কক্সবাজারের টেকনাফে বিজিবির বিশেষ অভিযানে সমুদ্রপথে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে আসা ৯ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে দুজনের বয়স ১৮ বছরের কম। এ সময় মানব পাচারচক্রের সদস্যরা পালিয়ে যায়।
শনিবার (৭ নভেম্বর) সন্ধ্যায় টেকনাফ থানার দক্ষিণ লম্বরীঘাট এলাকায় এ অভিযান চালায় টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)। বিজিবি সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার বিকেল ৫টার দিকে দক্ষিণ লম্বরীঘাট এলাকায় কয়েকজনকে জোরপূর্বক সমুদ্রপথে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে আসার তথ্য পায় বিজিবি। পরে ব্যাটালিয়ন অধিনায়কের নির্দেশনায় বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে একটি বিশেষ টহল দল সেখানে অবস্থান নেয়।
সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বিজিবি সদস্যরা ঘাট এলাকায় ২০ থেকে ২৫ জনের অবস্থান দেখতে পান। এ সময় সমুদ্র থেকে একটি সন্দেহজনক নৌকা ঘাটের দিকে আসতে দেখে সেটিকে ধাওয়া করেন তাঁরা। একপর্যায়ে মানব পাচারচক্রের ১০ থেকে ১৫ জন সদস্য নৌকায় উঠে সমুদ্রের দিকে পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে আসা ৯ জনকে উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে উদ্ধার ব্যক্তিরা তাঁদের জোরপূর্বক মানব পাচারের উদ্দেশ্যে সেখানে নিয়ে আসার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
উদ্ধার ব্যক্তিদের মধ্যে রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা এবং কক্সবাজার সদর, চকরিয়া, মহেশখালী ও উখিয়া এলাকার বাসিন্দা রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে দুজন অপ্রাপ্তবয়স্ক। টেকনাফ ব্যাটালিয়ন (২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক জানান, মানব পাচার ও সংঘবদ্ধ অপরাধের বিরুদ্ধে বিজিবির অবস্থান অত্যন্ত কঠোর। সীমান্ত ও উপকূলীয় এলাকায় মানব পাচার প্রতিরোধে গোয়েন্দা তৎপরতা, নজরদারি ও বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
মানব পাচারকারীদের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে। বিজিবি আরও জানায়, উদ্ধার হওয়া ৯ জনের বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।





















