মৌসুমের শেষ মুহূর্তে বাজারে বেড়েছে ইলিশের আমদানি। ক্রেতা-বিক্রেতার হাঁকডাকে মুখর মাছঘাট। আগামী ৮ অক্টোবর থেকে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা আর আসন্ন দুর্গাপূজা কেন্দ্র করে বেড়েছে বেচাকেনা। বাজারে ছোট ও মাঝারি আকৃতির মাছই বেশি আসছে জানিয়ে বিক্রেতারা বলছেন, গত কয়েক মাসের তুলনায় কমেছে ইলিশের দাম।
চাঁদপুরের বড় স্টেশন মাছঘাটসহ অর্ধশত ঘাটে বেড়েছে ইলিশের সরবরাহ। কর্মব্যস্ত জেলে, শ্রমিক ও ব্যবসায়ীরা। বিভিন্ন জেলা থেকে পাইকার ও খুচরা ক্রেতারা ইলিশের জন্য আসছেন চাঁদপুরের এসব ঘাটে।
ঘাটে প্রতিদিন গড়ে সাতশ মন ইলিশ আসছে, তবে বেশিরভাগই ছোট ও মাঝারি, বলছেন ব্যবসায়ীরা। তবে, বাজারে অন্যান্য সময়ের তুলনায় ইলিশের দাম সহনীয়, বলছেন তারা।
ঘাটের এক বিক্রেতা বলেন, ‘বড় মাছ খুব একটা নাই। যা আসছে ছোট মাছ। ৩টা–৪টায় এক কেজি হয়, এমন মাছই বেশি আসছে। দামও মোটামুটি কম।’
আরেক বিক্রেতা বলেন, ‘চাঁদপুরে পদ্মা নদীর ইলিশ বরফ ছাড়া ২ হাজার ৪০০ থেকে ২ হাজার ৪৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। বাইরের মাছ ২ হাজার ২০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।’
অন্য এক বিক্রেতা বলেন, ‘গত ৩/৪মাস ধরে তেমন মাছ পাওয়া যায়নি। গত ৬/৭ দিন ধরে ভালো মাছ পাওয়া যাচ্ছে। মাছের দাম কমেছে।’
দীর্ঘদিন খরার পর লক্ষ্মীপুরের ৩০টি মাছঘাটেও বেড়েছে ইলিশের সরবরাহ। ব্যবসায়ীরা বলছেন, গত সপ্তাহের তুলনায় প্রতি হালি ইলিশে দাম কমেছে ৭শ টাকা।
এক আড়ৎদার বলেন, ‘মাছ বেড়েছে, দামও কমেছে। যে মাছ আগে ৩ হাজার থেকে সাড়ে তিন হাজার টাকা দরে বিক্রি হয়েছে, সেগুলো এখন ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার ১০০ টাকার মধ্যে মিলছে।’
লক্ষ্মীপুর মৎস্য অফিসের সিনিয়র পরিচালক মো. লুৎফুর রহমান বলেন, ‘এখন যেহেতু নদীতে মাছ পাওয়া যাচ্ছে। আমরা মনে করছি, মাছ না ধরার জন্য সরকারের বেঁধে দেওয়া সময় সঠিক ছিল।’
নদী ও সাগর থেকে মাছ নিয়ে জেলেরা ঘাটে ফেরায় সরগরম হয়ে উঠেছে নোয়াখালীর সব মাছঘাট। কেবল হাতিয়ার চেয়ারম্যান ঘাটেই দৈনিক সাতশ মন ইলিশ আসছে জানিয়ে জেলেরা বলছেন, মৌসুমের শেষে এসে প্রতি নৌকায় ৭০ মন পর্যন্ত ইলিশ ধরা পড়ছে।





















