আজ রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
২ কার্তিক, ১৪৩৩ | ০৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮
ঢাকা
পরিষ্কার আকাশ
২৭°C
সর্বোচ্চ: ৩৫°C
সর্বনিম্ন: ২৬°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ০%

গাজীপুরের সাবেক পিআইও ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে দেড় কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের দুদক মামলা

  • MIT ERP
  • Update Time : 01:07:56 am, Sunday, 18 October 2026
  • 10

গাজীপুরের সাবেক পিআইও ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে দেড় কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের দুদক মামলা

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

ময়মনসিংহ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নির্দেশে গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলার সাবেক প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) এসএম ওমর আলী এবং তার স্ত্রী হোসনে আরা বেগমের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মামলায় সাবেক পিআইও এসএম ওমর আলীর বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বর্হিভুত ৪০ লাখ ১০ হাজার ২৩০ টাকা অর্জন ও তার স্ত্রী হোসনে আরার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বর্হিভুত ১ কেটি ৬ লাখ ৮৮ হাজার ৫০৯ টাকা সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়। মোট জ্ঞাত আয় বহির্ভুত সম্পত্তি ১ কোটি ৪৭ লাখ ৮৭৩৯ টাকা। শনিবার (১৭ অক্টোবর) ময়মনসিংহ দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলা দুটি নথিভুক্ত করেন ময়মনসিংহ দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. বুলু মিয়া।

এর আগে ১৩ অক্টোবর মামলার আবেদন করেন ময়মনসিংহ বিভাগীয় দুর্নীতি দমন কমিশন কার্যালয়ের উপ-সহপরিচালক ইব্রাহিম খলিল। অভিযুক্ত এসএম ওমর আলী (৭৩) সাবেক পিআইও গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলা পরিষদ। তিনি ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলার মৃত আহাম্মদ আলীর ছেলে। তিনি বর্তমানে ডাকার বসুন্দরা আবাসিক এলাকায় বসবাস করছেন। অপর আসামি তার স্ত্রী হোসনে আরা (৫৯), তিনি মৃত আব্দুর রহমান মেয়ে।

আসামি এসএম ওমর আলীর ২০১৯-২০২০ করবর্ষ পর্যন্ত আয়কর নথি অনুযায়ী স্থাবর সম্পদ ১ কোটি ৮৪ লাখ ৮৩ হাজার ৭৪৭ টাকা ও অস্থাবর সম্পদ ২৫ লাখ ৬১ হাজার ১৫০ টাকা বাবদ মোট ২ কেটি ১০ লাখ ৪৪ হাজার ৮৯৭ টাকা দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে প্রদর্শন করেন। কিন্তু যাচাইকালে তার ২ কোটি ৫০ লাখ ৫৫ হাজার ১২৭ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া যায়।

সেক্ষেত্রে তিনি ৪০ লাখ ১০ হাজার ২৩০ টাকার সম্পদের তথ্য দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে গোপন করেন। যা দুর্নীতি দমন কমিশন আইন-২০০৪ এর ২৬(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ। অপর মামলায় আসামি হোসনে আরার আয়কর নথি পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে, ২০১৯-২০২০ করবর্ষ পর্যন্ত তার গ্রহণযোগ্য আয়ের পরিমাণ ২ কেটি ৯২ লাখ ৫৬ হাজার ৫২৩ টাকা এবং পারিবারিক ও অন্যান্য ব্যয় ৫২ লাখ ৯৭ হাজার ৫৫৩ টাকা।

সুতরাং তার অর্জিত সম্পদের পরিমাণ হয় (স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ পারিবারিক ও অন্যান্য ব্যয়) ৩ কোটি ৯৯ লাখ ৪৫ হাজার ৩২ টাকা। সেক্ষেত্রে তিনি ১ কেটি ৬ লাখ ৮৮ হাজার ৫০৯ টাকার জ্ঞাত আয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনপূর্বক ভোগদখলে রেখে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন-২০০৪ এর ২৭(১) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। ময়মনসিংহ দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. বুলু মিয়া বলেন, মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং তদন্তে অন্য কারও সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

দুর্গাপুরে সাংবাদিক আলিফ হত্যায় সন্দেহভাজন অপূর্ব আটক

গাজীপুরের সাবেক পিআইও ও স্ত্রীর বিরুদ্ধে দেড় কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের দুদক মামলা

Update Time : 01:07:56 am, Sunday, 18 October 2026

ময়মনসিংহ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নির্দেশে গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলার সাবেক প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) এসএম ওমর আলী এবং তার স্ত্রী হোসনে আরা বেগমের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মামলায় সাবেক পিআইও এসএম ওমর আলীর বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বর্হিভুত ৪০ লাখ ১০ হাজার ২৩০ টাকা অর্জন ও তার স্ত্রী হোসনে আরার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয় বর্হিভুত ১ কেটি ৬ লাখ ৮৮ হাজার ৫০৯ টাকা সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়। মোট জ্ঞাত আয় বহির্ভুত সম্পত্তি ১ কোটি ৪৭ লাখ ৮৭৩৯ টাকা। শনিবার (১৭ অক্টোবর) ময়মনসিংহ দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে মামলা দুটি নথিভুক্ত করেন ময়মনসিংহ দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. বুলু মিয়া।

এর আগে ১৩ অক্টোবর মামলার আবেদন করেন ময়মনসিংহ বিভাগীয় দুর্নীতি দমন কমিশন কার্যালয়ের উপ-সহপরিচালক ইব্রাহিম খলিল। অভিযুক্ত এসএম ওমর আলী (৭৩) সাবেক পিআইও গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলা পরিষদ। তিনি ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলার মৃত আহাম্মদ আলীর ছেলে। তিনি বর্তমানে ডাকার বসুন্দরা আবাসিক এলাকায় বসবাস করছেন। অপর আসামি তার স্ত্রী হোসনে আরা (৫৯), তিনি মৃত আব্দুর রহমান মেয়ে।

আসামি এসএম ওমর আলীর ২০১৯-২০২০ করবর্ষ পর্যন্ত আয়কর নথি অনুযায়ী স্থাবর সম্পদ ১ কোটি ৮৪ লাখ ৮৩ হাজার ৭৪৭ টাকা ও অস্থাবর সম্পদ ২৫ লাখ ৬১ হাজার ১৫০ টাকা বাবদ মোট ২ কেটি ১০ লাখ ৪৪ হাজার ৮৯৭ টাকা দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে প্রদর্শন করেন। কিন্তু যাচাইকালে তার ২ কোটি ৫০ লাখ ৫৫ হাজার ১২৭ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জনের তথ্য পাওয়া যায়।

সেক্ষেত্রে তিনি ৪০ লাখ ১০ হাজার ২৩০ টাকার সম্পদের তথ্য দাখিলকৃত সম্পদ বিবরণীতে গোপন করেন। যা দুর্নীতি দমন কমিশন আইন-২০০৪ এর ২৬(২) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ। অপর মামলায় আসামি হোসনে আরার আয়কর নথি পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে, ২০১৯-২০২০ করবর্ষ পর্যন্ত তার গ্রহণযোগ্য আয়ের পরিমাণ ২ কেটি ৯২ লাখ ৫৬ হাজার ৫২৩ টাকা এবং পারিবারিক ও অন্যান্য ব্যয় ৫২ লাখ ৯৭ হাজার ৫৫৩ টাকা।

সুতরাং তার অর্জিত সম্পদের পরিমাণ হয় (স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ পারিবারিক ও অন্যান্য ব্যয়) ৩ কোটি ৯৯ লাখ ৪৫ হাজার ৩২ টাকা। সেক্ষেত্রে তিনি ১ কেটি ৬ লাখ ৮৮ হাজার ৫০৯ টাকার জ্ঞাত আয়ের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ সম্পদ অর্জনপূর্বক ভোগদখলে রেখে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন-২০০৪ এর ২৭(১) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। ময়মনসিংহ দুর্নীতি দমন কমিশন সমন্বিত কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. বুলু মিয়া বলেন, মামলার তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে এবং তদন্তে অন্য কারও সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।