ফ্রান্সে প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে চলা বিক্ষোভ ও সহিংসতায় কমপক্ষে ১৯০ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় ইতোমধ্যে ৫ হাজারের বেশি মানুষকে আটক করা হয়েছে এবং দেশটির প্রায় ৫০০টি স্কুল আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। আজ আরও তীব্র আন্দোলনের প্রস্তুতি নিচ্ছে শিক্ষার্থীরা।
ফ্রান্স সরকার বলছে, শিক্ষার্থীদের দাবি পূরণে বিভিন্ন পদক্ষেপ ঘোষণা করা হয়েছে। তবে, সরকার সুনির্দিষ্ট কোনো প্রস্তাব দেয়নি বলে অভিযোগ শিক্ষার্থীদের।
প্যারিসের শহরতলী এলাকার একটি হাই স্কুলে গত ১৭ সেপ্টেম্বর প্রথম অস্থিরতা শুরু হয়। সেখানে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অপর্যাপ্ত শিক্ষক এবং স্কুলের দীর্ঘ সময়সীমার প্রতিবাদে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা সংগঠিত হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। ক্লাসে শিক্ষার্থীর সংখ্যা নিয়েও অভিযোগ উঠেছিল। পরে এই বিক্ষোভই রাজধানীসহ বিভিন্ন জেলার স্কুলগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে।
শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ও সহিংসতার জেরে উত্তপ্ত ফ্রান্স। বিক্ষোভ এরইমধ্যে প্যারিসসহ ছড়িয়ে পড়েছে বিভিন্ন শহরে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ও নিরাপত্তাজনিত কারণে ৫০০ স্কুল আংশিক বা পুরোপুরি বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী এদুয়ার্দো জেফ্রে। এবং শিক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনে নামেন শত শত শিক্ষক ও শিক্ষার্থী। বর্তমানে এ আন্দোলন পুরো ফ্রান্সে ছড়িয়ে পড়েছে।



























