বোরহানউদ্দিনে দরকষাকষি করে ঘুষ নেন ইউনিয়ন উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা—এমন শিরোনামে দৈনিক রুপালী বাংলাদেশসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর অভিযুক্ত সাচড়া ইউনিয়ন উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা বজলুর রহমানকে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
একইসঙ্গে অনৈতিকভাবে ঘুষ গ্রহণের জবাব চেয়ে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বোরহানউদ্দিন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রিফাত হোসেন। বুধবার (১৪ অক্টোবর) বিভাগীয় সিনিয়র সহকারী কমিশনার (রাজস্ব) মো. মেহেদী হাসান স্বাক্ষরিত একটি আদেশে তাকে একই দিন অপরাহ্ণের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত হওয়ার নির্দেশ প্রদান করা হয়।
উল্লেখ্য, এর আগে গত সোমবার ভোলার বোরহানউদ্দিনে সেবা নিতে গেলে অবৈধভাবে ঘুষ দাবির অভিযোগ ওঠে সাচড়া ইউনিয়ন উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা বজলুর রহমান ও তার ব্যক্তিগত সহকারী পরিচয় দানকারী মো. রাকিবের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশের পাশাপাশি অবৈধ অর্থ লেনদেনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।
পরে বোরহানউদ্দিন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনোরঞ্জন বর্মন ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রিফাত হোসেন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন। এদিকে ওই ঘটনার অভিযোগকারী সবুজ জানান, অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে সাচড়া ইউনিয়ন থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়ায় তিনি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তবে এই আদেশের পর বজলুর রহমানের ব্যক্তিগত সহকারী পরিচয় দেওয়া মো. রাকিব উল্টো ওই কর্মকর্তাকে দিয়ে অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করার হুমকি দিচ্ছেন বলে জানা গেছে।
প্রত্যাহারের আদেশের বিষয়টি স্বীকার করে অভিযুক্ত কর্মকর্তা বজলুর রহমান বলেন, অফিসের নির্দেশ অনুযায়ী আমি বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে যোগদান করব।






















