আজ বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
২৯ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ০২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮
ঢাকা
পরিষ্কার আকাশ
২৯°C
সর্বোচ্চ: ৩৬°C
সর্বনিম্ন: ২৭°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ২১%

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে ৩৪ ক্যামেরার ২০টিই অচল

  • MIT ERP
  • Update Time : 09:54:29 pm, Wednesday, 14 October 2026
  • 8

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে ৩৪ ক্যামেরার ২০টিই অচল

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। হাসপাতালের সিসিটিভি মনিটর অনুযায়ী, ৩৪টি ক্যামেরার মধ্যে ২০টিই অচল। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছেন ২৬ টি ক্যামেরার ৮/১০ টি অভল।

ফলে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন স্থানে নজরদারি ব্যাহত হচ্ছে। সম্প্রতি হাসপাতাল থেকে দুই দিন বয়সী এক ছেলে নবজাতক চুরির ঘটনার পর সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করতে গিয়ে ক্যামেরার এই বেহাল চিত্র সামনে আসে। হাসপাতালে ক্যামেরা স্থাপন করা হলেও অনেকগুলো অচল থাকায় নবজাতক চুরি, রোগীদের মালামাল ও মোবাইল ফোন চুরি, ছিনতাই এবং দালালদের দৌরাত্ম্য নিয়ন্ত্রণে নজরদারির কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

অপরাধের ঘটনা ঘটলেও পর্যাপ্ত ফুটেজ না থাকায় জড়িতদের শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ছে বলে সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা। সরেজমিনে দেখা যায়, হাসপাতালের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি স্থানে সিসিটিভি ক্যামেরা সচল নেই। এমনকি জরুরি বিভাগের প্রধান ক্যামেরাটিও অচল। হাসপাতালের বহির্বিভাগ, দ্বিতীয় তলা, লিফটের সামনে ও জরুরি বিভাগের ভেতরে কয়েকটি ক্যামেরা সচল থাকলেও অন্য অনেক ক্যামেরা বন্ধ রয়েছে।

হাসপাতালের প্রধান প্রবেশপথের ক্যামেরাটিও অচল। অথচ এ পথ দিয়েই প্রতিদিন জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে রোগী ও স্বজনেরা হাসপাতালে প্রবেশ করেন। এ ছাড়া রোগীদের যাতায়াত বেশি এমন স্থান এবং দালালদের আনাগোনা রয়েছে এমন এলাকাগুলোতেও কার্যকর নজরদারির ঘাটতি রয়েছে। হাসপাতালের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে রোগী, নবজাতক, স্বজন ও চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত ব্যক্তিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিসিটিভি ক্যামেরা কার্যকর রাখা জরুরি।

কিন্তু বিপুলসংখ্যক ক্যামেরা অচল থাকায় হাসপাতালের সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা ও নিয়মিত তদারকি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। নবজাতক চুরির মতো স্পর্শকাতর ঘটনার পরও ক্যামেরাগুলো সচল না থাকায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব এবং দীর্ঘদিন ধরে ক্যামেরা রক্ষণাবেক্ষণে কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ার বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. রতন কুমার ঢালী রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, হাসপাতালে ২৬টি ক্যামেরা আছে।

এর মধ্যে ৮-১০টি অচল। হাসপাতালের বাজেট থাকে গণপূর্তের কাছে। হাসপাতালের সব কাজ গণপূর্ত করে। ক্যামেরাগুলো মেরামতের জন্য তাদের চিঠি দিয়েছি। তারা বাজেট নেই বলে তালবাহানা করছে। জেলা পরিষদকেও ক্যামেরা দেওয়ার অনুরোধ করেছিলাম। তারা দেওয়ার কথা বললেও এখনো দেয়নি। আমরা চেষ্টা করেও কাজটি করতে পারছি না। নবজাতক চুরির অনেক আগে থেকেই বেশ কয়েকবার চিঠি দিয়েছি গণপূর্তে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য তরুণ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে ৩৪ ক্যামেরার ২০টিই অচল

Update Time : 09:54:29 pm, Wednesday, 14 October 2026

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। হাসপাতালের সিসিটিভি মনিটর অনুযায়ী, ৩৪টি ক্যামেরার মধ্যে ২০টিই অচল। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছেন ২৬ টি ক্যামেরার ৮/১০ টি অভল।

ফলে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন স্থানে নজরদারি ব্যাহত হচ্ছে। সম্প্রতি হাসপাতাল থেকে দুই দিন বয়সী এক ছেলে নবজাতক চুরির ঘটনার পর সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করতে গিয়ে ক্যামেরার এই বেহাল চিত্র সামনে আসে। হাসপাতালে ক্যামেরা স্থাপন করা হলেও অনেকগুলো অচল থাকায় নবজাতক চুরি, রোগীদের মালামাল ও মোবাইল ফোন চুরি, ছিনতাই এবং দালালদের দৌরাত্ম্য নিয়ন্ত্রণে নজরদারির কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

অপরাধের ঘটনা ঘটলেও পর্যাপ্ত ফুটেজ না থাকায় জড়িতদের শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ছে বলে সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা। সরেজমিনে দেখা যায়, হাসপাতালের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি স্থানে সিসিটিভি ক্যামেরা সচল নেই। এমনকি জরুরি বিভাগের প্রধান ক্যামেরাটিও অচল। হাসপাতালের বহির্বিভাগ, দ্বিতীয় তলা, লিফটের সামনে ও জরুরি বিভাগের ভেতরে কয়েকটি ক্যামেরা সচল থাকলেও অন্য অনেক ক্যামেরা বন্ধ রয়েছে।

হাসপাতালের প্রধান প্রবেশপথের ক্যামেরাটিও অচল। অথচ এ পথ দিয়েই প্রতিদিন জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে রোগী ও স্বজনেরা হাসপাতালে প্রবেশ করেন। এ ছাড়া রোগীদের যাতায়াত বেশি এমন স্থান এবং দালালদের আনাগোনা রয়েছে এমন এলাকাগুলোতেও কার্যকর নজরদারির ঘাটতি রয়েছে। হাসপাতালের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে রোগী, নবজাতক, স্বজন ও চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত ব্যক্তিদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিসিটিভি ক্যামেরা কার্যকর রাখা জরুরি।

কিন্তু বিপুলসংখ্যক ক্যামেরা অচল থাকায় হাসপাতালের সার্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা ও নিয়মিত তদারকি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। নবজাতক চুরির মতো স্পর্শকাতর ঘটনার পরও ক্যামেরাগুলো সচল না থাকায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব এবং দীর্ঘদিন ধরে ক্যামেরা রক্ষণাবেক্ষণে কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়ার বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। এ বিষয়ে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. রতন কুমার ঢালী রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, হাসপাতালে ২৬টি ক্যামেরা আছে।

এর মধ্যে ৮-১০টি অচল। হাসপাতালের বাজেট থাকে গণপূর্তের কাছে। হাসপাতালের সব কাজ গণপূর্ত করে। ক্যামেরাগুলো মেরামতের জন্য তাদের চিঠি দিয়েছি। তারা বাজেট নেই বলে তালবাহানা করছে। জেলা পরিষদকেও ক্যামেরা দেওয়ার অনুরোধ করেছিলাম। তারা দেওয়ার কথা বললেও এখনো দেয়নি। আমরা চেষ্টা করেও কাজটি করতে পারছি না। নবজাতক চুরির অনেক আগে থেকেই বেশ কয়েকবার চিঠি দিয়েছি গণপূর্তে।