শিক্ষা কার্যক্রম শুরুর ২ বছরেও স্থায়ী ক্যাম্পাস পায়নি সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। ফলে আটটি আলাদা আলাদা স্থানে ভাড়া বাসায় চলছে বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ক্লাসরুমের সংকটসহ নানা কারণে মানসম্মত শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন তারা। উপাচার্য জানিয়েছেন, স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
২০২৪ সালের ৩ নভেম্বর, শান্তিগঞ্জ উপজেলায় ১২৮ জন শিক্ষার্থী নিয়ে অস্থায়ী ক্যাম্পাসে শুরু হয় সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম। বর্তমানে এর চারটি বিভাগে শিক্ষার্থী ৪৮০ জন। তবে ২ বছরেও স্থায়ী ক্যাম্পাস পাননি শিক্ষার্থীরা।
বর্তমানে ক্লাস, শিক্ষার্থীদের হলসহ আটটি অস্থায়ী ভবনে চলছে বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ভাড়া বাসায় ক্লাসরুমের সংকট, আধুনিক ল্যাব, লাইব্রেরি, এবং গবেষণার প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি রাখা যাচ্ছে না। ফলে ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম।
তারওপর কয়েকটি স্থানের ভাড়া বাড়িয়েছেন মালিক, আবার কয়েকটি স্থান ছেড়ে দিতে বলা হয়েছে। ফলে তৈরি হয়েছে নতুন জটিলতা। উপাচার্য জানিয়েছেন, জমি অধিগ্রহণসহ স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।
সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. জাকির হোসেন বলেন, ভাড়া বাড়িতে সবকিছু যথাযথভাবে করা সম্ভব হয় না। আমার বিশ্বাস স্থায়ী ক্যাম্পাসে যেতে যা করা দরকার, সরকার তা করবে।
দ্রুত স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণ করে শিক্ষার উপযোগী পরিবেশ তৈরির দাবি শিক্ষার্থীদের।





















