নতুন জাতীয় বেতন কাঠামো ২০২৬ অনুযায়ী সরকারি চাকরিজীবীদের মূল বেতন ধাপে ধাপে পুনর্নির্ধারণের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৭ সালের মধ্যে তিন ধাপে মূল বেতন সমন্বয় করা হবে।
আর বিভিন্ন ভাতা ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে একযোগে কার্যকর করার কথা রয়েছে। তবে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ক্ষেত্রে নতুন বেতন কীভাবে দেওয়া হবে, তা নিয়ে এখনো বিস্তারিত আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা পাওয়া যায়নি। ডিসেম্বর থেকে বেতন দেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। ফলে একবারে সম্পূর্ণ নতুন মূল বেতন দেওয়া হবে, নাকি ধাপে ধাপে সমন্বয় করা হবে, তা চূড়ান্ত নির্দেশনার ওপর নির্ভর করবে।
[178734] গ্রেড অনুযায়ী এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা তাদের বর্তমান পদ ও গ্রেড অনুযায়ী নতুন বেতন কাঠামোর সুবিধা পাবেন। নতুন পে-স্কেলে মূল বেতন বৃদ্ধির পাশাপাশি বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা জাতীয় বেতন স্কেল অনুযায়ী মূল বেতনের শতভাগ পেয়ে থাকেন। এর সঙ্গে বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ভাতাসহ প্রযোজ্য অন্যান্য সুবিধা যুক্ত হয়।
তবে নতুন স্কেলে বেতন নির্ধারণের ক্ষেত্রে শুধু মূল বেতন দেখলেই মোট মাসিক বেতন জানা যাবে না। বাড়িভাড়া, চিকিৎসা ভাতা, উৎসব ভাতা, অবসর ও কল্যাণ তহবিলের কর্তনসহ অন্যান্য বিষয় হিসাব করতে হবে। তাই নতুন মূল বেতন দ্বিগুণ হলেই হাতে পাওয়া মোট বেতনও দ্বিগুণ হবে, এমনটি ধরে নেওয়া ঠিক হবে না। [178465] প্রকাশিত বেতন কাঠামোর তথ্য অনুযায়ী, মাস্টার্স কলেজের অধ্যক্ষরা চতুর্থ গ্রেডে ১ লাখ টাকা প্রারম্ভিক মূল বেতন পাবেন।
স্নাতক ও স্নাতকোত্তর কলেজের উপাধ্যক্ষদের জন্য পঞ্চম গ্রেডে নির্ধারণ করা হয়েছে ৮৬ হাজার টাকা। ষষ্ঠ গ্রেডে সহকারী অধ্যাপকদের প্রারম্ভিক মূল বেতন হবে ৭১ হাজার টাকা। এ ছাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকরা সপ্তম গ্রেডে ৫৮ হাজার টাকা এবং সহকারী প্রধান শিক্ষকরা অষ্টম গ্রেডে ৪৬ হাজার টাকা মূল বেতন পাবেন। কলেজের প্রভাষকদের জন্য নবম গ্রেডে প্রারম্ভিক মূল বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৪ হাজার টাকা।
[178463] অন্যদিকে, দশম গ্রেডভুক্ত পদের সহকারী শিক্ষকদের প্রারম্ভিক মূল বেতন হবে ৩২ হাজার টাকা। আর ১১তম গ্রেডভুক্ত পদের সহকারী শিক্ষকরা পাবেন ২৫ হাজার টাকা। জানা গেছে, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ডিসেম্বর মাসকে লক্ষ্য ধরে কাজ করছে। যদিও অর্থ বরাদ্দের বিষয়ে মৌখিক সম্মতি পাওয়ার খবর পাওয়া গেলেও আনুষ্ঠানিক অনুমোদন ও অর্থ ছাড়ের বিষয়ে এখনও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।


























