4:51 am, Friday, 31 July 2026

চন্দ্রখালী খাল পুনঃখননে সাশ্রয় ১ কোটি ২২ লাখ টাকা, সরকারি কোষাগারে জমা

  • MIT ERP
  • Update Time : 03:51:30 am, Friday, 31 July 2026
  • 2
Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ার চন্দ্রখালী খাল পুনঃখনন প্রকল্পের কাজ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। নির্ধারিত কাজ শেষ করার পর সাশ্রয় হওয়া ওই প্রকল্পে সাশ্রয় হওয়া ১ কোটি ২২ লাখ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দিয়েছেন ইউএনও কাজী অনিক ইসলাম। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, উপজেলাল গাজী খালী নদীর উৎসমুখ হতে বালিয়াটি খলিলাবাদ পর্যন্ত ৬.৯ কিলোমিটার চন্দ্র খালী খাল পুনঃখননের জন্য ২ কোটি ৮৩ লাখ ২৭ হাজার ৬২৩ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রকল্পের নির্ধারিত গুণগত মান বজায় রেখে কাজ শেষ করার পরও মোট ১ কোটি ২২ লাখ ২ হাজার ১৫৬ টাকা থাকে যায়। পরবর্তীতে সেই অর্থ নিয়ম মেনে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় জনগণ সরকারের এই উদ্যোগ ও স্বচ্ছতার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. খলিলুর রহমান জানান, সরকারি নির্দেশনা মেনে ৬.৯ কিলোমিটার খাল খনন সম্পন্ন করা হয়েছে। বর্ষার কারণে বিভিন্ন স্থানে ভাঙন দেখা দেওয়ায় পাড় মেরামত করা হয় এবং খালের স্থায়িত্ব ও পরিবেশ রক্ষায় দুই পাড়ে ফলজ ও বনজ বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে। ইউএনও মোহাম্মদ কাজী অনিক ইসলাম জানান, ঐতিহ্যবাহী খালটি সময়ের সঙ্গে দখল ও ভরাট হয়ে প্রায় অকেজো হয়েছিল। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর খালটি পুনঃখননের উদ্যোগ নেওয়া হয়। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মিজ আফরোজা খানম রিতা গত ১১ মে খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেন। খালের বিভিন্ন স্থানে প্রস্থ ভিন্ন হওয়ায় প্রাক্কলনের তুলনায় কম ব্যয়ে কাজ সম্পন্ন হয়েছে। প্রকল্পের কাজে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা বজায় রাখা হয়েছে উল্লেখ করে ইউএনও জানান, কাজ শেষে অব্যবহৃত ও সাশ্রয় হওয়া ১ কোটি ২২ লাখ ১৫৬ টাকা নিয়ম অনুযায়ী সরকারি তহবিলে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

চন্দ্রখালী খাল পুনঃখননে সাশ্রয় ১ কোটি ২২ লাখ টাকা, সরকারি কোষাগারে জমা

Update Time : 03:51:30 am, Friday, 31 July 2026

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ার চন্দ্রখালী খাল পুনঃখনন প্রকল্পের কাজ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। নির্ধারিত কাজ শেষ করার পর সাশ্রয় হওয়া ওই প্রকল্পে সাশ্রয় হওয়া ১ কোটি ২২ লাখ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দিয়েছেন ইউএনও কাজী অনিক ইসলাম। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, উপজেলাল গাজী খালী নদীর উৎসমুখ হতে বালিয়াটি খলিলাবাদ পর্যন্ত ৬.৯ কিলোমিটার চন্দ্র খালী খাল পুনঃখননের জন্য ২ কোটি ৮৩ লাখ ২৭ হাজার ৬২৩ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রকল্পের নির্ধারিত গুণগত মান বজায় রেখে কাজ শেষ করার পরও মোট ১ কোটি ২২ লাখ ২ হাজার ১৫৬ টাকা থাকে যায়। পরবর্তীতে সেই অর্থ নিয়ম মেনে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় জনগণ সরকারের এই উদ্যোগ ও স্বচ্ছতার ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. খলিলুর রহমান জানান, সরকারি নির্দেশনা মেনে ৬.৯ কিলোমিটার খাল খনন সম্পন্ন করা হয়েছে। বর্ষার কারণে বিভিন্ন স্থানে ভাঙন দেখা দেওয়ায় পাড় মেরামত করা হয় এবং খালের স্থায়িত্ব ও পরিবেশ রক্ষায় দুই পাড়ে ফলজ ও বনজ বৃক্ষরোপণ করা হয়েছে। ইউএনও মোহাম্মদ কাজী অনিক ইসলাম জানান, ঐতিহ্যবাহী খালটি সময়ের সঙ্গে দখল ও ভরাট হয়ে প্রায় অকেজো হয়েছিল। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর খালটি পুনঃখননের উদ্যোগ নেওয়া হয়। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মিজ আফরোজা খানম রিতা গত ১১ মে খাল পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেন। খালের বিভিন্ন স্থানে প্রস্থ ভিন্ন হওয়ায় প্রাক্কলনের তুলনায় কম ব্যয়ে কাজ সম্পন্ন হয়েছে। প্রকল্পের কাজে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা বজায় রাখা হয়েছে উল্লেখ করে ইউএনও জানান, কাজ শেষে অব্যবহৃত ও সাশ্রয় হওয়া ১ কোটি ২২ লাখ ১৫৬ টাকা নিয়ম অনুযায়ী সরকারি তহবিলে ফেরত পাঠানো হয়েছে।