আজ বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
১৩ কার্তিক, ১৪৩৩ | ১৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮
ঢাকা
আংশিক মেঘলা
২৬°C
সর্বোচ্চ: ৩৫°C
সর্বনিম্ন: ২৬°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ৮৭%

আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম সাড়ে ৩ লাখ টাকায় পৌঁছানোর পূর্বাভাস

  • MIT ERP
  • Update Time : 08:22:28 pm, Tuesday, 27 October 2026
  • 26

আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম সাড়ে ৩ লাখ টাকায় পৌঁছানোর পূর্বাভাস

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

২০২৭ সালের শেষ নাগাদ আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক প্রতিষ্ঠান জেপি মরগ্যান। প্রতিষ্ঠানটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, ভারতীয় বাজারের সম্ভাব্য দাম ও বিনিময় হার বিবেচনায় বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম প্রায় ৩ লাখ ২৩ হাজার টাকা হতে পারে।

এমনকি এর থেকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম লাইভমিন্টের মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, জেপি মরগ্যানের ধারণা, ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৬ হাজার ডলারে পৌঁছাতে পারে। ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ তা বেড়ে ৬ হাজার ৩০০ ডলারে উঠতে পারে।

এদিকে চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি ভারতের মাল্টি কমোডিটি এক্সচেঞ্জে প্রতি ১০ গ্রাম স্বর্ণের দাম রেকর্ড ১ লাখ ৮০ হাজার ৭৭৯ রুপিতে উঠেছিল। তবে পরবর্তী সময়ে দাম কমে ২৭ অক্টোবরের দিকে প্রায় ১ লাখ ৪২ হাজার ৫০০ রুপিতে নেমে আসে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন বন্ডের সুদহার কমে আসা, ডলারের দুর্বলতা এবং বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা স্বর্ণের দাম বাড়াতে ভূমিকা রাখতে পারে।

মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি মোকাবিলা ও নিরাপদ বিনিয়োগের মাধ্যম হিসেবেও স্বর্ণের চাহিদা রয়েছে। তবে স্বল্পমেয়াদে স্বর্ণের বাজারে ওঠানামা অব্যাহত থাকতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের সুদের হারসংক্রান্ত নীতি, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এবং বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহের ওপরও স্বর্ণের দামের গতিপথ নির্ভর করতে পারে। ফলে দীর্ঘমেয়াদে দাম বাড়ার সম্ভাবনা থাকলেও এই পূর্বাভাস নিশ্চিত নয়।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ২৭ অক্টোবরের বিনিময় হার অনুযায়ী ভারতীয় বাজারের সম্ভাব্য দাম বাংলাদেশি মুদ্রায় হিসাব করলে প্রতি ভরি স্বর্ণের মূল্য প্রায় ৩ লাখ ২৩ হাজার টাকা হতে পারে। তবে এটি বাংলাদেশের বাজারদরের সরাসরি পূর্বাভাস নয়। আমদানি ব্যয়, শুল্কনীতি, স্থানীয় চাহিদা এবং ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় হারের কারণে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ভিন্ন হতে পারে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে যুবদল এবং পল্টন ট্র্যাজেডির বিচারের দাবিতে জামায়াতের কর্মসূচি

আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম সাড়ে ৩ লাখ টাকায় পৌঁছানোর পূর্বাভাস

Update Time : 08:22:28 pm, Tuesday, 27 October 2026

২০২৭ সালের শেষ নাগাদ আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের আর্থিক প্রতিষ্ঠান জেপি মরগ্যান। প্রতিষ্ঠানটির পূর্বাভাস অনুযায়ী, ভারতীয় বাজারের সম্ভাব্য দাম ও বিনিময় হার বিবেচনায় বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম প্রায় ৩ লাখ ২৩ হাজার টাকা হতে পারে।

এমনকি এর থেকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম লাইভমিন্টের মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, জেপি মরগ্যানের ধারণা, ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৬ হাজার ডলারে পৌঁছাতে পারে। ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ তা বেড়ে ৬ হাজার ৩০০ ডলারে উঠতে পারে।

এদিকে চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি ভারতের মাল্টি কমোডিটি এক্সচেঞ্জে প্রতি ১০ গ্রাম স্বর্ণের দাম রেকর্ড ১ লাখ ৮০ হাজার ৭৭৯ রুপিতে উঠেছিল। তবে পরবর্তী সময়ে দাম কমে ২৭ অক্টোবরের দিকে প্রায় ১ লাখ ৪২ হাজার ৫০০ রুপিতে নেমে আসে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন বন্ডের সুদহার কমে আসা, ডলারের দুর্বলতা এবং বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তা স্বর্ণের দাম বাড়াতে ভূমিকা রাখতে পারে।

মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি মোকাবিলা ও নিরাপদ বিনিয়োগের মাধ্যম হিসেবেও স্বর্ণের চাহিদা রয়েছে। তবে স্বল্পমেয়াদে স্বর্ণের বাজারে ওঠানামা অব্যাহত থাকতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের সুদের হারসংক্রান্ত নীতি, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এবং বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহের ওপরও স্বর্ণের দামের গতিপথ নির্ভর করতে পারে। ফলে দীর্ঘমেয়াদে দাম বাড়ার সম্ভাবনা থাকলেও এই পূর্বাভাস নিশ্চিত নয়।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ২৭ অক্টোবরের বিনিময় হার অনুযায়ী ভারতীয় বাজারের সম্ভাব্য দাম বাংলাদেশি মুদ্রায় হিসাব করলে প্রতি ভরি স্বর্ণের মূল্য প্রায় ৩ লাখ ২৩ হাজার টাকা হতে পারে। তবে এটি বাংলাদেশের বাজারদরের সরাসরি পূর্বাভাস নয়। আমদানি ব্যয়, শুল্কনীতি, স্থানীয় চাহিদা এবং ডলারের বিপরীতে টাকার বিনিময় হারের কারণে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম ভিন্ন হতে পারে।