আজ সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬
২৭ আশ্বিন, ১৪৩৩ | ২৯ রবিউস সানি ১৪৪৮
ঢাকা
পরিষ্কার আকাশ
২৯°C
সর্বোচ্চ: ৩৬°C
সর্বনিম্ন: ২৬°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ৬%

বগুড়ার আদমদীঘি হাসপাতালে গর্ভকালীন সেবা কার্ড দিতে ২০০ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ

  • MIT ERP
  • Update Time : 10:41:39 pm, Monday, 12 October 2026
  • 8

বগুড়ার আদমদীঘি হাসপাতালে গর্ভকালীন সেবা কার্ড দিতে ২০০ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলা সদরের ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের পরিবার পরিকল্পনা শাখায় গর্ভকালীন সেবাকার্ড প্রদানের নামে প্রতি জনের কাছ থেকে ২০০ টাকা করে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অফিস সহকারি কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদে কর্মরত নূরুল হুদার বিরুদ্ধে।

রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুরে হাসপাতালের পরিবার পরিকল্পনা শাখা অফিসে এ ঘটনায় এলাকাল তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে। জানা গেছে, আদমদীঘি উপজেলা ৫০ শয্যা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা শাখায় অতিরিক্ত দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মচারী নূরুল হুদা গর্ভকালীন সেবা গ্রহণকারীর নিকট থেকে ২০০ টাকা করে গ্রহণ করেন। ঘটনাস্থলে ভুক্তভোগীদের তথ্য মোতাবেক হাতে নাতে ধরা পড়ে সেখানে অতিরিক্ত দায়িত্বরত হিসাবে কর্মরত নূরুল হুদা।

উক্ত নূরুল হুদা আদমদীঘি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একজন অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষারিক পদে কর্মরত তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী। ওই বিভাগের মেডিকেল অফিসার ছাড়া কিভাবে একজন তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী সেবাকার্ডে সিল সহি প্রদান করেন এ নিয়ে ঘটনাস্থলে ব্যাপক তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়। এমনকি তার ব্যবহৃত সিলে লক্ষ্য করা যায় তিনি পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা হিসাবে অতিরিক্ত পদে দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি এ সময় বহিরাগত বায়োফার্মার প্রতিনিধি জনৈক রাজু আহম্মেদকে দিয়ে কার্ড লিখে নেয়। এ ব্যাপারে কার্ড গ্রহণ করতে আসা লুৎফুন নেছা জানান, কার্ড নেওয়ার সময় এর আগে কখনো টাকা গ্রহণ করা না হলেও এখন টাকা ছাড়া কার্ড দিচ্ছেন না এবং তিনি টাকার কথা বাহিরে কাউকে বলতে নিষেধ করেছেন। এদিকে ওই শাখায় কর্মরত মেডিকেল অফিসার ডা. মাহবুব রহমানের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, আমি বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত রয়েছি।

আদমদীঘিতে সপ্তাহে একদিন মঙ্গলবারে যাই। আমার অফিস স্টাফকে সেবাকার্ড প্রদানে অনুমতি দিয়েছি। কিন্তু তারা প্রতিজনের নিকট থেকে ২০০ টাকা করে নিয়েছে তা ব্যাপারে আমার কিছু জানা নেই। তবে ঘটনা সত্য হলে আমি তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব। এ ঘটনায় হাসপাতালের প.প. কর্মকর্তা ডা. ফজলে রাব্বী বলেন, আদমদীঘি হাসপাতাল হলেও পরিবার পরিকল্পনা শাখা আমার তত্ত্বাবধানের বাহিরে।

এব্যাপারে অমার বলার কিছু নেই।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

চুনতি বনের সুরক্ষায় বাঁশখালীতে সমন্বিত উদ্যোগ নিয়ে সেমিনার অনুষ্ঠিত

বগুড়ার আদমদীঘি হাসপাতালে গর্ভকালীন সেবা কার্ড দিতে ২০০ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ

Update Time : 10:41:39 pm, Monday, 12 October 2026

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলা সদরের ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের পরিবার পরিকল্পনা শাখায় গর্ভকালীন সেবাকার্ড প্রদানের নামে প্রতি জনের কাছ থেকে ২০০ টাকা করে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অফিস সহকারি কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক পদে কর্মরত নূরুল হুদার বিরুদ্ধে।

রোববার (১১ অক্টোবর) দুপুরে হাসপাতালের পরিবার পরিকল্পনা শাখা অফিসে এ ঘটনায় এলাকাল তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে। জানা গেছে, আদমদীঘি উপজেলা ৫০ শয্যা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা শাখায় অতিরিক্ত দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মচারী নূরুল হুদা গর্ভকালীন সেবা গ্রহণকারীর নিকট থেকে ২০০ টাকা করে গ্রহণ করেন। ঘটনাস্থলে ভুক্তভোগীদের তথ্য মোতাবেক হাতে নাতে ধরা পড়ে সেখানে অতিরিক্ত দায়িত্বরত হিসাবে কর্মরত নূরুল হুদা।

উক্ত নূরুল হুদা আদমদীঘি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একজন অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষারিক পদে কর্মরত তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী। ওই বিভাগের মেডিকেল অফিসার ছাড়া কিভাবে একজন তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী সেবাকার্ডে সিল সহি প্রদান করেন এ নিয়ে ঘটনাস্থলে ব্যাপক তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়। এমনকি তার ব্যবহৃত সিলে লক্ষ্য করা যায় তিনি পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা হিসাবে অতিরিক্ত পদে দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি এ সময় বহিরাগত বায়োফার্মার প্রতিনিধি জনৈক রাজু আহম্মেদকে দিয়ে কার্ড লিখে নেয়। এ ব্যাপারে কার্ড গ্রহণ করতে আসা লুৎফুন নেছা জানান, কার্ড নেওয়ার সময় এর আগে কখনো টাকা গ্রহণ করা না হলেও এখন টাকা ছাড়া কার্ড দিচ্ছেন না এবং তিনি টাকার কথা বাহিরে কাউকে বলতে নিষেধ করেছেন। এদিকে ওই শাখায় কর্মরত মেডিকেল অফিসার ডা. মাহবুব রহমানের সাথে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি জানান, আমি বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্মরত রয়েছি।

আদমদীঘিতে সপ্তাহে একদিন মঙ্গলবারে যাই। আমার অফিস স্টাফকে সেবাকার্ড প্রদানে অনুমতি দিয়েছি। কিন্তু তারা প্রতিজনের নিকট থেকে ২০০ টাকা করে নিয়েছে তা ব্যাপারে আমার কিছু জানা নেই। তবে ঘটনা সত্য হলে আমি তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব। এ ঘটনায় হাসপাতালের প.প. কর্মকর্তা ডা. ফজলে রাব্বী বলেন, আদমদীঘি হাসপাতাল হলেও পরিবার পরিকল্পনা শাখা আমার তত্ত্বাবধানের বাহিরে।

এব্যাপারে অমার বলার কিছু নেই।