চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ও মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক গাজী মোহাম্মদ সিরাজ উল্লাহ মন্তব্য করেছেন যে, গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে মৌলবাদী ও ফ্যাসিস্ট শক্তির বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা ভোট দিয়ে বিএনপিকে বিজয়ী করতে ভূমিকা রেখেছেন।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার বড়লিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন এবং সনাতনী পরিবারের সদস্যদের মধ্যে শাড়ি ও লুঙ্গি বিতরণকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। গাজী মোহাম্মদ সিরাজ উল্লাহ বলেন, ধর্ম আলাদা হলেও আমরা সবাই একই দেশের নাগরিক। ধর্ম-বর্ণের ভেদাভেদ ভুলে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও সম্প্রীতির মধ্য দিয়ে সবাইকে একসঙ্গে বসবাস করতে হবে।
বাংলাদেশ সবার দেশ। এ দেশে সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার ও মর্যাদা নিশ্চিত করা জরুরি। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন সুদৃঢ় করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজা শুধু সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। উৎসবের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে।
এবারের দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদ্‌যাপিত হওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি ভবিষ্যতেও এ ধরনের সম্প্রীতিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে নির্বাচনে বিএনপিকে সমর্থন ও ভোট দিয়ে বিজয়ী করায় সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপি যাকে প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেবে, তাকে বিজয়ী করতে সবার প্রতি আহ্বান জানান গাজী সিরাজ উল্লাহ।
এদিন রাতে তিনি পটিয়া উপজেলার বড়লিয়া, বাড়ৈকাড়া ও কর্তালাসহ বিভিন্ন এলাকার পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন। এ সময় তার ব্যক্তিগত উদ্যোগে সনাতনী পরিবারের সদস্যদের মধ্যে শাড়ি ও লুঙ্গি উপহার হিসেবে বিতরণ করা হয়।
পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন পটিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও বড়লিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি এবং সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোহাম্মদ আবুল বশর সওদাগর, ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি হাজী আবদুল শুক্কুর, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম চৌধুরী ও বশির আহমেদ, বিএনপি নেতা মোহাম্মদ খোকসহ বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।





















