ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় সারের ডিলারশিপ বরাদ্দে ব্যাপক অনিয়ম, ঘুষ-বাণিজ্য এবং বিগত সরকারের সুবিধাভোগীদের পুনর্বাসনের অভিযোগ উঠেছে। রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলা সদর বাজারে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন পৌর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. বাশারুল বারী ও উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মো. শাহিন মোল্যা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে তারা বলেন, বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের নাম ভাঙিয়ে চলা একটি সুবিধাবাদী গোষ্ঠী এবং স্থানীয় কতিপয় নেতার যোগসাজশে বিপুল পরিমাণ অর্থ লেনদেন হয়েছে। এই ঘুষ বাণিজ্যের মাধ্যমে বিগত সরকারের সুবিধাভোগী ও তাদের স্বজনদের নতুন করে সারের ডিলারশিপ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। নেতৃবৃন্দ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বিগত ১৫ বছর ধরে যেসব অসাধু ব্যবসায়ী কৃষকদের জিম্মি করে কৃত্রিম সার সংকট তৈরি ও কালোবাজারি চালিয়েছিল, মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে আজ তাদেরকেই পুনরায় নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
এতে সাধারণ কৃষকরা আবারও চরম ভোগান্তির মুখে পড়বেন। সংবাদ সম্মেলন থেকে অবিলম্বে এই বিতর্কিত ও অবৈধ নিয়োগ প্রক্রিয়া বাতিল করে স্বচ্ছ ও উন্মুক্ত পদ্ধতিতে সারের ডিলার নিয়োগের জোর দাবি জানানো হয়। একই সাথে অনিয়মে জড়িতদের বিরুদ্ধে দলীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং সাধারণ কৃষকদের সার সরবরাহ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তারা। দাবি না মানা হলে সাধারণ কৃষকদের সাথে নিয়ে রাজপথে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
জানতে চাইলে আলফাডাঙ্গা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তুষার সাহা জানান, ‘উপজেলা কমিটি তদন্ত করে প্রতিটি ইউনিয়নের জন্য তিনজন যোগ্য আবেদনকারীর নাম জেলা কমিটিতে পাঠায়। জেলা কমিটি তা অধিকতর যাচাই-বাছাই শেষে কৃষি মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করে। পরবর্তী সময়ে কৃষি মন্ত্রণালয় থেকেই চূড়ান্ত ডিলার নিয়োগ সম্পন্ন হয়।





















