7:09 am, Friday, 31 July 2026

আত্মসমর্পণের পর দুই আসামির জামিন

  • MIT ERP
  • Update Time : 03:56:12 am, Thursday, 30 July 2026
  • 4
Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

রাজধানীর বেইলি রোডে গ্রিন কোজি কটেজ ভবনে আগুনে ৪৬ জনের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন দুই আসামি। গতকাল বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন আমিন মোহাম্মদ ফাউন্ডেশনের স্বত্বাধিকারী মো. রমজানুল হক নিহাদ এবং ফুকো রেস্টুরেন্টের স্বত্বাধিকারী রাসেল আহম্মেদ। নিহাদের পক্ষে অ্যাডভোকেট জাহিদ হাসান এবং রাসেলের পক্ষে অ্যাডভোকেট প্রদীপ রঞ্জন দেবনাথ শুনানি করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের জামিন মঞ্জুর করেন বলে জানিয়েছেন প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই শাহ আলম। এর আগে, ১৯ এপ্রিল গ্রিন কোজি কটেজে অগ্নিকা-ে প্রাণহানির ঘটনায় ভবনটিতে থাকা বিভিন্ন রেস্টুরেন্টের মালিকসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে দেওয়া অভিযোগপত্র আমলে নেন আদালত। পলাতক থাকায় সেদিন ১৩ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। মামলার তদন্ত শেষে গত ২ এপ্রিল সিআইডির পরিদর্শক শাহজালাল মুন্সী আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি রাত পৌনে ১০টার দিকে বেইলি রোডের সাততলা গ্রিন কোজি কটেজ ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকা-ে ৪৬ জন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে ২০ জন পুরুষ, ১৮ জন নারী এবং ৮ জন শিশু ছিলেন। এ ঘটনায় জীবিত উদ্ধার করা হয় ৭৫ জনকে। অগ্নিকা-ের ঘটনায় রমনা মডেল থানার এসআই মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম মামলা করেন। পরে মামলার তদন্তভার সিআইডির কাছে হস্তান্তর করা হয়।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

আত্মসমর্পণের পর দুই আসামির জামিন

Update Time : 03:56:12 am, Thursday, 30 July 2026

রাজধানীর বেইলি রোডে গ্রিন কোজি কটেজ ভবনে আগুনে ৪৬ জনের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন দুই আসামি। গতকাল বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন আমিন মোহাম্মদ ফাউন্ডেশনের স্বত্বাধিকারী মো. রমজানুল হক নিহাদ এবং ফুকো রেস্টুরেন্টের স্বত্বাধিকারী রাসেল আহম্মেদ। নিহাদের পক্ষে অ্যাডভোকেট জাহিদ হাসান এবং রাসেলের পক্ষে অ্যাডভোকেট প্রদীপ রঞ্জন দেবনাথ শুনানি করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের জামিন মঞ্জুর করেন বলে জানিয়েছেন প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই শাহ আলম। এর আগে, ১৯ এপ্রিল গ্রিন কোজি কটেজে অগ্নিকা-ে প্রাণহানির ঘটনায় ভবনটিতে থাকা বিভিন্ন রেস্টুরেন্টের মালিকসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে দেওয়া অভিযোগপত্র আমলে নেন আদালত। পলাতক থাকায় সেদিন ১৩ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। মামলার তদন্ত শেষে গত ২ এপ্রিল সিআইডির পরিদর্শক শাহজালাল মুন্সী আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি রাত পৌনে ১০টার দিকে বেইলি রোডের সাততলা গ্রিন কোজি কটেজ ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকা-ে ৪৬ জন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে ২০ জন পুরুষ, ১৮ জন নারী এবং ৮ জন শিশু ছিলেন। এ ঘটনায় জীবিত উদ্ধার করা হয় ৭৫ জনকে। অগ্নিকা-ের ঘটনায় রমনা মডেল থানার এসআই মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম মামলা করেন। পরে মামলার তদন্তভার সিআইডির কাছে হস্তান্তর করা হয়।