একদিকে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আয়োজন, অন্যদিকে অতীতের রক্তাক্ত ঘটনার বিচারের দাবি। দলীয় পতাকা উত্তোলন, শ্রদ্ধা নিবেদন ও দোয়া মাহফিলের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করেছে জাতীয়তাবাদী যুবদল।
অন্যদিকে, ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরের পল্টন ট্র্যাজেডির বিচার ও দায়ীদের শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। বুধবার (২৮ অক্টোবর) পৃথক কর্মসূচিতে দুই দলের নেতাকর্মীরা আক্কেলপুর শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় অংশ নেন। যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বুধবার আক্কেলপুর উপজেলা বিএনপির কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।
পরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতিকৃতিতে মাল্যদান, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচিতে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি কামরুজ্জামান কমল, সাধারণ সম্পাদক আরিফ ইফতেখার রানা, সাবেক মেয়র ও সবেক সভাপতি আলমগীর চৌধুরী বাদশা, পৌর বিএনপির সভাপতি আফাজ উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম পল্টু, বিএনপি নেতা আমিনুর রশিদ ইকু, সাবেক প্যানেল মেয়র রফিকুল ইসলাম চপল, মাজেদ ও জেলা যুবদলের আহবায়ক কমিটি সদস্য, ওয়ালিউল্লাহ খান রতন, শাকিল হোসেন রবিন, মাহমুদুল রহমান রিপন, মামুন চৌধুরী, দোলন প্রামাণিক, রবিন সহ বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
অন্যদিকে, ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর রাজধানীর পল্টনে সংঘটিত সহিংস ঘটনার বিচার ও দায়ীদের শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করে আক্কেলপুর উপজেলা জামায়াতে ইসলামী। বিকেল ৪টায় পরে মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন জয়পুরহাট জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মামুনুর রশীদ, জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি এস এম রাশেদুল আলম সবুজ, আক্কেলপুর উপজেলা জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমির মাওলানা মোস্তাফিজুর রহমান, প্রচার সেক্রেটারি সাখাওয়াত হোসেন সুইট, বায়তুলমাল সেক্রেটারি হাবিবুর রহমান, পৌর জামায়াতের আমির জাকারিয়া হোসেন এবং পৌর সেক্রেটারি ও জামায়াত মনোনীত মেয়র প্রার্থী মো. রিপন হোসেনসহ স্থানীয় নেতারা।
উল্লেখ্য, ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরের ঘটনা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ‘লগি-বৈঠার আন্দোলন’ ও ‘পল্টন ট্র্যাজেডি’ নামে পরিচিত। ঘটনাটি নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের বক্তব্য, ব্যাখ্যা ও মূল্যায়নে ভিন্নতা রয়েছে। জামায়াতের কর্মসূচিতে ওই দিনের স্মৃতি ও বিচারের দাবি প্রাধান্য পায়। অন্যদিকে, যুবদলের কর্মসূচিতে গুরুত্ব পায় দলটির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন।
























