর করা হয় না। বেসরকারি হাসপাতাল মালিকরা বলছেন, উচ্চ ভাড়া, কর, যন্ত্রপাতির দাম এবং বিশেষজ্ঞ টিম পরিচালনার কারণে তারা নিজেদের মতো করে দাম নির্ধারণ করেন।
কিন্তু স্বাস্থ্য অধিকারকর্মীদের মত, রোগী জিম্মি পরিস্থিতির সুযোগে কেউ বাড়তি মুনাফা করছে, কেউ আবার প্রতিযোগিতার কারণে কম দিচ্ছে। সরকারের কার্যকর মূল্যসীমা না থাকায় খেসারত দিচ্ছে সাধারণ মানুষ। রোগীদের ক্ষোভ : রাজধানীর নিউ ইস্কাটন এলাকার বাসিন্দা আক্কাস মাহমুদ। কদিন ধরেই ভুগছেন পেটের ব্যথায়। ডাক্তার আল্ট্রাসনোগ্রামের পরামর্শ দিলে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে যান পরীক্ষা করাতে।
সেখানে ১ হাজার ৮০০ টাকা দিয়ে পরীক্ষা করিয়ে এসে বাসার পাশের অন্য একটি হাসপাতালে এক রোগীকে দেখতে গিয়ে শোনেন একই পরীক্ষার মূল্য এখানে ৭০০ টাকা। কোন পরীক্ষার মান ভালো, তা নিয়ে দ্বিধায় পড়ে যান তিনি। কিছুটা কম মূল্যে পরীক্ষা করানোর আশায় রাজধানীর শান্তিনগর পপুলার হাসপাতালে এমআরআই করাতে আসা রূপালী মিত্র বলেন, ‘বেশ কয়েকটি বড় হাসপাতালে গিয়েছিলাম।
কিন্তু সেখানে মূল্য এত বেশি যে আমার সাধ্যের বাইরে। এখানে একটু কম, তাই করাতে এসেছি। পপুলারের সুনামও আছে বাজারে। কিন্তু অন্যান্য হাসপাতালে কেন বেশি দাম রাখে তা বুঝি না। অসহায় রোগীর পকেট কেটে কী লাভ তাদের? ’ যা বলছেন বিশেষজ্ঞরা : স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কয়েকবার বেসরকারি হাসপাতালের পরীক্ষা-নিরীক্ষার মূল্য নির্ধারণে নীতিমালা তৈরির ঘোষণা দিলেও তা এখনো বাস্তবায়ন হয়নি।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একজন কর্মকর্তা বলেন, ‘এটি জটিল একটি ক্ষেত্র। আমরা কাজ করছি, তবে সব পক্ষের সমন্বয় জরুরি। ’ এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, বাংলাদেশের বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা দীর্ঘদিন ধরেই সরকারি ব্যবস্থার একধরনের ‘বিকল্প’ ভরসা হিসেবে গড়ে উঠেছে। বিশেষ করে পরীক্ষা-নিরীক্ষা বা ডায়াগনস্টিক সেবার ক্ষেত্রে বেশির ভাগ মানুষ এখন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ওপরই নির্ভরশীল।
কিন্তু এই বিপুল নির্ভরতা যতটা স্বাভাবিক, বাজার ততটাই নিয়ন্ত্রণহীন, স্বচ্ছতাহীন ও মানসম্মত মূল্যনীতিহীন। এমন বিশাল পার্থক্য শুধু রোগীর জন্য বিভ্রান্তিকর নয়, বরং একটি প্রশ্নও সামনে আনে— মূল্য নির্ধারণের ভিত্তি কী? বাজার অর্থনীতি, বিনিয়োগ খরচ, মেশিনের মান— এসবের বাইরে আরও অনেক অদৃশ্য কারণই এখানে ভূমিকা রাখে। অনেক বেসরকারি হাসপাতালের মালিকপক্ষ পরীক্ষা-নিরীক্ষার মূল্য নির্ধারণে ব্যয়কাঠামো, কর্মীর দক্ষতা, যন্ত্রপাতির মান— এসবকে সামনে আনলেও বাস্তবতা আরও জটিল।
আমরা এগুলো নিয়ে কাজ করছি। শিগগিরই দৃশ্যমান অগ্রগতি দেখতে পারবেন।






















