গাজীপুরের শ্রীপুরে ১২০ পিস ইয়াবাসহ তিনজনকে আটক করে পুলিশে দিয়েছেন স্থানীয় লোকজন। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক উত্তর বিভাগের একজন কনস্টেবল রয়েছেন। পরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করে তাঁদের আদালতে পাঠিয়েছে শ্রীপুর থানা-পুলিশ।
গতকাল শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শ্রীপুর পৌরসভার কেওয়া পূর্বখণ্ড এলাকার একটি বাড়ি থেকে তাঁদের আটক করা হয়। স্থানীয় লোকজন তাঁদের আটকে রেখে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁদের হেফাজতে নেয়। আজ শনিবার দুপুরে তাঁদের আদালতে পাঠানো হয় বলে জানিয়েছেন শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুর আলম।
আটক ব্যক্তিরা হলেন গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক উত্তর বিভাগে কর্মরত কনস্টেবল সরোয়ার মুর্শেদ (৩৮), মো. সবুজ (৩২) ও মো. জাহাঙ্গীর আলম (৩৬)। স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ, জাহাঙ্গীর আলম প্রায় এক মাস ধরে কেওয়া পূর্বখণ্ড গ্রামের মোশাররফ হোসেনের বাড়িতে একটি কক্ষ ভাড়া নিয়ে থাকছিলেন। ওই বাড়ি থেকে তিনি ইয়াবাসহ বিভিন্ন নেশাজাতীয় দ্রব্যের ব্যবসা পরিচালনা করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
বিষয়টি স্থানীয় লোকজনের নজরে এলে তাঁরা খোঁজখবর নিতে শুরু করেন। একপর্যায়ে শুক্রবার রাতে ইয়াবা সেবন ও সরবরাহের তথ্য পেয়ে তাঁরা একত্র হয়ে ওই বাড়িতে গিয়ে তিনজনকে আটক করেন। পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। স্থানীয় আবুল কালাম বলেন, প্রায় এক মাস ধরে জাহাঙ্গীর আলম ওই বাড়িতে অবস্থান করে নেশাজাতীয় দ্রব্যের ব্যবসা করছেন বলে স্থানীয় লোকজনের মধ্যে আলোচনা চলছিল।
শুক্রবার রাতে ইয়াবা সেবন ও সরবরাহের তথ্য পেয়ে তাঁরা একত্র হন। পরে ওই বাড়িতে তিনজনকে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেন। এরপর তাঁরা জানতে পারেন, আটক ব্যক্তিদের একজন পুলিশের কনস্টেবল। শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীনুর আলম রূপালী বাংলাদেশকে বলেন, এ ঘটনায় শ্রীপুর থানায় মামলা হয়েছে। মামলার আসামিদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
আটক কনস্টেবলের বিষয়ে জানতে চাইলে ওসি বলেন, তাঁর কাছ থেকে কোনো ইয়াবা উদ্ধার করা হয়নি। তিনি অন্যদের সঙ্গে ছিলেন। এ কারণে তাঁকে মামলায় সহযোগী আসামি করা হয়েছে।






















