চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আবাসিক এলাকার জাপানি গেটসংলগ্ন স্থানে চুরির চেষ্টার অভিযোগে মোহাম্মদ আজিজুর রহমান নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে। পরে তাকে চুরির মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে পতেঙ্গা থানায় হস্তান্তর করা হয়।
আটক আজিজুর রহমান বিমানবন্দরসংলগ্ন নিজাম মার্কেট এলাকার বাসিন্দা। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিমানবন্দরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে জব্দ করা মালামালসহ তাকে থানায় হস্তান্তর করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহিম খলিল। তিনি জানান, বুধবার (১৪ অক্টোবর) দিনগত রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে বিমানবন্দরের আর্মি, বিজিবি ও নেভি হ্যাঙ্গারসংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালানো হয়।
রাতে টহল দেওয়ার সময় আনসার সদস্য সাদাম হোসেন ও এপিসি জাহাঙ্গীর হোসেন দুই সন্দেহভাজন ব্যক্তির উপস্থিতি দেখতে পান। তাঁদের ধাওয়া করলে দুজনই ঘন জঙ্গলের মধ্যে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় ঘটনাস্থলে ফেলে যাওয়া বিভিন্ন ধরনের তার ও চুরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর আনসার সদস্য সাদাম হোসেন মুঠোফোনে আনসার ক্যাম্প ও বিমানবন্দরের নিরাপত্তা শাখাকে বিষয়টি জানান।
খবর পেয়ে নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. বাদশা ফয়সাল নিরাপত্তা শাখার সাতজন সদস্য, বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর কুইক রিঅ্যাকশন ফোর্সের (টাস্কফোর্স) পাঁচজন সদস্য এবং আনসার বাহিনীর ১৫ জন সদস্যকে নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান। একই সময়ে ই/এম শাখার উপসহকারী প্রকৌশলী পলাশ পালের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাঁর সহযোগিতায় এরোনেসের ৫ থেকে ১০ জন কর্মী এবং সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তাকর্মীদের সমন্বয়ে একটি অনুসন্ধান দল গঠন করা হয়।
এদিকে নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. বাদশা ফয়সাল মুঠোফোনে বিমানবন্দরের পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন মো. নূর হোসেনকে ঘটনাটি জানান। পরে পরিচালক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন। এরপর অনুসন্ধান দলটি ঘন জঙ্গলের মধ্যে অন্ধকারে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে তল্লাশি অভিযান চালায়। একপর্যায়ে দলটি এক সন্দেহভাজনকে আটক করতে সক্ষম হয়।
পরে আটক ব্যক্তিকে জব্দ করা মালামালসহ পতেঙ্গা থানায় হস্তান্তর করা হয়। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।






















