রাজশাহী বাগমারায় পুলিশ পরিচয়ে প্রতারণার ফাঁদে ফেলে বিকাশ ও নগদের মাধ্যমে প্রতারক চক্র অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে। সাধারণ মানুষকে পুলিশের ভয় দেখিয়ে প্রতারণার ফাঁদ পেতে বসেছে। সম্প্রতি বাগমারা উপজেলায় এ ধরনের বেশ কয়েকটি ঘটনা ঘটলেও অপরাধীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে। থানায় অভিযোগ দিলেও গ্রেপ্তার নেই। প্রতারক চক্রকে শনাক্ত করতে পারছে না পুলিশ। গত ২৮ জুলাই আলোকনগর (হামিরকুৎসা) গ্রামের আব্দুস ছোবহানের ব্যক্তিগত মোবাইল নম্বরে এই (০১৮৬৩২৮৫৩৩৩) মোবাইল নম্বর থেকে কল করা হয়। আব্দুস ছোবহান বলেন, কল করে তাকে বলা হয়, আমরা পুলিশ প্রশাসনের লোক। আপনার ছেলে মাদক মামলায় আটক হয়েছে। তাকে মুক্ত করার জন্য জরুরিভিত্তিতে বিকাশে ৫০ হাজার টাকা পাঠাতে বলেন। এ সময় প্রতারক চক্র মোবাইলে ছেলের পরিচয়ে একজনের কান্নার শব্দ শুনিয়ে ভয়ভীতি ও আতঙ্কের মধ্যে ফেলে। আমি সরল বিশ্বাসে ওই নম্বরে ২৫ হাজার টাকা বিকাশে পাঠাই। কিন্তু পরক্ষণেই জানতে পারি আমি প্রতারণার শিকার হয়েছি। ছেলেকে কেউ আটক করেনি। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি। কিন্তু এখনো প্রতারক চক্রের সন্ধান পায়নি পুলিশ। একই কায়দায় গত ২৯ জুলাই তরুণ শিক্ষার্থী ও সাংবাদিক সবুজ হোসেন (২৬) প্রতারণার শিকার হন। পুলিশের ভয় দেখিয়ে ও ফাঁদে ফেলে সেমিস্টার ফির সম্পূর্ণ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র। সবুজ হোসেন গত বুধবার সংবাদ সম্মেলনে এ প্রতারণার কথা তুলে ধরেন। এ প্রসঙ্গে ওসি বলেন, সম্প্রতি ঘটে যাওয়া প্রতারণার মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার বিষয়ে থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। প্রতারক চক্রকে শনাক্ত করতে প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছি। রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনার গাজিউর রহমান বলেন, প্রতারক চক্র বিভিন্নভাবে প্রতারণা চালানোর চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। প্রতারকের ফাঁদে পড়ে অনেকে টাকাপয়সা হারানোর ঘটনা ঘটছে। পুলিশের বিশেষ টিম কাজ করছে। অচিরেই তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ধরা পড়বে।
শিরোনাম :
পুলিশ পরিচয়ে প্রতারণা, ধরাছোঁয়ার বাইরে অপরাধীরা
- Update Time : 03:19:33 am, Monday, 3 August 2026
- 35
Tag :
Popular Post























