আজ বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
১৩ কার্তিক, ১৪৩৩ | ১৬ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৮
ঢাকা
আংশিক মেঘলা
২৭°C
সর্বোচ্চ: ৩৫°C
সর্বনিম্ন: ২৬°C
বৃষ্টির সম্ভাবনা: ৩১%

পুঁজিবাজার থেকে ৭৮ কোটি টাকা তুলতে আইপিও আবেদন পার্কওয়ে প্যাকেজিংয়ের

  • MIT ERP
  • Update Time : 07:00:07 pm, Wednesday, 28 October 2026
  • 16

পুঁজিবাজার থেকে ৭৮ কোটি টাকা তুলতে আইপিও আবেদন পার্কওয়ে প্যাকেজিংয়ের

Monzu-Info-Tech
Monzu-Info-Tech

পুঁজিবাজার থেকে ৭৮ কোটি টাকা তুলতে চায় ডিবিএল গ্রুপের প্রতিষ্ঠান পার্কওয়ে প্যাকেজিং অ্যান্ড প্রিন্টিং পিএলসি। এ লক্ষ্যে ফিক্সড প্রাইজ পদ্ধতিতে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন চেয়ে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (বিএসইসি) আবেদন করেছে পার্কওয়ে প্যাকেজিং অ্যান্ড প্রিন্টিং পিএলসি।

আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ দিয়ে সহযোগী প্রতিষ্ঠান নেক্সট প্যাক লিমিটেডের মাধ্যমে একটি আধুনিক ও সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় কার্টন উৎপাদন কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। সূত্রমতে, আইপিওতে ১ কোটি ৯৫ লাখ সাধারণ শেয়ার ইস্যু করে ৭৮ কোটি টাকা সংগ্রহ করতে চায় কোম্পানিটি। প্রতিটি শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০ টাকা। এর সঙ্গে ৩০ টাকা প্রিমিয়াম যোগ করে শেয়ারপ্রতি প্রস্তাবিত মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৪০ টাকা।

গত ২৫ অক্টোবর বিএসইসির কাছে আইপিওর অনুমোদন চেয়ে আবেদন করে প্রতিষ্ঠানটি। কোম্পানিটির প্রস্তাব অনুযায়ী, আইপিও থেকে সংগৃহীত অর্থ সহযোগী প্রতিষ্ঠান নেক্সট প্যাক লিমিটেডে ইক্যুইটি বিনিয়োগ হিসেবে দেওয়া হবে। নেক্সট প্যাক একটি পৃথক স্থানে আধুনিক ও সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় ঢেউতোলা কাগজের কার্টন উৎপাদন কারখানা স্থাপনের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

নতুন কারখানার মাধ্যমে উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো, পরিচালন দক্ষতা উন্নত করা এবং সরবরাহব্যবস্থা শক্তিশালী করার পরিকল্পনা রয়েছে। কোম্পানিসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নতুন কারখানার উৎপাদিত পণ্য মূলত দেশের তৈরি পোশাক শিল্পসহ প্যাকেজিং পণ্যের প্রয়োজন রয়েছে এমন অন্যান্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের চাহিদা পূরণে ব্যবহার করা হবে। ডিবিএল গ্রুপের দীর্ঘদিনের বাজার উপস্থিতি ও প্রতিষ্ঠিত গ্রাহকভিত্তিকে কাজে লাগিয়ে নতুন উৎপাদন সক্ষমতার সদ্ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির।

আইপিওর শেয়ারপ্রতি মূল্য নির্ধারণে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (পাবলিক অফার অব ইক্যুইটি সিকিউরিটিজ) বিধিমালা, ২০২৫ অনুসরণ করা হয়েছে বলে আবেদনসংশ্লিষ্ট তথ্যে উল্লেখ রয়েছে। ইস্যু ব্যবস্থাপকের সঙ্গে পরামর্শ করে শেয়ারের প্রস্তাবিত মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি নির্ধারিত মূল্যায়ন পদ্ধতির মাধ্যমে এ দরের যৌক্তিকতা উপস্থাপনের কথা জানিয়েছে কোম্পানিটি।

আইপিওর অনুমোদন পেতে খসড়া প্রসপেক্টাসসহ প্রয়োজনীয় নথিপত্রও জমা দেওয়া হয়েছে। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির মাধ্যমে কোম্পানিটির করপোরেট স্বচ্ছতা, আর্থিক তথ্য প্রকাশ ও জবাবদিহি বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ডিবিএল গ্রুপের আরেকটি শিল্পপ্রতিষ্ঠান শেয়ারবাজারে যুক্ত হলে অন্য যোগ্য প্রতিষ্ঠানও গণপ্রস্তাবের মাধ্যমে মূলধন সংগ্রহে উৎসাহিত হতে পারে।

এতে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ও বৈচিত্র্য বাড়ার পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছে কোম্পানিটি। পার্কওয়ে প্যাকেজিং অ্যান্ড প্রিন্টিং পিএলসি বাংলাদেশের প্যাকেজিং ও প্রিন্টিং খাতে কাজ করছে। প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে তৈরি পোশাকশিল্পের জন্য প্যাকেজিং পণ্য সরবরাহ করে আসছে। আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ নতুন কারখানায় বিনিয়োগ করা হলে কোম্পানিটির উৎপাদন সক্ষমতা বাড়বে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

তবে প্রস্তাবিত আইপিওর অনুমোদন, শেয়ার ইস্যু এবং অর্থ সংগ্রহের বিষয়গুলো বিএসইসির পর্যালোচনা ও সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।

Tag :

Write Your Comment

About Author Information

MIT ERP

Popular Post

তরুণ নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন ও নেতৃত্ব নিয়ে জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত

পুঁজিবাজার থেকে ৭৮ কোটি টাকা তুলতে আইপিও আবেদন পার্কওয়ে প্যাকেজিংয়ের

Update Time : 07:00:07 pm, Wednesday, 28 October 2026

পুঁজিবাজার থেকে ৭৮ কোটি টাকা তুলতে চায় ডিবিএল গ্রুপের প্রতিষ্ঠান পার্কওয়ে প্যাকেজিং অ্যান্ড প্রিন্টিং পিএলসি। এ লক্ষ্যে ফিক্সড প্রাইজ পদ্ধতিতে প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) অনুমোদন চেয়ে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে (বিএসইসি) আবেদন করেছে পার্কওয়ে প্যাকেজিং অ্যান্ড প্রিন্টিং পিএলসি।

আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ দিয়ে সহযোগী প্রতিষ্ঠান নেক্সট প্যাক লিমিটেডের মাধ্যমে একটি আধুনিক ও সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় কার্টন উৎপাদন কারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। সূত্রমতে, আইপিওতে ১ কোটি ৯৫ লাখ সাধারণ শেয়ার ইস্যু করে ৭৮ কোটি টাকা সংগ্রহ করতে চায় কোম্পানিটি। প্রতিটি শেয়ারের অভিহিত মূল্য ১০ টাকা। এর সঙ্গে ৩০ টাকা প্রিমিয়াম যোগ করে শেয়ারপ্রতি প্রস্তাবিত মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৪০ টাকা।

গত ২৫ অক্টোবর বিএসইসির কাছে আইপিওর অনুমোদন চেয়ে আবেদন করে প্রতিষ্ঠানটি। কোম্পানিটির প্রস্তাব অনুযায়ী, আইপিও থেকে সংগৃহীত অর্থ সহযোগী প্রতিষ্ঠান নেক্সট প্যাক লিমিটেডে ইক্যুইটি বিনিয়োগ হিসেবে দেওয়া হবে। নেক্সট প্যাক একটি পৃথক স্থানে আধুনিক ও সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় ঢেউতোলা কাগজের কার্টন উৎপাদন কারখানা স্থাপনের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

নতুন কারখানার মাধ্যমে উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো, পরিচালন দক্ষতা উন্নত করা এবং সরবরাহব্যবস্থা শক্তিশালী করার পরিকল্পনা রয়েছে। কোম্পানিসংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নতুন কারখানার উৎপাদিত পণ্য মূলত দেশের তৈরি পোশাক শিল্পসহ প্যাকেজিং পণ্যের প্রয়োজন রয়েছে এমন অন্যান্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের চাহিদা পূরণে ব্যবহার করা হবে। ডিবিএল গ্রুপের দীর্ঘদিনের বাজার উপস্থিতি ও প্রতিষ্ঠিত গ্রাহকভিত্তিকে কাজে লাগিয়ে নতুন উৎপাদন সক্ষমতার সদ্ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির।

আইপিওর শেয়ারপ্রতি মূল্য নির্ধারণে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (পাবলিক অফার অব ইক্যুইটি সিকিউরিটিজ) বিধিমালা, ২০২৫ অনুসরণ করা হয়েছে বলে আবেদনসংশ্লিষ্ট তথ্যে উল্লেখ রয়েছে। ইস্যু ব্যবস্থাপকের সঙ্গে পরামর্শ করে শেয়ারের প্রস্তাবিত মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি নির্ধারিত মূল্যায়ন পদ্ধতির মাধ্যমে এ দরের যৌক্তিকতা উপস্থাপনের কথা জানিয়েছে কোম্পানিটি।

আইপিওর অনুমোদন পেতে খসড়া প্রসপেক্টাসসহ প্রয়োজনীয় নথিপত্রও জমা দেওয়া হয়েছে। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির মাধ্যমে কোম্পানিটির করপোরেট স্বচ্ছতা, আর্থিক তথ্য প্রকাশ ও জবাবদিহি বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ডিবিএল গ্রুপের আরেকটি শিল্পপ্রতিষ্ঠান শেয়ারবাজারে যুক্ত হলে অন্য যোগ্য প্রতিষ্ঠানও গণপ্রস্তাবের মাধ্যমে মূলধন সংগ্রহে উৎসাহিত হতে পারে।

এতে তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ও বৈচিত্র্য বাড়ার পাশাপাশি বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হবে বলে মনে করছে কোম্পানিটি। পার্কওয়ে প্যাকেজিং অ্যান্ড প্রিন্টিং পিএলসি বাংলাদেশের প্যাকেজিং ও প্রিন্টিং খাতে কাজ করছে। প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে তৈরি পোশাকশিল্পের জন্য প্যাকেজিং পণ্য সরবরাহ করে আসছে। আইপিওর মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ নতুন কারখানায় বিনিয়োগ করা হলে কোম্পানিটির উৎপাদন সক্ষমতা বাড়বে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

তবে প্রস্তাবিত আইপিওর অনুমোদন, শেয়ার ইস্যু এবং অর্থ সংগ্রহের বিষয়গুলো বিএসইসির পর্যালোচনা ও সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।