2:25 am, Saturday, 1 August 2026

এমন চরিত্রই সবসময় খুঁজি

  • MIT ERP
  • Update Time : 01:21:50 am, Saturday, 1 August 2026
  • 2
Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

বর্তমান সময়ে বলিউডের অন্যতম সফল ও জনপ্রিয় নাম কিয়ারা আদভানি। গ্ল্যামার আর অভিনয়ের নিখুঁত মিশেলে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন ইন্ডাস্ট্রির শীর্ষ সারির অভিনেত্রী হিসেবে। একের পর এক ব্লকবাস্টার সিনেমা উপহার দিয়ে বক্স অফিসে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন এই তারকা। ২০১৪ সালে ‘ফুগলি’ সিনেমা দিয়ে বলিউডে অভিষেক হলেও শুরুটা সহজ ছিল না কিয়ারার জন্য। তবে ২০১৬ সালে ক্রিকেটার মহেন্দ্র সিং ধোনির বায়োপিক ‘এম এস ধোনি: দ্য আনটোল্ড স্টোরি’ সিনেমায় সাক্ষী ধোনির চরিত্রে অভিনয় করে তিনি প্রথম লাইমলাইটে আসেন। এরপর ওটিটি প্ল্যাটফর্মে ‘লাস্ট স্টোরিজ’-এ তার সাহসী পারফরম্যান্স দর্শকদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলে। শুধু গ্ল্যামারাস নায়িকার চরিত্রে আটকে না থেকে কিয়ারা বরাবরই নিজেকে ভেঙেছেন। দক্ষিণী সিনেমার রকিং স্টার যশের সঙ্গে প্যান-ইন্ডিয়া অ্যাকশন থ্রিলার সিনেমা ‘টক্সিক’-এ তিনি অভিনয় করছেন এক সাহসী ও ভিন্নধর্মী চরিত্রে। নারীদের নির্দিষ্ট কোনো ছকে আটকে রাখার ঘোর বিরোধী কিয়ারা পর্দায় নিজের সর্বোচ্চটা দিতে সবসময় প্রস্তুত। দক্ষিণী সুপারস্টার যশের সঙ্গে ‘টক্সিক: অ্যা ফেয়ারিটেল ফর গ্রোন আপস’ সিনেমাতে অভিনয় করে কটাক্ষের শিকার হচ্ছেন কিয়ারা। সিনেমাতে একাধিক ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয় করেছেন তিনি। নিন্দকদের অভিযোগ, মা হওয়ার পরে এমন চরিত্রে অভিনয় করা ঠিক হয়নি। এবার অভিনেত্রী নিজেই জানালেন, কেন ‘টক্সিক’-এর মতো সিনেমাতে অভিনয় করলেন তিনি। এই সিনেমাকে কিয়ারার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে সাহসী কাজ বলে মনে করা হচ্ছে। এক সাক্ষাৎকারে কিয়ারা বলেন, ‘গল্পটা প্রথম যখন শুনি, তখনই মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম। আমার চরিত্রটি সুন্দর ভাবে তৈরি করা হয়েছে, একজন অভিনেতা হিসাবে এমন চরিত্রই তো সবসময় খুঁজি। আমার মনে হয়েছিল, ক্যারিয়ারের এমন এক জায়গায় পৌঁছেছি, যেখানে এমন কঠিন একটি চরিত্র করার আত্মবিশ্বাস এসেছে।’ যদিও সিনেমাতে তার চরিত্র সম্পর্কে এখনো বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। তবে যশের সঙ্গে নাদিয়া চরিত্রে কিয়ারার সাহসী দৃশ্য ইতোমধ্যেই দর্শকদের নজর কেড়েছে। কিয়ারা জানান, তিনি কোনো দিনই চান না, মহিলা চরিত্রকে এক ছকে বেঁধে দেখা হোক। তার কথায়, ‘আমি চাই না, মহিলাদের এক ধরনের চরিত্রে আটকে রাখা হোক। আমরা তার চেয়ে অনেকটা এগিয়ে। তা হলে পর্দার চরিত্রও কেন তেমন হবে না?’ কিয়ারার মতে, মহিলা চরিত্র হওয়া উচিত শক্তিশালী। ‘টক্সিক’-এর চরিত্রও নাকি এমনই। গত বছর সিনেমাতে তার চরিত্রের প্রথম পোস্টার প্রকাশ্যে আসার পর কিয়ারা ইনস্টাগ্রামে লিখেছিলেন, ‘এই চরিত্র আমাকে শারীরিক, মানসিক এবং আবেগের দিক থেকে নিজের সীমা ছাড়িয়ে যেতে বাধ্য করেছে। আমার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে কঠিন চরিত্র এটি। অনেক মাসের পরিশ্রম আর এক সাহসী পদক্ষেপের ফল। প্রথম ঝলক এত ভালোবাসা পেয়েছে, আমি আপ্লুত। ভাষায় কৃতজ্ঞতা জানাতে পারছি না।’ ‘টক্সিক’ সিনেমার চিত্রনাট্য লিখেছেন যশ এবং গীতু মোহনদাস। পরিচালনা করেছেন গীতু মোহনদাস। সিনেমাটি একসঙ্গে ইংরেজি এবং কন্নড় ভাষায় শুট করা হয়েছে। পরে হিন্দি, তেলুগু, তামিল, মালায়ালমসহ একাধিক ভাষায় মুক্তি পাবে। পেশাদার জীবনের পাশাপাশি সহ-অভিনেতা সিদ্ধার্থ মালহোত্রার সঙ্গে তার জমকালো বিয়ে এবং সুখী দাম্পত্য জীবনও ভক্তদের দারুণ পছন্দ। বর্তমানে বলিউডের পাশাপাশি দক্ষিণী সিনেমাতেও নিজের রাজত্ব ছড়াচ্ছেন এই অভিনেত্রী। রুপালি পর্দায় তার উপস্থিতি মানেই এখন দর্শকদের জন্য বাড়তি উন্মাদনা।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

এমন চরিত্রই সবসময় খুঁজি

Update Time : 01:21:50 am, Saturday, 1 August 2026

বর্তমান সময়ে বলিউডের অন্যতম সফল ও জনপ্রিয় নাম কিয়ারা আদভানি। গ্ল্যামার আর অভিনয়ের নিখুঁত মিশেলে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন ইন্ডাস্ট্রির শীর্ষ সারির অভিনেত্রী হিসেবে। একের পর এক ব্লকবাস্টার সিনেমা উপহার দিয়ে বক্স অফিসে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন এই তারকা। ২০১৪ সালে ‘ফুগলি’ সিনেমা দিয়ে বলিউডে অভিষেক হলেও শুরুটা সহজ ছিল না কিয়ারার জন্য। তবে ২০১৬ সালে ক্রিকেটার মহেন্দ্র সিং ধোনির বায়োপিক ‘এম এস ধোনি: দ্য আনটোল্ড স্টোরি’ সিনেমায় সাক্ষী ধোনির চরিত্রে অভিনয় করে তিনি প্রথম লাইমলাইটে আসেন। এরপর ওটিটি প্ল্যাটফর্মে ‘লাস্ট স্টোরিজ’-এ তার সাহসী পারফরম্যান্স দর্শকদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলে। শুধু গ্ল্যামারাস নায়িকার চরিত্রে আটকে না থেকে কিয়ারা বরাবরই নিজেকে ভেঙেছেন। দক্ষিণী সিনেমার রকিং স্টার যশের সঙ্গে প্যান-ইন্ডিয়া অ্যাকশন থ্রিলার সিনেমা ‘টক্সিক’-এ তিনি অভিনয় করছেন এক সাহসী ও ভিন্নধর্মী চরিত্রে। নারীদের নির্দিষ্ট কোনো ছকে আটকে রাখার ঘোর বিরোধী কিয়ারা পর্দায় নিজের সর্বোচ্চটা দিতে সবসময় প্রস্তুত। দক্ষিণী সুপারস্টার যশের সঙ্গে ‘টক্সিক: অ্যা ফেয়ারিটেল ফর গ্রোন আপস’ সিনেমাতে অভিনয় করে কটাক্ষের শিকার হচ্ছেন কিয়ারা। সিনেমাতে একাধিক ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয় করেছেন তিনি। নিন্দকদের অভিযোগ, মা হওয়ার পরে এমন চরিত্রে অভিনয় করা ঠিক হয়নি। এবার অভিনেত্রী নিজেই জানালেন, কেন ‘টক্সিক’-এর মতো সিনেমাতে অভিনয় করলেন তিনি। এই সিনেমাকে কিয়ারার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে সাহসী কাজ বলে মনে করা হচ্ছে। এক সাক্ষাৎকারে কিয়ারা বলেন, ‘গল্পটা প্রথম যখন শুনি, তখনই মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলাম। আমার চরিত্রটি সুন্দর ভাবে তৈরি করা হয়েছে, একজন অভিনেতা হিসাবে এমন চরিত্রই তো সবসময় খুঁজি। আমার মনে হয়েছিল, ক্যারিয়ারের এমন এক জায়গায় পৌঁছেছি, যেখানে এমন কঠিন একটি চরিত্র করার আত্মবিশ্বাস এসেছে।’ যদিও সিনেমাতে তার চরিত্র সম্পর্কে এখনো বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। তবে যশের সঙ্গে নাদিয়া চরিত্রে কিয়ারার সাহসী দৃশ্য ইতোমধ্যেই দর্শকদের নজর কেড়েছে। কিয়ারা জানান, তিনি কোনো দিনই চান না, মহিলা চরিত্রকে এক ছকে বেঁধে দেখা হোক। তার কথায়, ‘আমি চাই না, মহিলাদের এক ধরনের চরিত্রে আটকে রাখা হোক। আমরা তার চেয়ে অনেকটা এগিয়ে। তা হলে পর্দার চরিত্রও কেন তেমন হবে না?’ কিয়ারার মতে, মহিলা চরিত্র হওয়া উচিত শক্তিশালী। ‘টক্সিক’-এর চরিত্রও নাকি এমনই। গত বছর সিনেমাতে তার চরিত্রের প্রথম পোস্টার প্রকাশ্যে আসার পর কিয়ারা ইনস্টাগ্রামে লিখেছিলেন, ‘এই চরিত্র আমাকে শারীরিক, মানসিক এবং আবেগের দিক থেকে নিজের সীমা ছাড়িয়ে যেতে বাধ্য করেছে। আমার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে কঠিন চরিত্র এটি। অনেক মাসের পরিশ্রম আর এক সাহসী পদক্ষেপের ফল। প্রথম ঝলক এত ভালোবাসা পেয়েছে, আমি আপ্লুত। ভাষায় কৃতজ্ঞতা জানাতে পারছি না।’ ‘টক্সিক’ সিনেমার চিত্রনাট্য লিখেছেন যশ এবং গীতু মোহনদাস। পরিচালনা করেছেন গীতু মোহনদাস। সিনেমাটি একসঙ্গে ইংরেজি এবং কন্নড় ভাষায় শুট করা হয়েছে। পরে হিন্দি, তেলুগু, তামিল, মালায়ালমসহ একাধিক ভাষায় মুক্তি পাবে। পেশাদার জীবনের পাশাপাশি সহ-অভিনেতা সিদ্ধার্থ মালহোত্রার সঙ্গে তার জমকালো বিয়ে এবং সুখী দাম্পত্য জীবনও ভক্তদের দারুণ পছন্দ। বর্তমানে বলিউডের পাশাপাশি দক্ষিণী সিনেমাতেও নিজের রাজত্ব ছড়াচ্ছেন এই অভিনেত্রী। রুপালি পর্দায় তার উপস্থিতি মানেই এখন দর্শকদের জন্য বাড়তি উন্মাদনা।