আজ রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬
২৪ কার্তিক, ১৪৩৩ | ২৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮
ঢাকা
পরিষ্কার আকাশ
২৯°C
সর্বোচ্চ: ৩২°C
সর্বনিম্ন: ২৩°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ০%

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে ঐক্যের আহ্বান রিহ্যাব নেতাদের

  • MIT ERP
  • Update Time : 05:15:34 pm, Saturday, 7 November 2026
  • 37

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে ঐক্যের আহ্বান রিহ্যাব নেতাদের

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে জাতীয় ঐক্য, সংহতি ও দেশপ্রেমের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের বৃহত্তর স্বার্থে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) নেতারা।

শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর কারওয়ান বাজারে রিহ্যাব সচিবালয়ে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এ আহ্বান জানান তারা। রিহ্যাব প্রেসিডেন্ট ড. আলী আফজালের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন সংগঠনের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আবদুর রাজ্জাক, ভাইস প্রেসিডেন্ট-২ আবু খালিদ মো. বরকতউল্লাহ, ভাইস প্রেসিডেন্ট (ফিন্যান্স) ড. মো. হারুন অর রশিদ, পরিচালক গোলাম কিবরিয়া মজুমদার, প্রকৌশলী মো. মোস্তফা কামাল, মো. খাজা নজিবুল্লাহ চৌধুরী, শেখ কামাল, এম ফখরুল ইসলাম ও এ এস এম আবদুল গাফফার মিয়াজীসহ অন্যান্য পরিচালক ও নেতারা।

ড. আলী আফজাল বলেন, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিন। গণতন্ত্রকে টেকসই ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়াই ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক তাৎপর্যের অন্যতম শিক্ষা। এ দিবস জাতীয় ঐক্য, সংহতি, দেশপ্রেম ও সম্মিলিত দায়িত্ববোধের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা সমুন্নত রাখতে জাতীয় ঐক্যের চেতনা ধারণ করা জরুরি।

বিভেদ ভুলে বৃহত্তর জাতীয় স্বার্থে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। আবদুর রাজ্জাক বলেন, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের মূল শিক্ষা হলো জাতীয় ঐক্য ও সংহতির মাধ্যমে যেকোনো সংকট মোকাবেলা করা। দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য সব শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহযোগিতা ও দেশপ্রেমের চর্চা বাড়াতে হবে। আবু খালিদ মো. বরকতউল্লাহ বলেন, ৭ নভেম্বরের চেতনা জাতীয় ঐক্য, সংহতি ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে।

দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা সমুন্নত রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। দেশের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে জাতীয় ঐক্যের বিকল্প নেই। ড. মো. হারুন অর রশিদ বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করেন।

একইভাবে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দেশের মানুষ তাদের অধিকার ও গণতান্ত্রিক প্রত্যাশা প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছে। দুটি ঐতিহাসিক ঘটনার প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও জনগণের আকাঙ্ক্ষা, জাতীয় ঐক্য ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের গুরুত্ব নতুন করে সামনে এসেছে। দেশের স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির স্বার্থে জাতীয় ঐক্য বজায় রাখা এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করতে হবে।

সভায় বক্তারা দেশের সামগ্রিক অগ্রযাত্রা, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং জাতীয় স্বার্থের প্রতি দায়বদ্ধতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। রাজধানীতে আয়োজিত ‘গ্রাম পুলিশ মহাসমাবেশ ২০২৬’-এ অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে আসার পথে তীব্র গরমে অসুস্থ হয়ে দুই জন গ্রাম পুলিশ সদস্য মৃত্যুবরণ করেছেন।

একই কারণে অসুস্থ হয়ে পড়া আরো কয়েকজনকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) মহাসমাবেশে যোগ দিতে আসার সময় এ ঘটনা ঘটে। মৃত্যুবরণকারী গ্রাম পুলিশ সদস্যরা হলেন, রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার লোহানীপাড়া ইউনিয়নের মো. জমসেদ আলী (৪৭) এবং ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার চুরাইন ইউনিয়নের মো. কাইমুদ্দিন (৫৮)। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সমাবেশস্থলে আসার পথে অতিরিক্ত গরমে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাদের দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাদের মৃত ঘোষণা করেন। গরমে অসুস্থ হয়ে পড়া আরো কয়েকজন গ্রাম পুলিশ সদস্য বর্তমানে চিকিৎসাধীন। সমাবেশ শেষে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল এবং শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে যান। সেখানে তিনি চিকিৎসাধীন গ্রাম পুলিশ সদস্যদের শারীরিক অবস্থার সার্বিক খোঁজখবর নেন এবং চিকিৎসকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে আহতদের সর্বাত্মক ও সর্বোত্তম চিকিৎসাসেবা সুনিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, অসুস্থ ও আহত সদস্যদের চিকিৎসার সমুদয় ব্যয়ভার সরকার বহন করবে। একই সঙ্গে নিহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করে গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন প্রতিমন্ত্রী। সরকারের পক্ষ থেকে নিহতদের প্রত্যেকের পরিবারকে নগদ ৩ লাখ টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দেন তিনি।

এছাড়া নিহতদের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে তাদের পরিবার থেকে একজন যোগ্য সদস্যকে গ্রাম পুলিশের চাকরিতে নিয়োগ দেওয়া হবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। সরকারি খরচে নিহতদের মরদেহ নিজ নিজ বাড়িতে পৌঁছানো এবং সম্মানজনক দাফন-কাফনের সার্বিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

নামের ভুলে ১০ মাস কারাবাস: আলমাসকে অবিলম্বে মুক্তির নির্দেশ হাইকোর্টের

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে ঐক্যের আহ্বান রিহ্যাব নেতাদের

Update Time : 05:15:34 pm, Saturday, 7 November 2026

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে জাতীয় ঐক্য, সংহতি ও দেশপ্রেমের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের বৃহত্তর স্বার্থে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (রিহ্যাব) নেতারা।

শনিবার (৭ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর কারওয়ান বাজারে রিহ্যাব সচিবালয়ে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এ আহ্বান জানান তারা। রিহ্যাব প্রেসিডেন্ট ড. আলী আফজালের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য দেন সংগঠনের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট আবদুর রাজ্জাক, ভাইস প্রেসিডেন্ট-২ আবু খালিদ মো. বরকতউল্লাহ, ভাইস প্রেসিডেন্ট (ফিন্যান্স) ড. মো. হারুন অর রশিদ, পরিচালক গোলাম কিবরিয়া মজুমদার, প্রকৌশলী মো. মোস্তফা কামাল, মো. খাজা নজিবুল্লাহ চৌধুরী, শেখ কামাল, এম ফখরুল ইসলাম ও এ এস এম আবদুল গাফফার মিয়াজীসহ অন্যান্য পরিচালক ও নেতারা।

ড. আলী আফজাল বলেন, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিন। গণতন্ত্রকে টেকসই ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়াই ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক তাৎপর্যের অন্যতম শিক্ষা। এ দিবস জাতীয় ঐক্য, সংহতি, দেশপ্রেম ও সম্মিলিত দায়িত্ববোধের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা সমুন্নত রাখতে জাতীয় ঐক্যের চেতনা ধারণ করা জরুরি।

বিভেদ ভুলে বৃহত্তর জাতীয় স্বার্থে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে। আবদুর রাজ্জাক বলেন, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের মূল শিক্ষা হলো জাতীয় ঐক্য ও সংহতির মাধ্যমে যেকোনো সংকট মোকাবেলা করা। দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য সব শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহযোগিতা ও দেশপ্রেমের চর্চা বাড়াতে হবে। আবু খালিদ মো. বরকতউল্লাহ বলেন, ৭ নভেম্বরের চেতনা জাতীয় ঐক্য, সংহতি ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করে।

দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা সমুন্নত রাখতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। দেশের উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে জাতীয় ঐক্যের বিকল্প নেই। ড. মো. হারুন অর রশিদ বলেন, ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করেন।

একইভাবে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দেশের মানুষ তাদের অধিকার ও গণতান্ত্রিক প্রত্যাশা প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছে। দুটি ঐতিহাসিক ঘটনার প্রেক্ষাপট ভিন্ন হলেও জনগণের আকাঙ্ক্ষা, জাতীয় ঐক্য ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের গুরুত্ব নতুন করে সামনে এসেছে। দেশের স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির স্বার্থে জাতীয় ঐক্য বজায় রাখা এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করতে হবে।

সভায় বক্তারা দেশের সামগ্রিক অগ্রযাত্রা, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা, পারস্পরিক সহযোগিতা এবং জাতীয় স্বার্থের প্রতি দায়বদ্ধতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। রাজধানীতে আয়োজিত ‘গ্রাম পুলিশ মহাসমাবেশ ২০২৬’-এ অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে আসার পথে তীব্র গরমে অসুস্থ হয়ে দুই জন গ্রাম পুলিশ সদস্য মৃত্যুবরণ করেছেন।

একই কারণে অসুস্থ হয়ে পড়া আরো কয়েকজনকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) মহাসমাবেশে যোগ দিতে আসার সময় এ ঘটনা ঘটে। মৃত্যুবরণকারী গ্রাম পুলিশ সদস্যরা হলেন, রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার লোহানীপাড়া ইউনিয়নের মো. জমসেদ আলী (৪৭) এবং ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলার চুরাইন ইউনিয়নের মো. কাইমুদ্দিন (৫৮)। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, সমাবেশস্থলে আসার পথে অতিরিক্ত গরমে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাদের দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাদের মৃত ঘোষণা করেন। গরমে অসুস্থ হয়ে পড়া আরো কয়েকজন গ্রাম পুলিশ সদস্য বর্তমানে চিকিৎসাধীন। সমাবেশ শেষে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম রাজধানীর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল এবং শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে যান। সেখানে তিনি চিকিৎসাধীন গ্রাম পুলিশ সদস্যদের শারীরিক অবস্থার সার্বিক খোঁজখবর নেন এবং চিকিৎসকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে আহতদের সর্বাত্মক ও সর্বোত্তম চিকিৎসাসেবা সুনিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়ে প্রতিমন্ত্রী জানান, অসুস্থ ও আহত সদস্যদের চিকিৎসার সমুদয় ব্যয়ভার সরকার বহন করবে। একই সঙ্গে নিহতদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করে গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেন প্রতিমন্ত্রী। সরকারের পক্ষ থেকে নিহতদের প্রত্যেকের পরিবারকে নগদ ৩ লাখ টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দেন তিনি।

এছাড়া নিহতদের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে তাদের পরিবার থেকে একজন যোগ্য সদস্যকে গ্রাম পুলিশের চাকরিতে নিয়োগ দেওয়া হবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী। সরকারি খরচে নিহতদের মরদেহ নিজ নিজ বাড়িতে পৌঁছানো এবং সম্মানজনক দাফন-কাফনের সার্বিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।