আজ শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
১৫ কার্তিক, ১৪৩৩ | ১৯ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮
ঢাকা
আংশিক মেঘলা
২৬°C
সর্বোচ্চ: ৩২°C
সর্বনিম্ন: ২৫°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ৮১%

চট্টগ্রামে শুরু হলো দুই দিনের শিশুসাহিত্য উৎসব

  • MIT ERP
  • Update Time : 02:29:00 am, Saturday, 31 October 2026
  • 15

চট্টগ্রামে শুরু হলো দুই দিনের শিশুসাহিত্য উৎসব

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

বাংলাদেশ শিশুসাহিত্য একাডেমি আয়োজিত দুদিনব্যাপী শিশুসাহিত্য উৎসব শুরু হয়েছে চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে। এ উপলক্ষে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিশুসাহিত্যিকদের মিলনমেলা বসেছে। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকালে বেলুন উড়িয়ে উৎসবের উদ্বোধন করেন বাংলা একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত ১৫ জন কৃতী লেখক।

তারা হলেন- ড. হরিশংকর জলদাস, সুজন বড়ুয়া, ড. মারুফুল ইসলাম, রহীম শাহ, আনজীর লিটন, ড. সুরেশ রঞ্জন বসাক, রবিউল আলম, বিশ্বজিৎ চৌধুরী, ঝর্না রহমান, রফিকুর রশীদ, মুহাম্মদ শামসুল হক, ড. তপন বাগচী, জি এইচ হাবীব, ড. ফারসীম মান্নান মোহাম্মদী। বৃন্দ আবৃত্তি ও জাতীয় সংগীত দিয়ে উৎসবের সূচনা করেন উঠোন সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের শিল্পীবৃন্দ।

বক্তারা বলেছেন, শিশুসাহিত্যে এই সময়ে সৃজনশীলতার ধারাবাহিকতায় উল্লেখযোগ্য বাঁক পরিবর্তন হয়েছে। তবে শিশুসাহিত্যকে সমকালীন হতেই হবে। কারণ আজকের শিশু-কিশোররা ডিজিটাল বিপ্লব, জলবায়ু পরিবর্তন এবং দ্রুত পরিবর্তনশীল সামাজিক বাস্তবতার মধ্য দিয়ে বড় হচ্ছে। বর্তমান প্রজন্মের মানসিকতা, আবেগ এবং চারপাশের জীবনের প্রতিফলন ঘটানোই হলো সমকালীন শিশুসাহিত্যের মূল লক্ষ্য।

আজকের শিশুদের জীবনের বড় একটা অংশ জুড়ে আছে স্মার্টফোন, ইন্টারনেট, অনলাইন ক্লাস এবং এআই। শিশুসাহিত্যে এই প্রযুক্তিগুলো নেতিবাচকভাবে না দেখিয়ে, তাদের প্রাত্যহিক জীবনের অংশ হিসেবে উপস্থাপন করতে হবে। এরপর গ্রন্থসুহৃদ সম্মাননা দেওয়া হয় শিক্ষাসংগঠক মুহাম্মদ মুজিবুর রহমানকে। শিক্ষাবিদ ড. আনোয়ারা আলমের সভাপতিত্বত্বে সূচনা বক্তব্য দেন বাংলাদেশ শিশুসাহিত্য একাডেমির পরিচালক রাশেদ রউফ।

বাচিকশিল্পী আয়েশা হক শিমুর সঞ্চালনায় উৎসবে ‘কিশোরগল্প : স্বপ্নে সৃজনে আগামী দিন’ শীর্ষক আলোচনায় সভাপতিত্বত্ব করেন কবি-কথাসাহিত্যিক বিশ্বজিৎ চৌধুরী, অতিথি ছিলেন সাহিত্যিক রফিকুর রশীদ। সূচনা বক্তব্য দেন কথাসাহিত্যিক নাসের রহমান। ‘বাংলাদেশের শিশুসাহিত্যে অনুবাদ’ শীর্ষক আলোচনায় অতিথি ছিলেন শিক্ষাবিদ ড. সুরেশ রঞ্জন বসাক ও জি এইচ হাবীব।

শিশুসাহিত্যের দুই অভিযাত্রী -আখতার হুসেন ও আমীরুল ইসলাম : শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ পর্বে সভাপতিত্বত্ব করেন কবি অরুণ শীল। এতে অতিথি ছিলেন কবি-শিশুসাহিত্যিক ড. মারুফুল ইসলাম, আলোচনা করেন কবি রমজান মাহমুদ, ইমরান পরশ, নাফে নজরুল এবং পাঠে অংশ নেন সুসেন কান্তি দাশ, সুপ্রিয়া বড়ুয়া, পান্না দাশ। এরপর ‘কিশোরকবিতা: স্বপ্নে সৃজনে আগামী দিন’ শীর্ষক আলোচনায় সভাপতিত্বত্ব করেন কবি-সাহিত্যিক ওমর কায়সার, অতিথি ছিলেন শিশুসাহিত্যিক সুজন বড়ুয়া।

কিশোরকবিতা পাঠ করেন কবি কেশব জিপসী, সিতাংশু কর, আজিজ রাহমান, আবুল কালাম বেলাল, আনোয়ারুল হক নূরী, অমিত বড়ুয়া, আকাশ আহমেদ, বাসুদেব খাস্তগীর, সনজিত দে, শিবুকান্তি দাশ, ইসমাইল জসীম, কানিজ ফাতিমা, সুবর্ণা দাশ মুনমুন, প্রদ্যোত কুমার বড়ুয়া। বিকেলে ‘ছোটোদের সৃজনশীলতা’ নিয়ে কথামালায় সভাপতিত্ব করেন কবি সনজীব বড়ুয়া। আলোচক ছিলেন সাহিত্যিক ফারহানা মান্নান।

সূচনা বক্তব্য দেন লেখক এস এম আবদুল আজিজ। সুকুমার বড়ুয়া স্মারকগ্রন্থ পাঠ উন্মোচন পর্বে সভাপতিত্বত্ব করেন প্রাবন্ধিক নিজামুল ইসলাম সরফী, অতিথি ছিলেন কবি-শিশুসাহিত্যিক রহীম শাহ। আলোচক ছিলেন প্রাবন্ধিক শাকিল আহমদ, রশীদ এনাম, রঞ্জনা বড়ুয়া। আবৃত্তি করেন সৌভিক চৌধুরী ও রিনিক মুন। ‘ভবিষ্যতের ছড়া : স্বপ্নে সৃজনে’ শীর্ষক আলোচনায় সভাপতিত্বত্ব করেন শিশুসাহিত্যিক জসীম মেহবুব, অতিথি ছিলেন কবি-শিশুসাহিত্যিক আনজীর লিটন।

ছড়া পাঠে অংশ নেন কবি জাহাঙ্গীর আজাদ, জিন্নাহ চৌধুরী, অপু বড়ুয়া, তালুকদার হালিম, কাজী মোহিনী ইসলাম, সিরাজিয়া পারভেজ, আরিফ নজরুল, আল জাবিরী, গাজী আবু হানিফ, গাজী শাহিদুজ্জামান লিটন, মাসুম হাসান, সাব্বির আহমেদ সেন্টু, সাদিয়া আফরিন, লিপি বড়ুয়া, আনোয়ারুল করিম, ইকরামুল হক ইলি, হুমায়ুন আবিদ, পুষ্পিতা সেন, মাইছুরা ইশফাত, সাইফুদ্দিন সাকিব, খালেছা খানম।

সন্ধ্যায় টুইক টুইক বেড়ালছানা : পাঠ প্রতিক্রিয়া পর্বে সভাপতিত্বত্ব করেন প্রফেসর রীতা দত্ত, অতিথি ছিলেন সমাজবিজ্ঞানী ড. ওবায়দুল করিম। আলোচক ছিলেন ড. উদিতি দাশ। সূচনা বক্তব্য দেন ড. সৌরভ শাখাওয়াত। এরপর ‘লেখালেখিতে সৃজনশীলতা ও এআই’ শীর্ষক আলোচনায় সভাপতিত্বত্ব করেন কবিপ্রাবন্ধিক অভীক ওসমান। অতিথি ছিলেন শিক্ষাবিদ ড. ফারসীম মান্নান মোহাম্মদী, আলোচক ছিলেন লেখক হাসান রাউফুন।

শিশুসাহিত্যের প্রকাশনা : ছোটোদের বই হোক সবদিকে সেরা শীর্ষক আলোচনায় সভাপতিত্বত্ব করেন প্রকাশক কামরুজ্জামান কাজল। অতিথি ছিলেন কথাসাহিত্যিক মাহফুজুর রহমান। আলোচক ছিলেন শিল্পী উত্তম সেন, শিশুসাহিত্যিক মিজানুর রহমান শামীম, প্রকাশনা বিশেষজ্ঞ মাহমুদুন নাহার। ‘প্রান্তিক জনপদে শিশুসাহিত্য’ : আলোচনায় সভাপতিত্বত্ব করেন কবি-শিশুসাহিত্যিক হাসনাত আমজাদ।

অতিথি ছিলেন কবি-শিশুসাহিত্যিক প্রাবন্ধিক ড. তপন বাগচী। আলোচক ছিলেন কবি জাকির হোসেন কামাল, মাহফুল আখতার, চন্দন কৃষ্ণ পাল, আতিক রহমান, ওমর ফারুক নাজমুল, নজরুল ইসলাম শান্তু, ড. গৌরী ভট্টাচার্য, সোহেল সৌকর্য, মিনহাজ ফয়সল, আমির হামজা, জালাল খান ইউসুফী, পৃথ্বীশ চক্রবর্ত্তী, মনিরুল ইসলাম শ্রাবণ। দুই পর্বে লেখা পাঠে সভাপতিত্বত্ব করেন কবি গোফরান উদ্দীন টিটু ও সৈয়দ খালেদুল আনোয়ার।

অতিথি ছিলেন কবি-শিশুসাহিত্যিক স ম শামসুল আলম ও অচিন্ত্য সুরাল।

লেখা পাঠ করেন মাহবুবা চৌধুরী, স্বপন কুমার বড়ুয়া, তৌফিকুল ইসলাম চৌধুরী, মুহাম্মদ ইকবাল চৌধুরী, মারজিয়া খানম সিদ্দিকা, সমীরণ বড়ুয়া, সুব্রত কুমার নাথ, উজ্জ্বল সম্পু, পলাশ মুৎসুদ্দী, জেবারুত সাফিনা, কোহিনুর আকতার, শুকলা আচার্য্য, নাঈমা হক সূচি, গৌতম কানুনগো, শামসুদ্দোহা সওগাত, রফিক রিজভী, পুলক চন্দ, মলিনা মজুমদার, শওকত আলী সুজন, মুহাম্মদ শাহাদাৎ হোসেন, তানজিনা রাহী, শরণঙ্কর বড়ুয়া, মোহাম্মদ ইসমাইল, মান্নান মাহমুদ, শিউলি বড়ুয়া, মিতা পোদ্দার, বাবলী দাশ, এস টি এফ যূঁথী, মীর আমীর খান, রিপন চক্রবর্তী, সাবরিনা আফরোজা, আরহাম রহমান ফারুকী, ইকবাল হায়দার, রঞ্জন বণিক, ডা. কল্যাণ বড়ুয়া, নিবেদিতা বড়ুয়া, মানস পাল চৌধুরী, নাসিম আখতার রিনা, কামরুল আনোয়ার চৌধুরী, সৈয়দা সেলিমা আক্তার, সৈয়দা করিমুননেসা, সত্যজিৎ দাশ কাঞ্চন, নীল রতন দাশগুপ্ত, শিউলী নাথ, হেলাল চৌধুরী, শিমলী দাশ, আয়েশা পারভীন চৌধুরী, সালাম সৌরভ, তানভীর হাসান বিপ্লব, লাকী সেন, মুশফিকুর রহমান, দুলাল কান্তি চৌধুরী, বনানী শেখর রুদ্র, শবনম ফেরদৌসী, শাহীন ফেরদৌসী, পূর্বা চৌধুরী, মুহাম্মদ এনামুল হক মিঠু, নাহিদ আকতার লাকী, জেসমিন সুলতানা চৌধুরী, নাজমুল হাসান চৌধুরী হেলাল, ফাতেমা ফেরদৌস নীপা, পথিক উত্তম, সুমন মজুমদার, এনায়েত হোসেন পলাশ, জায়তুননেসা জেবু, অনামিকা বড়ুয়া, চম্পা চক্রবর্তী, মুক্তা রানী দেবী, মৌসুমী সরকার, সুস্মিতা তালুকদার মিতুল, প্রণবরাজ বড়ুয়া, সঞ্চিতা তালুকদার, নাজনীন আমান, শুভাশীষ দত্ত ভানু, রাশেদুল ইসলাম রাশেদ প্রমুখ।

শনিবার বিকেল ৪টা থাকছে ‘হই বইমুখী- হবো চিরসুখী’ : শিক্ষক-অভিভাবক সংলাপ। এরপর থাকবে বাংলাদেশ শিশুসাহিত্য একাডেমি সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান এবং নতুন বইয়ের সৌরভে : পাঠ-উন্মোচন।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

রাজধানীতে বিচারকের বাসার সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় আটক ৪

চট্টগ্রামে শুরু হলো দুই দিনের শিশুসাহিত্য উৎসব

Update Time : 02:29:00 am, Saturday, 31 October 2026

বাংলাদেশ শিশুসাহিত্য একাডেমি আয়োজিত দুদিনব্যাপী শিশুসাহিত্য উৎসব শুরু হয়েছে চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে। এ উপলক্ষে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিশুসাহিত্যিকদের মিলনমেলা বসেছে। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) সকালে বেলুন উড়িয়ে উৎসবের উদ্বোধন করেন বাংলা একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত ১৫ জন কৃতী লেখক।

তারা হলেন- ড. হরিশংকর জলদাস, সুজন বড়ুয়া, ড. মারুফুল ইসলাম, রহীম শাহ, আনজীর লিটন, ড. সুরেশ রঞ্জন বসাক, রবিউল আলম, বিশ্বজিৎ চৌধুরী, ঝর্না রহমান, রফিকুর রশীদ, মুহাম্মদ শামসুল হক, ড. তপন বাগচী, জি এইচ হাবীব, ড. ফারসীম মান্নান মোহাম্মদী। বৃন্দ আবৃত্তি ও জাতীয় সংগীত দিয়ে উৎসবের সূচনা করেন উঠোন সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের শিল্পীবৃন্দ।

বক্তারা বলেছেন, শিশুসাহিত্যে এই সময়ে সৃজনশীলতার ধারাবাহিকতায় উল্লেখযোগ্য বাঁক পরিবর্তন হয়েছে। তবে শিশুসাহিত্যকে সমকালীন হতেই হবে। কারণ আজকের শিশু-কিশোররা ডিজিটাল বিপ্লব, জলবায়ু পরিবর্তন এবং দ্রুত পরিবর্তনশীল সামাজিক বাস্তবতার মধ্য দিয়ে বড় হচ্ছে। বর্তমান প্রজন্মের মানসিকতা, আবেগ এবং চারপাশের জীবনের প্রতিফলন ঘটানোই হলো সমকালীন শিশুসাহিত্যের মূল লক্ষ্য।

আজকের শিশুদের জীবনের বড় একটা অংশ জুড়ে আছে স্মার্টফোন, ইন্টারনেট, অনলাইন ক্লাস এবং এআই। শিশুসাহিত্যে এই প্রযুক্তিগুলো নেতিবাচকভাবে না দেখিয়ে, তাদের প্রাত্যহিক জীবনের অংশ হিসেবে উপস্থাপন করতে হবে। এরপর গ্রন্থসুহৃদ সম্মাননা দেওয়া হয় শিক্ষাসংগঠক মুহাম্মদ মুজিবুর রহমানকে। শিক্ষাবিদ ড. আনোয়ারা আলমের সভাপতিত্বত্বে সূচনা বক্তব্য দেন বাংলাদেশ শিশুসাহিত্য একাডেমির পরিচালক রাশেদ রউফ।

বাচিকশিল্পী আয়েশা হক শিমুর সঞ্চালনায় উৎসবে ‘কিশোরগল্প : স্বপ্নে সৃজনে আগামী দিন’ শীর্ষক আলোচনায় সভাপতিত্বত্ব করেন কবি-কথাসাহিত্যিক বিশ্বজিৎ চৌধুরী, অতিথি ছিলেন সাহিত্যিক রফিকুর রশীদ। সূচনা বক্তব্য দেন কথাসাহিত্যিক নাসের রহমান। ‘বাংলাদেশের শিশুসাহিত্যে অনুবাদ’ শীর্ষক আলোচনায় অতিথি ছিলেন শিক্ষাবিদ ড. সুরেশ রঞ্জন বসাক ও জি এইচ হাবীব।

শিশুসাহিত্যের দুই অভিযাত্রী -আখতার হুসেন ও আমীরুল ইসলাম : শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ পর্বে সভাপতিত্বত্ব করেন কবি অরুণ শীল। এতে অতিথি ছিলেন কবি-শিশুসাহিত্যিক ড. মারুফুল ইসলাম, আলোচনা করেন কবি রমজান মাহমুদ, ইমরান পরশ, নাফে নজরুল এবং পাঠে অংশ নেন সুসেন কান্তি দাশ, সুপ্রিয়া বড়ুয়া, পান্না দাশ। এরপর ‘কিশোরকবিতা: স্বপ্নে সৃজনে আগামী দিন’ শীর্ষক আলোচনায় সভাপতিত্বত্ব করেন কবি-সাহিত্যিক ওমর কায়সার, অতিথি ছিলেন শিশুসাহিত্যিক সুজন বড়ুয়া।

কিশোরকবিতা পাঠ করেন কবি কেশব জিপসী, সিতাংশু কর, আজিজ রাহমান, আবুল কালাম বেলাল, আনোয়ারুল হক নূরী, অমিত বড়ুয়া, আকাশ আহমেদ, বাসুদেব খাস্তগীর, সনজিত দে, শিবুকান্তি দাশ, ইসমাইল জসীম, কানিজ ফাতিমা, সুবর্ণা দাশ মুনমুন, প্রদ্যোত কুমার বড়ুয়া। বিকেলে ‘ছোটোদের সৃজনশীলতা’ নিয়ে কথামালায় সভাপতিত্ব করেন কবি সনজীব বড়ুয়া। আলোচক ছিলেন সাহিত্যিক ফারহানা মান্নান।

সূচনা বক্তব্য দেন লেখক এস এম আবদুল আজিজ। সুকুমার বড়ুয়া স্মারকগ্রন্থ পাঠ উন্মোচন পর্বে সভাপতিত্বত্ব করেন প্রাবন্ধিক নিজামুল ইসলাম সরফী, অতিথি ছিলেন কবি-শিশুসাহিত্যিক রহীম শাহ। আলোচক ছিলেন প্রাবন্ধিক শাকিল আহমদ, রশীদ এনাম, রঞ্জনা বড়ুয়া। আবৃত্তি করেন সৌভিক চৌধুরী ও রিনিক মুন। ‘ভবিষ্যতের ছড়া : স্বপ্নে সৃজনে’ শীর্ষক আলোচনায় সভাপতিত্বত্ব করেন শিশুসাহিত্যিক জসীম মেহবুব, অতিথি ছিলেন কবি-শিশুসাহিত্যিক আনজীর লিটন।

ছড়া পাঠে অংশ নেন কবি জাহাঙ্গীর আজাদ, জিন্নাহ চৌধুরী, অপু বড়ুয়া, তালুকদার হালিম, কাজী মোহিনী ইসলাম, সিরাজিয়া পারভেজ, আরিফ নজরুল, আল জাবিরী, গাজী আবু হানিফ, গাজী শাহিদুজ্জামান লিটন, মাসুম হাসান, সাব্বির আহমেদ সেন্টু, সাদিয়া আফরিন, লিপি বড়ুয়া, আনোয়ারুল করিম, ইকরামুল হক ইলি, হুমায়ুন আবিদ, পুষ্পিতা সেন, মাইছুরা ইশফাত, সাইফুদ্দিন সাকিব, খালেছা খানম।

সন্ধ্যায় টুইক টুইক বেড়ালছানা : পাঠ প্রতিক্রিয়া পর্বে সভাপতিত্বত্ব করেন প্রফেসর রীতা দত্ত, অতিথি ছিলেন সমাজবিজ্ঞানী ড. ওবায়দুল করিম। আলোচক ছিলেন ড. উদিতি দাশ। সূচনা বক্তব্য দেন ড. সৌরভ শাখাওয়াত। এরপর ‘লেখালেখিতে সৃজনশীলতা ও এআই’ শীর্ষক আলোচনায় সভাপতিত্বত্ব করেন কবিপ্রাবন্ধিক অভীক ওসমান। অতিথি ছিলেন শিক্ষাবিদ ড. ফারসীম মান্নান মোহাম্মদী, আলোচক ছিলেন লেখক হাসান রাউফুন।

শিশুসাহিত্যের প্রকাশনা : ছোটোদের বই হোক সবদিকে সেরা শীর্ষক আলোচনায় সভাপতিত্বত্ব করেন প্রকাশক কামরুজ্জামান কাজল। অতিথি ছিলেন কথাসাহিত্যিক মাহফুজুর রহমান। আলোচক ছিলেন শিল্পী উত্তম সেন, শিশুসাহিত্যিক মিজানুর রহমান শামীম, প্রকাশনা বিশেষজ্ঞ মাহমুদুন নাহার। ‘প্রান্তিক জনপদে শিশুসাহিত্য’ : আলোচনায় সভাপতিত্বত্ব করেন কবি-শিশুসাহিত্যিক হাসনাত আমজাদ।

অতিথি ছিলেন কবি-শিশুসাহিত্যিক প্রাবন্ধিক ড. তপন বাগচী। আলোচক ছিলেন কবি জাকির হোসেন কামাল, মাহফুল আখতার, চন্দন কৃষ্ণ পাল, আতিক রহমান, ওমর ফারুক নাজমুল, নজরুল ইসলাম শান্তু, ড. গৌরী ভট্টাচার্য, সোহেল সৌকর্য, মিনহাজ ফয়সল, আমির হামজা, জালাল খান ইউসুফী, পৃথ্বীশ চক্রবর্ত্তী, মনিরুল ইসলাম শ্রাবণ। দুই পর্বে লেখা পাঠে সভাপতিত্বত্ব করেন কবি গোফরান উদ্দীন টিটু ও সৈয়দ খালেদুল আনোয়ার।

অতিথি ছিলেন কবি-শিশুসাহিত্যিক স ম শামসুল আলম ও অচিন্ত্য সুরাল।

লেখা পাঠ করেন মাহবুবা চৌধুরী, স্বপন কুমার বড়ুয়া, তৌফিকুল ইসলাম চৌধুরী, মুহাম্মদ ইকবাল চৌধুরী, মারজিয়া খানম সিদ্দিকা, সমীরণ বড়ুয়া, সুব্রত কুমার নাথ, উজ্জ্বল সম্পু, পলাশ মুৎসুদ্দী, জেবারুত সাফিনা, কোহিনুর আকতার, শুকলা আচার্য্য, নাঈমা হক সূচি, গৌতম কানুনগো, শামসুদ্দোহা সওগাত, রফিক রিজভী, পুলক চন্দ, মলিনা মজুমদার, শওকত আলী সুজন, মুহাম্মদ শাহাদাৎ হোসেন, তানজিনা রাহী, শরণঙ্কর বড়ুয়া, মোহাম্মদ ইসমাইল, মান্নান মাহমুদ, শিউলি বড়ুয়া, মিতা পোদ্দার, বাবলী দাশ, এস টি এফ যূঁথী, মীর আমীর খান, রিপন চক্রবর্তী, সাবরিনা আফরোজা, আরহাম রহমান ফারুকী, ইকবাল হায়দার, রঞ্জন বণিক, ডা. কল্যাণ বড়ুয়া, নিবেদিতা বড়ুয়া, মানস পাল চৌধুরী, নাসিম আখতার রিনা, কামরুল আনোয়ার চৌধুরী, সৈয়দা সেলিমা আক্তার, সৈয়দা করিমুননেসা, সত্যজিৎ দাশ কাঞ্চন, নীল রতন দাশগুপ্ত, শিউলী নাথ, হেলাল চৌধুরী, শিমলী দাশ, আয়েশা পারভীন চৌধুরী, সালাম সৌরভ, তানভীর হাসান বিপ্লব, লাকী সেন, মুশফিকুর রহমান, দুলাল কান্তি চৌধুরী, বনানী শেখর রুদ্র, শবনম ফেরদৌসী, শাহীন ফেরদৌসী, পূর্বা চৌধুরী, মুহাম্মদ এনামুল হক মিঠু, নাহিদ আকতার লাকী, জেসমিন সুলতানা চৌধুরী, নাজমুল হাসান চৌধুরী হেলাল, ফাতেমা ফেরদৌস নীপা, পথিক উত্তম, সুমন মজুমদার, এনায়েত হোসেন পলাশ, জায়তুননেসা জেবু, অনামিকা বড়ুয়া, চম্পা চক্রবর্তী, মুক্তা রানী দেবী, মৌসুমী সরকার, সুস্মিতা তালুকদার মিতুল, প্রণবরাজ বড়ুয়া, সঞ্চিতা তালুকদার, নাজনীন আমান, শুভাশীষ দত্ত ভানু, রাশেদুল ইসলাম রাশেদ প্রমুখ।

শনিবার বিকেল ৪টা থাকছে ‘হই বইমুখী- হবো চিরসুখী’ : শিক্ষক-অভিভাবক সংলাপ। এরপর থাকবে বাংলাদেশ শিশুসাহিত্য একাডেমি সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান এবং নতুন বইয়ের সৌরভে : পাঠ-উন্মোচন।