2:46 am, Thursday, 30 July 2026

মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা, বাদীর কারাদণ্ড ও জরিমানা

  • MIT ERP
  • Update Time : 01:36:31 am, Thursday, 30 July 2026
  • 1
Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

বরগুনায় মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও হয়রানিমূলক মামলা দায়েরের অভিযোগে এক বাদীকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ারও আদেশ দেওয়া হয়েছে। বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে বরগুনার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. ইকবাল মাসুদ এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি মোশারফ হোসেন ওরফে হারুন অর রশীদ। তিনি বরগুনার বামনা উপজেলার বুকাবুনিয়া ইউনিয়নের ছোনবুনিয়া গ্রামের সেকান্দার আলীর ছেলে। এ মামলায় খালাসপ্রাপ্ত আসামি একেএম শহিদুল ইসলাম। তিনি গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সালনা বাজার এলাকার হাবিবুর রহমানের ছেলে। আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ১২ ডিসেম্বর মোশারফ হোসেন বামনা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একেএম শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে মামলা করেন। মামলায় তিনি অভিযোগ করেন, তার ছেলেকে কানাডায় পাঠানোর কথা বলে শহিদুল ইসলাম ১৫ লাখ টাকা নিলেও তাকে বিদেশে না পাঠিয়ে ওই অর্থ আত্মসাৎ করেন। মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত আসামিকে খালাস দেন। একই সঙ্গে আদালত মনে করেন, মামলাটি ছিল ভিত্তিহীন ও হয়রানিমূলক। এর আগে গত ২০ জুলাই আদালত বাদীকে সশরীরে উপস্থিত হয়ে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেন। তবে নির্ধারিত দিনে তিনি আদালতে উপস্থিত না হয়ে আত্মগোপনে থাকেন। পরবর্তীতে ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ২৫০(২) ধারার বিধান অনুযায়ী আদালত বাদী মোশারফ হোসেনকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। পাশাপাশি তাকে ৩০ দিনের মধ্যে খালাসপ্রাপ্ত একেএম শহিদুল ইসলামকে ৫০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ হিসেবে পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়। রায় ঘোষণার সময় বাদী ও তার আইনজীবী আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা, বাদীর কারাদণ্ড ও জরিমানা

Update Time : 01:36:31 am, Thursday, 30 July 2026

বরগুনায় মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও হয়রানিমূলক মামলা দায়েরের অভিযোগে এক বাদীকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ারও আদেশ দেওয়া হয়েছে। বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে বরগুনার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. ইকবাল মাসুদ এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি মোশারফ হোসেন ওরফে হারুন অর রশীদ। তিনি বরগুনার বামনা উপজেলার বুকাবুনিয়া ইউনিয়নের ছোনবুনিয়া গ্রামের সেকান্দার আলীর ছেলে। এ মামলায় খালাসপ্রাপ্ত আসামি একেএম শহিদুল ইসলাম। তিনি গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সালনা বাজার এলাকার হাবিবুর রহমানের ছেলে। আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ১২ ডিসেম্বর মোশারফ হোসেন বামনা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একেএম শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগে মামলা করেন। মামলায় তিনি অভিযোগ করেন, তার ছেলেকে কানাডায় পাঠানোর কথা বলে শহিদুল ইসলাম ১৫ লাখ টাকা নিলেও তাকে বিদেশে না পাঠিয়ে ওই অর্থ আত্মসাৎ করেন। মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষে অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত আসামিকে খালাস দেন। একই সঙ্গে আদালত মনে করেন, মামলাটি ছিল ভিত্তিহীন ও হয়রানিমূলক। এর আগে গত ২০ জুলাই আদালত বাদীকে সশরীরে উপস্থিত হয়ে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেন। তবে নির্ধারিত দিনে তিনি আদালতে উপস্থিত না হয়ে আত্মগোপনে থাকেন। পরবর্তীতে ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ২৫০(২) ধারার বিধান অনুযায়ী আদালত বাদী মোশারফ হোসেনকে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। পাশাপাশি তাকে ৩০ দিনের মধ্যে খালাসপ্রাপ্ত একেএম শহিদুল ইসলামকে ৫০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ হিসেবে পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়। রায় ঘোষণার সময় বাদী ও তার আইনজীবী আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।