মাটির নিচে উঁকি দিচ্ছিলো ছোট্ট একটি হলুদ বিন্দু। কৌতূহল নিয়ে সেখানে খোঁড়াখুঁড়ি শুরু করতেই বেরিয়ে এলো ১ দশমিক ২ কেজির বেশি ওজনের স্বর্ণের খণ্ড। অস্ট্রেলিয়ার এক শৌখিন অনুসন্ধানকারীর এই আবিষ্কারের বাজারমূল্য প্রায় দেড় লাখ থেকে ১ লাখ ৬০ হাজার অস্ট্রেলীয় ডলার।
ব্যক্তিগত সংগ্রাহকের কাছে বিক্রি করতে পারলে দাম উঠতে পারে ২ লাখ ডলার পর্যন্ত। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা প্রায় ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা। অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে টিবুবুরা শহরের কাছে মাউন্ট স্টুয়ার্ট স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। ওই ব্যক্তি কয়েক দিন ধরে ধাতু শনাক্তকারী যন্ত্র দিয়ে স্বর্ণ খুঁজছিলেন। তবে বারবার মিলছিল পুরোনো পেরেক, ঘোড়ার খুর ও ব্যবহৃত গুলির মতো পরিত্যক্ত ধাতব বস্তু।
অক্টোবরের মাঝামাঝি একদিন যন্ত্রে সংকেত পেয়ে মাটি খুঁড়তে শুরু করেন তিনি। প্রায় ১০ সেন্টিমিটার গভীরে যাওয়ার পর সংকেত জোরালো হয়। মাটির প্রথম বা দ্বিতীয় স্তর সরাতেই চোখে পড়ে উজ্জ্বল হলুদ বিন্দুটি। পরে কোয়ার্টজ পাথরের সঙ্গে মিশে থাকা স্বর্ণের খণ্ডটি বের করেন তিনি। খণ্ডটির মোট ওজন ১ হাজার ২১৮ গ্রাম। পরীক্ষা করে এতে প্রায় ৯৪০ গ্রাম বিশুদ্ধ স্বর্ণ পাওয়া গেছে।
অনুসন্ধানকারী এর নাম দিয়েছেন ‘টিবুবুরা স্পাড’। নিজের পরিচয় প্রকাশ করতে চাননি তিনি। স্বর্ণের বাজারদরের ভিত্তিতে এর মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে বিরল এই খণ্ডটি সংগ্রাহকের কাছে বিক্রি হলে চূড়ান্ত দাম আরও বাড়তে পারে।






















