আজ বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
৬ কার্তিক, ১৪৩৩ | ১০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮
ঢাকা
পরিষ্কার আকাশ
২৬°C
সর্বোচ্চ: ৩৫°C
সর্বনিম্ন: ২৬°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ০%

তিন বছর ধরে মানসিক অস্থিরতা কাজ করছিল চিত্রনায়িকা মৌসুমীর

  • MIT ERP
  • Update Time : 04:40:52 am, Thursday, 22 October 2026
  • 11

তিন বছর ধরে মানসিক অস্থিরতা কাজ করছিল চিত্রনায়িকা মৌসুমীর

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

দীর্ঘ তিন দশক ধরে অভিনয় দিয়ে দেশের কোটি দর্শকের হৃদয়ে রাজত্ব করছেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী। নব্বইয়ের দশকে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ দিয়ে শুরু করে আজ পর্যন্ত বাংলা চলচ্চিত্রের এই ‘প্রিয়দর্শিনী’র জনপ্রিয়তা এতটুকুও কমেনি।

রুপালি পর্দার এই রাজকন্যা এবার বাস্তব জীবনের এক দীর্ঘ অপেক্ষার পালা শেষ করলেন সুদূর প্রবাসে। তিন বছর প্রতীক্ষার পর অবশেষে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতিপত্র পেয়েছেন তিনি। সম্প্রতি এই সুখবরটি ভাগ করে নিয়েছেন নায়িকা নিজেই। ২০২৩ সালের মাঝামাঝি সময়ে দেশ ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান মৌসুমী। তবে কোনো জাঁকজমক বা বিলাসী জীবন নয়, বরং একাধারে মাতৃত্ব ও কন্যাসন্তানের দায়িত্ব পালন করতেই ছিল তার এই প্রবাস যাপন।

যুক্তরাষ্ট্রে তার একমাত্র মেয়ে ফাইজার পড়াশোনার দেখভাল করার পাশাপাশি সেখানে চিকিৎসাধীন তার অসুস্থ মায়ের সেবা ও সম্পূর্ণ দেখাশোনা করছেন এই অভিনেত্রী। গত তিন বছর ধরে মা আর মেয়ের মাঝেই কেটেছে তার প্রবাস জীবনের পুরোটা সময়। গ্রিন কার্ড পাওয়ার পর নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে এই জনপ্রিয় অভিনেত্রী জানান, দীর্ঘ সময়ের এই অপেক্ষার পালা শেষ হওয়া তার জন্য অত্যন্ত স্বস্তিদায়ক ছিল।

গ্রিন কার্ড পাওয়ার পর মৌসুমী বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে আসার পর থেকে গত তিন বছর ধরে একটা মানসিক অস্থিরতা কাজ করছিল। আইনি প্রক্রিয়ার কারণে দেশে আসা-যাওয়ার ক্ষেত্রে কিছু সীমাবদ্ধতা ছিল। মা ও মেয়ের পাশে থাকাটা যেমন জরুরি ছিল, তেমনি নিজের জন্মভূমি আর প্রিয় ভক্তদের সঙ্গে দূরত্বটাও আমাকে পোড়াত। অবশেষে গ্রিন কার্ড পাওয়ায় সেই আইনি বাধাগুলো কেটে গেল।

এখন থেকে আমি নিয়মিত দেশে যাতায়াত করতে পারব। এই অনুভূতি আসলেই অন্যরকম আনন্দের। ’ গ্রিন কার্ডের আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়ায় গত কয়েক বছর ধরে মৌসুমীর বাংলাদেশে আসা-যাওয়ার ক্ষেত্রে বেশ কিছু নিয়মতান্ত্রিক জটিলতা ও সীমাবদ্ধতা ছিল। চাইলেই হুট করে দেশে নিজের আত্মীয়-স্বজন বা চলচ্চিত্র অঙ্গনে ফিরতে পারতেন না তিনি। তবে এই স্থায়ী অনুমতি মেলায় তার ভক্তদের মাঝেও বইছে আনন্দের বন্যা।

খুব শিগগিরই কিছু দিনের জন্য দেশে আসবেন বলে জানিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে থাকলেও অভিনয় জগৎ থেকে কিন্তু নিজেকে পুরোপুরি গুটিয়ে নেননি মৌসুমী। সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তার রক্তে। কিছুদিন আগেই তিনি মার্কিন মুলুকেই নতুন একটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। ‘আ বিউটিফুল লাই’ নামের একটি থ্রিলারধর্মী রোড ট্রিপের গল্পে নতুন রূপে দেখা যাবে তাকে।

শিগগিরই এটি মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

জয়পুরহাটে থানায় ঢুকে তিন পুলিশ সদস্যকে পেটানোর অভিযোগ, আটক ১

তিন বছর ধরে মানসিক অস্থিরতা কাজ করছিল চিত্রনায়িকা মৌসুমীর

Update Time : 04:40:52 am, Thursday, 22 October 2026

দীর্ঘ তিন দশক ধরে অভিনয় দিয়ে দেশের কোটি দর্শকের হৃদয়ে রাজত্ব করছেন চিত্রনায়িকা মৌসুমী। নব্বইয়ের দশকে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ দিয়ে শুরু করে আজ পর্যন্ত বাংলা চলচ্চিত্রের এই ‘প্রিয়দর্শিনী’র জনপ্রিয়তা এতটুকুও কমেনি।

রুপালি পর্দার এই রাজকন্যা এবার বাস্তব জীবনের এক দীর্ঘ অপেক্ষার পালা শেষ করলেন সুদূর প্রবাসে। তিন বছর প্রতীক্ষার পর অবশেষে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতিপত্র পেয়েছেন তিনি। সম্প্রতি এই সুখবরটি ভাগ করে নিয়েছেন নায়িকা নিজেই। ২০২৩ সালের মাঝামাঝি সময়ে দেশ ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমান মৌসুমী। তবে কোনো জাঁকজমক বা বিলাসী জীবন নয়, বরং একাধারে মাতৃত্ব ও কন্যাসন্তানের দায়িত্ব পালন করতেই ছিল তার এই প্রবাস যাপন।

যুক্তরাষ্ট্রে তার একমাত্র মেয়ে ফাইজার পড়াশোনার দেখভাল করার পাশাপাশি সেখানে চিকিৎসাধীন তার অসুস্থ মায়ের সেবা ও সম্পূর্ণ দেখাশোনা করছেন এই অভিনেত্রী। গত তিন বছর ধরে মা আর মেয়ের মাঝেই কেটেছে তার প্রবাস জীবনের পুরোটা সময়। গ্রিন কার্ড পাওয়ার পর নিজের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে এই জনপ্রিয় অভিনেত্রী জানান, দীর্ঘ সময়ের এই অপেক্ষার পালা শেষ হওয়া তার জন্য অত্যন্ত স্বস্তিদায়ক ছিল।

গ্রিন কার্ড পাওয়ার পর মৌসুমী বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে আসার পর থেকে গত তিন বছর ধরে একটা মানসিক অস্থিরতা কাজ করছিল। আইনি প্রক্রিয়ার কারণে দেশে আসা-যাওয়ার ক্ষেত্রে কিছু সীমাবদ্ধতা ছিল। মা ও মেয়ের পাশে থাকাটা যেমন জরুরি ছিল, তেমনি নিজের জন্মভূমি আর প্রিয় ভক্তদের সঙ্গে দূরত্বটাও আমাকে পোড়াত। অবশেষে গ্রিন কার্ড পাওয়ায় সেই আইনি বাধাগুলো কেটে গেল।

এখন থেকে আমি নিয়মিত দেশে যাতায়াত করতে পারব। এই অনুভূতি আসলেই অন্যরকম আনন্দের। ’ গ্রিন কার্ডের আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়ায় গত কয়েক বছর ধরে মৌসুমীর বাংলাদেশে আসা-যাওয়ার ক্ষেত্রে বেশ কিছু নিয়মতান্ত্রিক জটিলতা ও সীমাবদ্ধতা ছিল। চাইলেই হুট করে দেশে নিজের আত্মীয়-স্বজন বা চলচ্চিত্র অঙ্গনে ফিরতে পারতেন না তিনি। তবে এই স্থায়ী অনুমতি মেলায় তার ভক্তদের মাঝেও বইছে আনন্দের বন্যা।

খুব শিগগিরই কিছু দিনের জন্য দেশে আসবেন বলে জানিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে থাকলেও অভিনয় জগৎ থেকে কিন্তু নিজেকে পুরোপুরি গুটিয়ে নেননি মৌসুমী। সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তার রক্তে। কিছুদিন আগেই তিনি মার্কিন মুলুকেই নতুন একটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। ‘আ বিউটিফুল লাই’ নামের একটি থ্রিলারধর্মী রোড ট্রিপের গল্পে নতুন রূপে দেখা যাবে তাকে।

শিগগিরই এটি মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।