4:14 am, Sunday, 2 August 2026

পানিবন্দি প্রায় ২ লাখ, ক্ষতিগ্রস্ত পাঁচ জেলা

  • MIT ERP
  • Update Time : 01:11:57 am, Sunday, 2 August 2026
  • 5
Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

ভারতের আসামে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮২ জনে পৌঁছেছে। যদিও সামগ্রিক বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে, তবু রাজ্যের পাঁচটি জেলায় এখনো বন্যার প্রভাব অব্যাহত রয়েছে। এতে প্রায় ২ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে মানবিক সংকটে দিন কাটাচ্ছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শিবসাগর, গোলাঘাট, জোরহাট, নগাঁও ও চরাইদেও জেলা। দিখৌ ও ধানসিঁড়ি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে প্রবাহিত হওয়ায় কয়েকটি এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। প্রশাসন সাধারণ মানুষকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে চলার আহ্বান জানিয়েছে। রাজ্য সরকার ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় একাধিক ত্রাণ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। ক্ষতিগ্রস্ত যানবাহন, গবাদি পশু ও সম্পত্তির ক্ষতিপূরণের দাবি দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য বিমা সংস্থাগুলোর প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতাদের ঋণ পরিশোধে সাময়িক স্থগিতাদেশ দেওয়ার বিষয়েও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা করবে সরকার। সরকারি হিসাবে প্রায় ১৩ হাজার মানুষ ৫৪টি ত্রাণশিবিরে আশ্রয় নিয়েছে। এ ছাড়া ২৬টি ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রের মাধ্যমে কয়েক হাজার দুর্গত মানুষের কাছে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা জানিয়েছেন, ক্ষয়ক্ষতির দ্রুত মূল্যায়ন করে পুনর্বাসন ও মেরামত কার্যক্রমে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

পানিবন্দি প্রায় ২ লাখ, ক্ষতিগ্রস্ত পাঁচ জেলা

Update Time : 01:11:57 am, Sunday, 2 August 2026

ভারতের আসামে ভয়াবহ বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৮২ জনে পৌঁছেছে। যদিও সামগ্রিক বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে, তবু রাজ্যের পাঁচটি জেলায় এখনো বন্যার প্রভাব অব্যাহত রয়েছে। এতে প্রায় ২ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে মানবিক সংকটে দিন কাটাচ্ছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শিবসাগর, গোলাঘাট, জোরহাট, নগাঁও ও চরাইদেও জেলা। দিখৌ ও ধানসিঁড়ি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপরে প্রবাহিত হওয়ায় কয়েকটি এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। প্রশাসন সাধারণ মানুষকে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে চলার আহ্বান জানিয়েছে। রাজ্য সরকার ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় একাধিক ত্রাণ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে। ক্ষতিগ্রস্ত যানবাহন, গবাদি পশু ও সম্পত্তির ক্ষতিপূরণের দাবি দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য বিমা সংস্থাগুলোর প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতাদের ঋণ পরিশোধে সাময়িক স্থগিতাদেশ দেওয়ার বিষয়েও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা করবে সরকার। সরকারি হিসাবে প্রায় ১৩ হাজার মানুষ ৫৪টি ত্রাণশিবিরে আশ্রয় নিয়েছে। এ ছাড়া ২৬টি ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রের মাধ্যমে কয়েক হাজার দুর্গত মানুষের কাছে সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা জানিয়েছেন, ক্ষয়ক্ষতির দ্রুত মূল্যায়ন করে পুনর্বাসন ও মেরামত কার্যক্রমে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।