আজ শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
১৭ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ১৯ রবিউস সানি ১৪৪৮
ঢাকা
আংশিক মেঘলা
২৯°C
সর্বোচ্চ: ৩৪°C
সর্বনিম্ন: ২৬°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ৮৯%

সেপ্টেম্বরে রেমিট্যান্স ও রপ্তানিতে ৬৭১ কোটি ডলার আয়, ফিরছে ইতিবাচক ধারা

  • MIT ERP
  • Update Time : 07:44:55 pm, Friday, 2 October 2026
  • 7

সেপ্টেম্বরে রেমিট্যান্স ও রপ্তানিতে ৬৭১ কোটি ডলার আয়, ফিরছে ইতিবাচক ধারা

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

বিশ্ববাজারে চাহিদার ধীরগতি এবং অভ্যন্তরীণ অর্থনীতির বিভিন্ন চাপ সত্ত্বেও ইতিবাচক ধারায় ফিরেছে দেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রধান দুই খাত। গত সেপ্টেম্বরে প্রবাসী আয় ও রপ্তানি খাত থেকে মোট ৬৭১ কোটি ডলার আয় হয়েছে। তবে অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, আগামী দিনগুলোতে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের এই গতি ধরে রাখাটা বেশ চ্যালেঞ্জিং হবে।

রপ্তানি আয় কমার মধ্য দিয়ে চলতি অর্থবছর শুরু হয়। জুলাইতে তীব্র গ্যাস সংকটে দেশের ৫০ শতাংশ তৈরি পোশাক ও বস্ত্র কারখানার উৎপাদন বন্ধ ছিল বলে জানা গেছে। তবে এখন সমস্যার কিছুটা সমাধান হয়েছে। এতে আবার উৎপাদন বাড়তে শুরু করেছে শিল্প কারখানায়। যার প্রভাব পড়েছে রপ্তানি আয়ে।

তৈরি পোশাকসহ প্রধান কয়েকটি খাতের রপ্তানি বৃদ্ধি পাওয়ায় টানা দ্বিতীয় মাসের মতো ইতিবাচক দেশের পণ্য রপ্তানি আয়। ইপিবির সবশেষ তথ্যানুযায়ী, গত বছরের সেপ্টেম্বরের তুলনায় এই বছরের একই সময়ের পণ্য রপ্তানি আট দশমিক পাঁচ চার শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৩৯৪ কোটি ডলার হয়েছে। এই প্রবৃদ্ধির ওপর ভর করে চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে সামগ্রিক রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৩৪ শতাংশ।

শীর্ষ পাঁচ রপ্তানি খাতের মধ্যে চারটি, অর্থাৎ তৈরি পোশাক, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, হোমটেক্সটাইল এবং পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানি ইতিবাচক ধারায় রয়েছে। তবে সেপ্টেম্বরে সবচেয়ে বেশি সাফল্য এসেছে ওষুধ খাতে। এই খাতের রপ্তানি আয় আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে এক লাফে ৬৪ দশমিক ৩৩ শতাংশ বেড়েছে।

এদিকে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার অন্যতম প্রধান উৎস প্রবাসী আয়ও ইতিবাচক। সেপ্টেম্বরে বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে এসেছে ২৭৬ কোটি মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ ৩৪ হাজার কোটি টাকারো বেশি।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

গাজায় এক বছরে প্রাণহানি ২৪ হাজারের বেশি, ক্রমেই বসবাসের অনুপযোগী হয়ে উঠছে উপত্যকা

সেপ্টেম্বরে রেমিট্যান্স ও রপ্তানিতে ৬৭১ কোটি ডলার আয়, ফিরছে ইতিবাচক ধারা

Update Time : 07:44:55 pm, Friday, 2 October 2026

বিশ্ববাজারে চাহিদার ধীরগতি এবং অভ্যন্তরীণ অর্থনীতির বিভিন্ন চাপ সত্ত্বেও ইতিবাচক ধারায় ফিরেছে দেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রধান দুই খাত। গত সেপ্টেম্বরে প্রবাসী আয় ও রপ্তানি খাত থেকে মোট ৬৭১ কোটি ডলার আয় হয়েছে। তবে অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, আগামী দিনগুলোতে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের এই গতি ধরে রাখাটা বেশ চ্যালেঞ্জিং হবে।

রপ্তানি আয় কমার মধ্য দিয়ে চলতি অর্থবছর শুরু হয়। জুলাইতে তীব্র গ্যাস সংকটে দেশের ৫০ শতাংশ তৈরি পোশাক ও বস্ত্র কারখানার উৎপাদন বন্ধ ছিল বলে জানা গেছে। তবে এখন সমস্যার কিছুটা সমাধান হয়েছে। এতে আবার উৎপাদন বাড়তে শুরু করেছে শিল্প কারখানায়। যার প্রভাব পড়েছে রপ্তানি আয়ে।

তৈরি পোশাকসহ প্রধান কয়েকটি খাতের রপ্তানি বৃদ্ধি পাওয়ায় টানা দ্বিতীয় মাসের মতো ইতিবাচক দেশের পণ্য রপ্তানি আয়। ইপিবির সবশেষ তথ্যানুযায়ী, গত বছরের সেপ্টেম্বরের তুলনায় এই বছরের একই সময়ের পণ্য রপ্তানি আট দশমিক পাঁচ চার শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৩৯৪ কোটি ডলার হয়েছে। এই প্রবৃদ্ধির ওপর ভর করে চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে সামগ্রিক রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ৬ দশমিক ৩৪ শতাংশ।

শীর্ষ পাঁচ রপ্তানি খাতের মধ্যে চারটি, অর্থাৎ তৈরি পোশাক, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, হোমটেক্সটাইল এবং পাট ও পাটজাত পণ্যের রপ্তানি ইতিবাচক ধারায় রয়েছে। তবে সেপ্টেম্বরে সবচেয়ে বেশি সাফল্য এসেছে ওষুধ খাতে। এই খাতের রপ্তানি আয় আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে এক লাফে ৬৪ দশমিক ৩৩ শতাংশ বেড়েছে।

এদিকে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার অন্যতম প্রধান উৎস প্রবাসী আয়ও ইতিবাচক। সেপ্টেম্বরে বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে এসেছে ২৭৬ কোটি মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ ৩৪ হাজার কোটি টাকারো বেশি।