আজ মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
১১ কার্তিক, ১৪৩৩ | ১৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮
ঢাকা
আংশিক মেঘলা
২৮°C
সর্বোচ্চ: ৩৭°C
সর্বনিম্ন: ২৮°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ২৫%

ফ্রান্সে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ অব্যাহত, ৫ নভেম্বর দেশজুড়ে ধর্মঘটের ডাক

  • MIT ERP
  • Update Time : 05:02:17 am, Tuesday, 27 October 2026
  • 16

ফ্রান্সে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ অব্যাহত, ৫ নভেম্বর দেশজুড়ে ধর্মঘটের ডাক

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

ফ্রান্সে সরকারবিরোধী আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে। এর মধ্যেই আগামী ৩১ অক্টোবর আবারও রাজপথে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দিয়েছেন শ্রমিক নেতারা। একই সাথে আগামী ৫ নভেম্বর সারা দেশে শিক্ষার্থী ও শ্রমিকদের সমন্বয়ে ধর্মঘট পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

চলমান আন্দোলন ঘিরে রাজধানী প্যারিসসহ বিভিন্ন শহরে উত্তেজনা বিরাজ করছে। চলছে ধরপাকড়ও। সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকায় পরিস্থিতি মোকাবিলায় চাপে পড়তে পারেন প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। সর্বশেষ বিক্ষোভে ফ্রান্সজুড়ে কয়েক লাখ মানুষ অংশ নেন। বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষের ঘটনায় ১ হাজার ৩১৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আহত হয়েছেন অন্তত অর্ধশত পুলিশ সদস্য। অধিকাংশ এলাকায় বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ থাকলেও প্যারিসসহ কয়েকটি শহরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করে পুলিশ। মার্সেইয়ের বিভিন্ন স্থানে ব্যারিকেডে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। সংঘর্ষের পর কয়েকটি এলাকায় ধ্বংসস্তূপ ও ক্ষয়ক্ষতির চিহ্ন দেখা যায়। বেতন, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং সরকারি পরিষেবার মান নিয়ে অসন্তোষ থেকে এই আন্দোলনের সূত্রপাত। শুরুতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সীমাবদ্ধতা থাকলেও পরে এতে শ্রমিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ যোগ দেন। ক্রমেই আন্দোলন সরকারবিরোধী বৃহত্তর প্রতিবাদে রূপ নিয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

ফ্রান্সে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ অব্যাহত, ৫ নভেম্বর দেশজুড়ে ধর্মঘটের ডাক

Update Time : 05:02:17 am, Tuesday, 27 October 2026

ফ্রান্সে সরকারবিরোধী আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে। এর মধ্যেই আগামী ৩১ অক্টোবর আবারও রাজপথে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দিয়েছেন শ্রমিক নেতারা। একই সাথে আগামী ৫ নভেম্বর সারা দেশে শিক্ষার্থী ও শ্রমিকদের সমন্বয়ে ধর্মঘট পালনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

চলমান আন্দোলন ঘিরে রাজধানী প্যারিসসহ বিভিন্ন শহরে উত্তেজনা বিরাজ করছে। চলছে ধরপাকড়ও। সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকায় পরিস্থিতি মোকাবিলায় চাপে পড়তে পারেন প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। সর্বশেষ বিক্ষোভে ফ্রান্সজুড়ে কয়েক লাখ মানুষ অংশ নেন। বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষের ঘটনায় ১ হাজার ৩১৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আহত হয়েছেন অন্তত অর্ধশত পুলিশ সদস্য। অধিকাংশ এলাকায় বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ থাকলেও প্যারিসসহ কয়েকটি শহরে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করে পুলিশ। মার্সেইয়ের বিভিন্ন স্থানে ব্যারিকেডে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। সংঘর্ষের পর কয়েকটি এলাকায় ধ্বংসস্তূপ ও ক্ষয়ক্ষতির চিহ্ন দেখা যায়। বেতন, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং সরকারি পরিষেবার মান নিয়ে অসন্তোষ থেকে এই আন্দোলনের সূত্রপাত। শুরুতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সীমাবদ্ধতা থাকলেও পরে এতে শ্রমিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ যোগ দেন। ক্রমেই আন্দোলন সরকারবিরোধী বৃহত্তর প্রতিবাদে রূপ নিয়েছে।