মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার চারুবালা হোমস্টে অ্যান্ড ট্যুরস বাংলাদেশ পর্যটন পুরস্কার ২০২৬-এর বর্ষসেরা হোমস্টে ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত হয়েছে। বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রকাশিত পুরস্কার তালিকায় প্রতিষ্ঠানটির নাম রয়েছে।
দীর্ঘদিন ধরে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের দেশের বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্র ও দর্শনীয় স্থানে ভ্রমণসেবা দিয়ে আসছে চারুবালা হোমস্টে অ্যান্ড ট্যুরস। প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক শাওন দেব। পর্যটনসেবার পাশাপাশি স্থানীয় সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও মানুষের জীবনযাত্রার সঙ্গে পর্যটকদের পরিচয় করিয়ে দিতে কাজ করছেন তিনি।
বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশের পর্যটন শিল্পের টেকসই উন্নয়ন, সেবার মানোন্নয়ন, উদ্ভাবন, ডিজিটাল রূপান্তর, স্থানীয় জনগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ, নারী ও তরুণ উদ্যোক্তাদের উৎসাহিতকরণ এবং পরিবেশ ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ‘বাংলাদেশ পর্যটন পুরস্কার-২০২৬’ দেওয়া হচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে যাচাই-বাছাই শেষে নির্বাচিত ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, উদ্যোক্তা ও পর্যটন-সংশ্লিষ্ট উদ্যোগকে অভিনন্দন জানানো হয়েছে। এর মধ্যে ‘বর্ষসেরা হোমস্টে’ ক্যাটাগরিতে রয়েছে চারুবালা হোমস্টে অ্যান্ড ট্যুরসের নাম। চারুবালা হোমস্টে অ্যান্ড ট্যুরসের পরিচালক শাওন দেব বলেন, এই স্বীকৃতি আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের।
এটি শুধু চারুবালা হোমস্টে অ্যান্ড ট্যুরসের অর্জন নয়, বরং জুড়ী ও মৌলভীবাজারের পর্যটন সম্ভাবনারও একটি স্বীকৃতি। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমরা দেশি-বিদেশি পর্যটকদের দেশের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে ভ্রমণের সুযোগ করে দেওয়ার চেষ্টা করছি। আমাদের উদ্দেশ্য শুধু পর্যটকদের ঘোরানো নয়; দেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও স্থানীয় জীবনযাত্রার সঙ্গে তাদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া।
শাওন দেব আরও বলেন, জুড়ীসহ মৌলভীবাজারের পর্যটন সম্ভাবনা অনেক। স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করে এ সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর সুযোগ রয়েছে। পর্যটনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং এলাকার মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখাও আমাদের অন্যতম লক্ষ্য। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের এ স্বীকৃতি আমাদের দায়িত্ব আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
ভবিষ্যতে পর্যটকদের আরও উন্নত, নিরাপদ ও মানসম্মত সেবা দেওয়ার পাশাপাশি জুড়ী ও মৌলভীবাজারের পর্যটন সম্ভাবনাকে দেশ-বিদেশে তুলে ধরতে আমরা আরও বেশি কাজ করতে চাই। এ অর্জনের জন্য পর্যটক, শুভাকাঙ্ক্ষী, স্থানীয় জনগণ এবং প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান শাওন দেব। তিনি বলেন, সবার সহযোগিতা ও ভালোবাসা নিয়ে বাংলাদেশের পর্যটনকে আরও এগিয়ে নিতে আমরা কাজ করে যেতে চাই।






















